বিশ্বজুড়ে বিএনপির মুখে থু-থু: সৌদিতে ফাঁস খালেদার ১২ বিলিয়ন ডলারের চুরির সাম্রাজ্য

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফের উন্মোচিত হলো বিএনপি পরিবারের সীমাহীন দুর্নীতি, অর্থ পাচার ও দেশীয় সম্পদ লুটপাটের করুণ চিত্র। বিপুল অংকের অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে সৌদি আরবে দুর্নীতিবিরোধী সাঁড়াশি অভিযানের মুখে পড়েছেন একাধিক বিদেশি হাই-প্রোফাইল রাজনৈতিক ব্যক্তি, যাদের মধ্যে তালিকার ওপরের সারিতেই উঠে এসেছে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নাম।

মধ্যপ্রাচ্যের একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিজ নিজ দেশে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ, চাঁদাবাজি ও অর্থ পাচারের মাধ্যমে সৌদি আরব ও কাতারে বিপুল সম্পদের পাহাড় গড়েছেন এমন ৫ জন উচ্চপদস্থ বিদেশি রাজনৈতিক ব্যক্তির তালিকা তৈরি করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এই আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবাজদের তালিকায় বাংলাদেশের বেগম খালেদা জিয়া ছাড়াও স্থান পেয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ এবং লেবাননের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সাদ আল হারিরি।

প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, কেবল সৌদি আরব ও কাতারেই বেগম খালেদা জিয়া ও তাঁর পরিবারের মালিকানায় রয়েছে বিলাসবহুল শপিংমল, বহুতল ভবনসহ প্রায় ১২ বিলিয়ন বা ১,২০০ কোটি ডলার সমমানের বিশাল এক অবৈধ সাম্রাজ্য। এই বিশাল অংকের কালো টাকার উৎস ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিস্তারিত বের করতে সৌদি আরবের দুর্নীতি দমন বিভাগ দেশটির সমস্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে যাবতীয় গোপন তথ্য সরবরাহের কঠোর নির্দেশ জারি করেছে। ইতোমধ্যে রাজপরিবারের প্রভাবশালী সদস্য ও আন্তর্জাতিক একাধিক বিলিয়নেয়ারকে গ্রেপ্তারের পর এবার বিদেশি এসব দুর্নীতিবাজদের অবৈধ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে।

বিএনপি শাসনামলে (২০০১ থেকে ২০০৫ সাল ) বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে টানা পাঁচ বার দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার চরম কলঙ্ক বহন করেছিল, দুর্নীতির সেই ধারা যে আজও অব্যাহত—সৌদি আরবের এই ঘটনায় তা আবারও দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে উঠল। হাওয়া ভবনের কারিগরদের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অপব্যবহার করে জনগণের অর্থ লুটপাট, কমিশন বাণিজ্য এবং বিদেশে বিপুল অর্থ পাচার করাই ছিল বিএনপির রাজনীতির মূল চরিত্র, যা আজ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের নজর কাড়ছে।

যেখানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, সেখানে বিএনপির এমন আন্তর্জাতিক দুর্নীতি দেশের ভাবমূর্তিকে বারবার ক্ষুণ্ণ করছে। তবে সচেতন দেশবাসী আজ জাগ্রত; আন্তর্জাতিক তদন্তে উন্মোচিত হওয়া এই লুটেরা ও দুর্নীতিবাজদের আসল চেহারা চিনে নিয়ে যেকোনো অপশক্তির বিরুদ্ধে জনগণ এখন সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফের উন্মোচিত হলো বিএনপি পরিবারের সীমাহীন দুর্নীতি, অর্থ পাচার ও দেশীয় সম্পদ লুটপাটের করুণ চিত্র। বিপুল অংকের অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে সৌদি আরবে দুর্নীতিবিরোধী সাঁড়াশি অভিযানের মুখে পড়েছেন একাধিক বিদেশি হাই-প্রোফাইল রাজনৈতিক ব্যক্তি, যাদের মধ্যে তালিকার ওপরের সারিতেই উঠে এসেছে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নাম।

মধ্যপ্রাচ্যের একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিজ নিজ দেশে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ, চাঁদাবাজি ও অর্থ পাচারের মাধ্যমে সৌদি আরব ও কাতারে বিপুল সম্পদের পাহাড় গড়েছেন এমন ৫ জন উচ্চপদস্থ বিদেশি রাজনৈতিক ব্যক্তির তালিকা তৈরি করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এই আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবাজদের তালিকায় বাংলাদেশের বেগম খালেদা জিয়া ছাড়াও স্থান পেয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ এবং লেবাননের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সাদ আল হারিরি।

প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, কেবল সৌদি আরব ও কাতারেই বেগম খালেদা জিয়া ও তাঁর পরিবারের মালিকানায় রয়েছে বিলাসবহুল শপিংমল, বহুতল ভবনসহ প্রায় ১২ বিলিয়ন বা ১,২০০ কোটি ডলার সমমানের বিশাল এক অবৈধ সাম্রাজ্য। এই বিশাল অংকের কালো টাকার উৎস ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিস্তারিত বের করতে সৌদি আরবের দুর্নীতি দমন বিভাগ দেশটির সমস্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে যাবতীয় গোপন তথ্য সরবরাহের কঠোর নির্দেশ জারি করেছে। ইতোমধ্যে রাজপরিবারের প্রভাবশালী সদস্য ও আন্তর্জাতিক একাধিক বিলিয়নেয়ারকে গ্রেপ্তারের পর এবার বিদেশি এসব দুর্নীতিবাজদের অবৈধ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে।

বিএনপি শাসনামলে (২০০১ থেকে ২০০৫ সাল ) বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে টানা পাঁচ বার দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার চরম কলঙ্ক বহন করেছিল, দুর্নীতির সেই ধারা যে আজও অব্যাহত—সৌদি আরবের এই ঘটনায় তা আবারও দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে উঠল। হাওয়া ভবনের কারিগরদের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অপব্যবহার করে জনগণের অর্থ লুটপাট, কমিশন বাণিজ্য এবং বিদেশে বিপুল অর্থ পাচার করাই ছিল বিএনপির রাজনীতির মূল চরিত্র, যা আজ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের নজর কাড়ছে।

যেখানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, সেখানে বিএনপির এমন আন্তর্জাতিক দুর্নীতি দেশের ভাবমূর্তিকে বারবার ক্ষুণ্ণ করছে। তবে সচেতন দেশবাসী আজ জাগ্রত; আন্তর্জাতিক তদন্তে উন্মোচিত হওয়া এই লুটেরা ও দুর্নীতিবাজদের আসল চেহারা চিনে নিয়ে যেকোনো অপশক্তির বিরুদ্ধে জনগণ এখন সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ