রংপুরে লাশের রাজনীতিতে ফিরেছে বিএনপি: আওয়ামী লীগ নেতা রতনকে কুপিয়ে হত্যা

রক্তের দাগ শুকায় না, উল্টো সেই রক্তের ওপর দিয়েই কি তবে তারেক জিয়ার রংপুর সফরের লাল কার্পেট বিছানো হচ্ছে? তারেক জিয়ার রংপুর সফরের ঠিক আগের দিন—সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় সুপরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ফকরুল আলম রতন কে।

৫ আগস্টের পর থেকে বিএনপি-জামায়াত চক্র যে লাগাতার আওয়ামী লীগ নিধনযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে, এটি তারই এক বর্বরোচিত ও নিকৃষ্টতম বহিঃপ্রকাশ!

এর আগে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা বালাপাড়া ইউনিয়নের হরিচরণ লস্কর গ্রামে রতনদের বাড়িসহ ২২টি হিন্দু ও আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে আগুন দিয়ে সব ছাই করে দিয়েছিল। প্রাণ বাঁচাতে তখন থেকেই রতন ও তার ভাই নয়নসহ পরিবারের পুরুষ সদস্যরা আত্মগোপনে ছিলেন।

সবকিছু হারিয়ে সর্বস্বহারা রতন কেবল অসুস্থ মাকে শেষবারের মতো দেখতে নিজ বাড়িতে পা রাখতে গিয়েছিলেন। ঠিক তখনই ওত পেতে থাকা বিএনপি-জামায়াতের খুনি ক্যাডাররা মোটরসাইকেল থেকে নেমে তার ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে! কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর তাঁর নিথর দেহটাই শুধু ফিরেছে।

ঘরবাড়ি পুড়িয়ে ছাই করার পর এখন সরাসরি মানুষ খুন করে যারা ভাবছেন আওয়ামী লীগের কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দেবেন—আপনারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। রক্তের প্রতিটি ফোঁটার হিসাব বাংলার মাটিতেই সুদে-আসলে নেওয়া হবে। যত বড়ই ষড়যন্ত্র আর নিধনযজ্ঞ চালানো হোক না কেন, এ দেশের মানুষের হৃদয় থেকে আওয়ামী লীগের আদর্শ ও শেকড় কেউ উপড়ে ফেলতে পারবে না!

রক্তের দাগ শুকায় না, উল্টো সেই রক্তের ওপর দিয়েই কি তবে তারেক জিয়ার রংপুর সফরের লাল কার্পেট বিছানো হচ্ছে? তারেক জিয়ার রংপুর সফরের ঠিক আগের দিন—সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় সুপরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ফকরুল আলম রতন কে।

৫ আগস্টের পর থেকে বিএনপি-জামায়াত চক্র যে লাগাতার আওয়ামী লীগ নিধনযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে, এটি তারই এক বর্বরোচিত ও নিকৃষ্টতম বহিঃপ্রকাশ!

এর আগে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা বালাপাড়া ইউনিয়নের হরিচরণ লস্কর গ্রামে রতনদের বাড়িসহ ২২টি হিন্দু ও আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে আগুন দিয়ে সব ছাই করে দিয়েছিল। প্রাণ বাঁচাতে তখন থেকেই রতন ও তার ভাই নয়নসহ পরিবারের পুরুষ সদস্যরা আত্মগোপনে ছিলেন।

সবকিছু হারিয়ে সর্বস্বহারা রতন কেবল অসুস্থ মাকে শেষবারের মতো দেখতে নিজ বাড়িতে পা রাখতে গিয়েছিলেন। ঠিক তখনই ওত পেতে থাকা বিএনপি-জামায়াতের খুনি ক্যাডাররা মোটরসাইকেল থেকে নেমে তার ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে! কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর তাঁর নিথর দেহটাই শুধু ফিরেছে।

ঘরবাড়ি পুড়িয়ে ছাই করার পর এখন সরাসরি মানুষ খুন করে যারা ভাবছেন আওয়ামী লীগের কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দেবেন—আপনারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। রক্তের প্রতিটি ফোঁটার হিসাব বাংলার মাটিতেই সুদে-আসলে নেওয়া হবে। যত বড়ই ষড়যন্ত্র আর নিধনযজ্ঞ চালানো হোক না কেন, এ দেশের মানুষের হৃদয় থেকে আওয়ামী লীগের আদর্শ ও শেকড় কেউ উপড়ে ফেলতে পারবে না!

আরো পড়ুন

সর্বশেষ