পূজা শুরুই হয়নি, তার আগেই ৩৪টি মণ্ডপে হামলার হিসাব দিতে হলো পূজা উদযাপন পরিষদকে। সিলেট, রাজবাড়ী, পঞ্চগড়, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, জেলার তালিকা পড়লে দেখা যায় মানচিত্রের প্রায় সবটাই ছুঁয়ে গেছে। এর সঙ্গে ফরিদপুরের কালীমন্দিরে চুরি, সুনামগঞ্জে ঘরবাড়ি, দোকান আর মন্দিরে লুটপাট, নওগাঁয় গোয়েন্দা কর্মচারী সেজে ডাকাতি।
সরকারে বিএনপি, সংসদে ক্ষমতার ভাগীদার জামায়াত – তাই নিরাপত্তার দাবিটা এখন এমন জায়গায় এসেছে যে সংখ্যালঘু নেতাদের বলতে হচ্ছে, আমরা পুলিশের পাহারা ছাড়াই উৎসব করতে চাই। ভাবুন তো একবার, যে রাষ্ট্র মণ্ডপের সামনে পাহারা বসায়, তার কাছে আসল চাওয়াটা হলো পাহারা লাগবে না এমন একটা সমাজ। সেই সমাজ গড়ার দায়িত্ব যাঁদের, তাঁরা ক্ষমতার চেয়ার গরম করে বসে আছে।
অগত্যা তাই বাধ্য হয়ে পূজা উদযাপন পরিষদ নিজেই জেলা ও উপজেলায় ২২ দফা নিরাপত্তা নির্দেশনা পাঠিয়েছে। সুষ্ঠু পূজার বন্দোবস্ত করার ভারটা শেষ পর্যন্ত পড়েছে ভুক্তভোগী সম্প্রদায়ের ঘাড়েই।

