সেনাবাহিনীতে বাড়ছে ক্ষোভ ও অসন্তোষ: দরবারে ৫টি স্পর্শকাতর প্রশ্নের সদুত্তর দিতে ব্যর্থ সেনাপ্রধান

সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ দরবারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের কাছে উপস্থিত কর্মকর্তাদের উত্থাপিত পাঁচটি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের কোনোটিরই স্পষ্ট সমাধান না মেলায় বাহিনীর অভ্যন্তরে গভীর অসন্তোষ, বিভ্রান্তি ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

২ অক্টোবর ২০২৬ অনুষ্ঠিত ওই দরবারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) সেনা কর্মকর্তাদের বিচার ও সরকারি আদেশ পালনকারীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা, ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এ যুক্ত হওয়ার রাজনৈতিক ঝুঁকি ও সাধারণ মানুষের ক্ষতির আশঙ্কা, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে দীর্ঘ নয় মাসের অচলাবস্থা, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক পুনঃনিয়োগের ফলে দীর্ঘদিনের সুসংগঠিত চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়ার ঝুঁকি এবং সেনাবাহিনীতে ইসলামাইজেশন নীতির উৎস ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলা হয়।

পেশাদারিত্ব ও বাহিনীর ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত এসব প্রশ্নের কোনো সুনির্দিষ্ট বা কৌশলগত ব্যাখ্যা না দিয়ে সেনাপ্রধান পরবর্তীতে দরবার আহ্বানের কথা বলে বিষয়গুলো এড়িয়ে যান, যা সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরে কমান্ড কাঠামোর ওপর আস্থার সংকট তৈরি করেছে।

একই সঙ্গে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর থেকে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একেবারে ধসে পড়েছে, যেখানে রাজনৈতিক সহিংসতা, হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা নিত্যদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপেশাদার আচরণের কারণে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং অনেকে প্রাণ হারাচ্ছেন। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের ওপর নির্বিচারে নিধনযজ্ঞ, মামলা, গ্রেফতার, নির্যাতন এবং প্রকাশ্য দিবালোকে বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলের ঘটনা ঘটলেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

দেশের মূলধারার একটি রাজনৈতিক দলকে দমন করতে গিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্রের অপব্যবহার এবং দেশের চলমান রাজনৈতিক হামলা ও নৈরাজ্য সামাল দিতে না পারার ব্যর্থতা প্রমাণ করে যে, বর্তমানে দেশ এক চরম সামরিক, প্রশাসনিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে।

সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ দরবারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের কাছে উপস্থিত কর্মকর্তাদের উত্থাপিত পাঁচটি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের কোনোটিরই স্পষ্ট সমাধান না মেলায় বাহিনীর অভ্যন্তরে গভীর অসন্তোষ, বিভ্রান্তি ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

২ অক্টোবর ২০২৬ অনুষ্ঠিত ওই দরবারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) সেনা কর্মকর্তাদের বিচার ও সরকারি আদেশ পালনকারীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা, ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এ যুক্ত হওয়ার রাজনৈতিক ঝুঁকি ও সাধারণ মানুষের ক্ষতির আশঙ্কা, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে দীর্ঘ নয় মাসের অচলাবস্থা, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক পুনঃনিয়োগের ফলে দীর্ঘদিনের সুসংগঠিত চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়ার ঝুঁকি এবং সেনাবাহিনীতে ইসলামাইজেশন নীতির উৎস ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলা হয়।

পেশাদারিত্ব ও বাহিনীর ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত এসব প্রশ্নের কোনো সুনির্দিষ্ট বা কৌশলগত ব্যাখ্যা না দিয়ে সেনাপ্রধান পরবর্তীতে দরবার আহ্বানের কথা বলে বিষয়গুলো এড়িয়ে যান, যা সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরে কমান্ড কাঠামোর ওপর আস্থার সংকট তৈরি করেছে।

একই সঙ্গে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর থেকে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একেবারে ধসে পড়েছে, যেখানে রাজনৈতিক সহিংসতা, হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা নিত্যদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপেশাদার আচরণের কারণে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং অনেকে প্রাণ হারাচ্ছেন। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের ওপর নির্বিচারে নিধনযজ্ঞ, মামলা, গ্রেফতার, নির্যাতন এবং প্রকাশ্য দিবালোকে বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলের ঘটনা ঘটলেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

দেশের মূলধারার একটি রাজনৈতিক দলকে দমন করতে গিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্রের অপব্যবহার এবং দেশের চলমান রাজনৈতিক হামলা ও নৈরাজ্য সামাল দিতে না পারার ব্যর্থতা প্রমাণ করে যে, বর্তমানে দেশ এক চরম সামরিক, প্রশাসনিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ