লুটপাটে ব্যস্ত বিএনপি সরকার: চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ জনগণ, দেউলিয়া অর্থনীতি

রাষ্ট্রের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি থেকে শুরু করে মেগা প্রকল্প—সবখানেই আজ দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির করাল থাবা। দারিদ্র্য দূরীকরণ ও সমাজকল্যাণের নাম ভাঙিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালী গোষ্ঠী, আমলা ও সিন্ডিকেটের পকেটে। অন্যদিকে নজিরবিহীন মূল্যস্ফীতি, ফুটপাত ও কাঁচাবাজারে বেপরোয়া চাঁদাবাজি এবং ভুল অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে দেউলিয়াত্বের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে দেশের অর্থনীতি। প্রশাসনিক অদক্ষতা ও জঘন্য অনিয়মের মাশুল গুনতে গিয়ে আজ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চরম ঝুঁকিতে পড়েছে।

নৌবাহিনী পরিচালিত শিপইয়ার্ডের আড়ালে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা ছাড়াই সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ৩২০ দশমিক ৭১ কোটি টাকার অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেট সরবরাহের কাজ দেওয়া হয়েছে সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতাহীন ও বেনামি প্রতিষ্ঠান ‘বুরাক ব্রেক লিমিটেড’-কে। গাড়ি কিংবা যানবাহনের ব্রেক যন্ত্রাংশের নামসর্বস্ব এই প্রতিষ্ঠানের নেপথ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বকুলের আপন ভাতিজা ও ভাতিজি। যেখানে সরাসরি কেনাকাটায় প্রতিটি ট্যাবলেটের অতিরিক্ত দর হাঁকিয়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের প্রায় ৯৩ কোটি টাকা অপচয় করা হয়েছে, সেখানে চুক্তি পাওয়া শিপইয়ার্ড কোনো ঝুঁকি না নিয়ে কেবল নাম ব্যবহার করেই হাতিয়ে নিচ্ছে ১২ দশমিক ৮৩ কোটি টাকা কমিশন। একই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অতীতে সরবরাহ করা হুইলচেয়ারের চালানে মারাত্মক ত্রুটি ধরা পড়েছে—লোহার তীক্ষ্ণ তার বের হয়ে থাকা এবং ঢিলেঢালা ব্রেকের এসব নিম্নমানের হুইলচেয়ার শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিদের জীবনের জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি করেছে।

অপরদিকে দারিদ্র্য দূরীকরণের আন্তর্জাতিক সহায়তাও বাদ পড়েনি এই লুটেরার উৎসব থেকে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের ৬১ দশমিক ২৯ কোটি টাকার ‘প্রজেক্ট ইন্টিগ্রেট’ প্রকল্পের মাত্র ১৩ শতাংশ অর্থাৎ ৮ দশমিক ১০ কোটি টাকা পাচ্ছে প্রকৃত অসহায় ও বাস্তুহারা মানুষ; আর বাকি ৫৩ কোটি টাকাই উধাও হয়ে যাচ্ছে তারেক রহমানের গুলশান ভিত্তিক গোপন সিন্ডিকেট ও ৪৭৩ জন দেশি-বিদেশি পরামর্শকের পকেটে। কর্মকর্তাদের জন্য অবৈধ প্রশিক্ষণ ও বিদেশ ভ্রমণের নামে ৩ দশমিক ৫৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার পাশাপাশি অহেতুক ফাইল চালাচালি ও বিলাসবহুল অফিস ভাড়ার অজুহাতে অপচয় করা হচ্ছে আরও ১০ কোটি টাকা।

আওয়ামী লীগ সরকারের যুগান্তকারী মেগা প্রকল্পগুলোর সুফল ভোগ করে দেশের উন্নয়নকে থমকে দিতে দিনরাত বিষোদ্গার চালিয়েছিল যে পরজীবী গোষ্ঠী, তাদের অন্যতম প্রতিভূ জুনায়েদ সাকি। তিনিও নাম লিখিয়েছেন অতিরিক্ত অর্থ লুণ্ঠনের গোপন প্রতিযোগিতায়। এক রাতেই এমআরটি লাইন-৫ এবং এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের খরচ নজিরবিহীনভাবে বাড়িয়ে ১ লাখ ১০ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হলেও সুশীল সমাজ ও নীতিবাগীশরা রহস্যজনক নীরবতা পালন করছে।

রাষ্ট্রের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি থেকে শুরু করে মেগা প্রকল্প—সবখানেই আজ দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির করাল থাবা। দারিদ্র্য দূরীকরণ ও সমাজকল্যাণের নাম ভাঙিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালী গোষ্ঠী, আমলা ও সিন্ডিকেটের পকেটে। অন্যদিকে নজিরবিহীন মূল্যস্ফীতি, ফুটপাত ও কাঁচাবাজারে বেপরোয়া চাঁদাবাজি এবং ভুল অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে দেউলিয়াত্বের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে দেশের অর্থনীতি। প্রশাসনিক অদক্ষতা ও জঘন্য অনিয়মের মাশুল গুনতে গিয়ে আজ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চরম ঝুঁকিতে পড়েছে।

নৌবাহিনী পরিচালিত শিপইয়ার্ডের আড়ালে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা ছাড়াই সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ৩২০ দশমিক ৭১ কোটি টাকার অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেট সরবরাহের কাজ দেওয়া হয়েছে সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতাহীন ও বেনামি প্রতিষ্ঠান ‘বুরাক ব্রেক লিমিটেড’-কে। গাড়ি কিংবা যানবাহনের ব্রেক যন্ত্রাংশের নামসর্বস্ব এই প্রতিষ্ঠানের নেপথ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বকুলের আপন ভাতিজা ও ভাতিজি। যেখানে সরাসরি কেনাকাটায় প্রতিটি ট্যাবলেটের অতিরিক্ত দর হাঁকিয়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের প্রায় ৯৩ কোটি টাকা অপচয় করা হয়েছে, সেখানে চুক্তি পাওয়া শিপইয়ার্ড কোনো ঝুঁকি না নিয়ে কেবল নাম ব্যবহার করেই হাতিয়ে নিচ্ছে ১২ দশমিক ৮৩ কোটি টাকা কমিশন। একই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অতীতে সরবরাহ করা হুইলচেয়ারের চালানে মারাত্মক ত্রুটি ধরা পড়েছে—লোহার তীক্ষ্ণ তার বের হয়ে থাকা এবং ঢিলেঢালা ব্রেকের এসব নিম্নমানের হুইলচেয়ার শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিদের জীবনের জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি করেছে।

অপরদিকে দারিদ্র্য দূরীকরণের আন্তর্জাতিক সহায়তাও বাদ পড়েনি এই লুটেরার উৎসব থেকে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের ৬১ দশমিক ২৯ কোটি টাকার ‘প্রজেক্ট ইন্টিগ্রেট’ প্রকল্পের মাত্র ১৩ শতাংশ অর্থাৎ ৮ দশমিক ১০ কোটি টাকা পাচ্ছে প্রকৃত অসহায় ও বাস্তুহারা মানুষ; আর বাকি ৫৩ কোটি টাকাই উধাও হয়ে যাচ্ছে তারেক রহমানের গুলশান ভিত্তিক গোপন সিন্ডিকেট ও ৪৭৩ জন দেশি-বিদেশি পরামর্শকের পকেটে। কর্মকর্তাদের জন্য অবৈধ প্রশিক্ষণ ও বিদেশ ভ্রমণের নামে ৩ দশমিক ৫৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার পাশাপাশি অহেতুক ফাইল চালাচালি ও বিলাসবহুল অফিস ভাড়ার অজুহাতে অপচয় করা হচ্ছে আরও ১০ কোটি টাকা।

আওয়ামী লীগ সরকারের যুগান্তকারী মেগা প্রকল্পগুলোর সুফল ভোগ করে দেশের উন্নয়নকে থমকে দিতে দিনরাত বিষোদ্গার চালিয়েছিল যে পরজীবী গোষ্ঠী, তাদের অন্যতম প্রতিভূ জুনায়েদ সাকি। তিনিও নাম লিখিয়েছেন অতিরিক্ত অর্থ লুণ্ঠনের গোপন প্রতিযোগিতায়। এক রাতেই এমআরটি লাইন-৫ এবং এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের খরচ নজিরবিহীনভাবে বাড়িয়ে ১ লাখ ১০ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হলেও সুশীল সমাজ ও নীতিবাগীশরা রহস্যজনক নীরবতা পালন করছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ