মব রাজনীতির প্রবর্তক ইউনুস থেকে বিএনপি-জামাতের গদি দখলের মিশন

চব্বিশের মেটিকুলসা ডিজাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান ইউনুস হাত, এবং তার নির্দেশে দেশে যে ‘মব কালচার’ বা মব রাজনীতির বিষাক্ত সংস্কৃতি শুরু হয়েছিল, আজ তা ব্যবহার করে শিক্ষা খাতকে পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত করছে বিএনপি ও জামায়াত চক্র। জাতীয় রাজনীতি থেকে শুরু করে দেশের মেরুদণ্ড শিক্ষক সমাজ—কেউই এই অপশক্তির মব তাণ্ডব থেকে রেহাই পায়নি। মূল উদ্দেশ্য অত্যন্ত পরিষ্কার: সাধারণ শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক ঢাল বানিয়ে সম্মানিত শিক্ষকদের অপমান-হেনস্তা করে তাড়িয়ে দেওয়া এবং সেই খালি পদগুলোতে নিজেদের দলীয় দালাল ও পছন্দের ক্যাডারদের বসিয়ে শিক্ষাঙ্গন দখল করা।

দেশের প্রায় দুই হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সা সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি শিক্ষক আজ হয়রানি, নির্যাতন ও জোরপূর্বক পদত্যাগের শিকার। তাদের মধ্যে চারজন শিক্ষক—চট্টগ্রামের হাজেরা তজু ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ এস এম আইয়ুব, দোহারের জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ এস এম আব্দুল খালেক, বগুড়ার দুর্গাহাটা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম শফিক এবং ফেনীর সাউথ ইস্ট কলেজের অধ্যক্ষ পরমেশ চন্দ্র—মব তাণ্ডবের শারীরিক ও মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে অকালে মৃত্যুবরণ করেছেন।

যেভাবে জেলায় জেলায় নামিদামি স্কুল-কলেজে বিএনপি-জামাতের উসকানি ও মব তাণ্ডব চালানো হয়েছে:

➢ বরিশালের গৌরনদী শরিকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়: শ্রেণিকক্ষে জীববিজ্ঞানের ক্লাস নেওয়ার সময় প্রধান শিক্ষক কণিকা মুখার্জীকে উগ্র মব ঢুেক অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল ও হেনস্তা করে প্রাণভয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য করে।

➢ রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ: প্রাক্তন কিছু সুবিধাবাদী শিক্ষার্থী ও লোভী শিক্ষকদের উসকে দিয়ে মব সৃষ্টি করে অধ্যক্ষ কেকা রায় চৌধুরী এবং সহকারী অধ্যাপক ড. ফারহানা খানমকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়।

➢ ধামরাইয়ের সূয়াপুর নান্নার স্কুল অ্যান্ড কলেজ: ২০২৩ সালের শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানপ্রধান নির্বাচিত হওয়া অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম তালুকদারকে প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা আনার অপরাধে বাসা থেকে গিয়ে জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেয় উগ্র মব।

➢ ঢাকার কাফরুল, বাড্ডা ও চট্টগ্রাম: উত্তর কাফরুল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাম্মী আক্তারের পোশাক ধরে টানাটানি করে অপমান করা হয়; বাড্ডার আব্দুল খালেক মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আয়শা আক্তার এবং চট্টগ্রামের টাইগারপাস বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোজাম্মেল হককে ধাক্কা দিয়ে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়।

➢ ঢাকা জেলার ২০০ শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: খিলগাঁও গভর্নমেন্ট স্টাফ কোয়ার্টার হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সরদার মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বনানী মডেল স্কুলের কাজী শফিকুল ইসলাম, বিসিএসআইআর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ড. মো. ইদ্রিস আলী, রামপুরা একরামুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের হোসনে আরা, জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এ এস এম আব্দুল খালেক এবং গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ এম মুস্তফা জামান মিয়াসহ শত শত শিক্ষককে মব তৈরি করে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

➢ বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল: বগুড়ার ২৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেলঘরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওয়াদুদ হোসেন, পোয়ালগাছি, মাঝিরা, জোড়গাছা ও ইয়াকুবিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এবং সিরাজগঞ্জের চান্দাইকোনা হাজী ওয়াহেদ মরিয়ম ডিগ্রি কলেজের লুৎফর রহমান, পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের খাদিজা পারভীন, সবুজ কানন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং টাঙ্গাইলের রাজাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়সহ একের পর এক প্রতিষ্ঠানে চলে এই জঘন্য ক্যাডারগিরি।

➢ নারায়ণগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, ঠাকুরগাঁও ও অন্যান্য জেলা: নারায়ণগঞ্জের ভুলতা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল আউয়াল মোল্লা, আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের মনি আক্তার মিলি, নব কিশলয় উচ্চ বিদ্যালয়ের নজিবুল ইসলাম, জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের মোক্তার হোসেন, প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ের মোহাম্মদ আব্দুল করিম মিয়া, রূপগঞ্জের রূপসী উচ্চ বিদ্যালয়, আড়াইহাজারে পাঁচরুখী বেগম আনোয়ারা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ জাকির হোসেন, চৈতনকান্দা গোলাম মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাইফুল ইসলাম, নওগাঁর শিয়ালা উচ্চ বিদ্যালয়ের হরেন্দ্রনাথ সরকার, এবং ঠাকুরগাঁও পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ভবেশ চন্দ্র রায়কে একইভাবে হেনস্তা ও কর্মস্থলচ্যুত করা হয়।

হাইকোর্টের স্পষ্ট রায় রয়েছে যে—জোর করে নেওয়া পদত্যাগপত্রের কোনো আইনি বৈধতা নেই। কিন্তু বিএনপি-জামাতের স্থানীয় ক্যাডার ও প্রভাবশালী মহল আদালতের এই রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আইন প্রয়োগে বাধা দিচ্ছে। এর পেছনে মূল উদ্দেশ্য একটাই: দেশের তরুণ প্রজন্মকে উগ্র বানিয়ে নৈতিকভাবে ধ্বংস করা, শিক্ষকদের মানবেতর জীবনে ঠেলে দেওয়া এবং শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করে নিজেদের দলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

মব জাস্টিসের নামে শিক্ষাঙ্গনে এই চরম ফ্যাসিবাদী তাণ্ডব আর বরদাশত করা হবে না। তরুণ সমাজকে এখনই সচেতন হতে হবে—শিক্ষকদের অপমান করে কোনো দিন উন্নত বা অসাম্প্রদায়িক জাতি গঠন করা সম্ভব নয়!

চব্বিশের মেটিকুলসা ডিজাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান ইউনুস হাত, এবং তার নির্দেশে দেশে যে ‘মব কালচার’ বা মব রাজনীতির বিষাক্ত সংস্কৃতি শুরু হয়েছিল, আজ তা ব্যবহার করে শিক্ষা খাতকে পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত করছে বিএনপি ও জামায়াত চক্র। জাতীয় রাজনীতি থেকে শুরু করে দেশের মেরুদণ্ড শিক্ষক সমাজ—কেউই এই অপশক্তির মব তাণ্ডব থেকে রেহাই পায়নি। মূল উদ্দেশ্য অত্যন্ত পরিষ্কার: সাধারণ শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক ঢাল বানিয়ে সম্মানিত শিক্ষকদের অপমান-হেনস্তা করে তাড়িয়ে দেওয়া এবং সেই খালি পদগুলোতে নিজেদের দলীয় দালাল ও পছন্দের ক্যাডারদের বসিয়ে শিক্ষাঙ্গন দখল করা।

দেশের প্রায় দুই হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সা সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি শিক্ষক আজ হয়রানি, নির্যাতন ও জোরপূর্বক পদত্যাগের শিকার। তাদের মধ্যে চারজন শিক্ষক—চট্টগ্রামের হাজেরা তজু ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ এস এম আইয়ুব, দোহারের জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ এস এম আব্দুল খালেক, বগুড়ার দুর্গাহাটা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম শফিক এবং ফেনীর সাউথ ইস্ট কলেজের অধ্যক্ষ পরমেশ চন্দ্র—মব তাণ্ডবের শারীরিক ও মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে অকালে মৃত্যুবরণ করেছেন।

যেভাবে জেলায় জেলায় নামিদামি স্কুল-কলেজে বিএনপি-জামাতের উসকানি ও মব তাণ্ডব চালানো হয়েছে:

➢ বরিশালের গৌরনদী শরিকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়: শ্রেণিকক্ষে জীববিজ্ঞানের ক্লাস নেওয়ার সময় প্রধান শিক্ষক কণিকা মুখার্জীকে উগ্র মব ঢুেক অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল ও হেনস্তা করে প্রাণভয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য করে।

➢ রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ: প্রাক্তন কিছু সুবিধাবাদী শিক্ষার্থী ও লোভী শিক্ষকদের উসকে দিয়ে মব সৃষ্টি করে অধ্যক্ষ কেকা রায় চৌধুরী এবং সহকারী অধ্যাপক ড. ফারহানা খানমকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়।

➢ ধামরাইয়ের সূয়াপুর নান্নার স্কুল অ্যান্ড কলেজ: ২০২৩ সালের শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানপ্রধান নির্বাচিত হওয়া অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম তালুকদারকে প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা আনার অপরাধে বাসা থেকে গিয়ে জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেয় উগ্র মব।

➢ ঢাকার কাফরুল, বাড্ডা ও চট্টগ্রাম: উত্তর কাফরুল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাম্মী আক্তারের পোশাক ধরে টানাটানি করে অপমান করা হয়; বাড্ডার আব্দুল খালেক মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আয়শা আক্তার এবং চট্টগ্রামের টাইগারপাস বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোজাম্মেল হককে ধাক্কা দিয়ে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়।

➢ ঢাকা জেলার ২০০ শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: খিলগাঁও গভর্নমেন্ট স্টাফ কোয়ার্টার হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সরদার মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বনানী মডেল স্কুলের কাজী শফিকুল ইসলাম, বিসিএসআইআর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ড. মো. ইদ্রিস আলী, রামপুরা একরামুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের হোসনে আরা, জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এ এস এম আব্দুল খালেক এবং গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ এম মুস্তফা জামান মিয়াসহ শত শত শিক্ষককে মব তৈরি করে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

➢ বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল: বগুড়ার ২৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেলঘরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওয়াদুদ হোসেন, পোয়ালগাছি, মাঝিরা, জোড়গাছা ও ইয়াকুবিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এবং সিরাজগঞ্জের চান্দাইকোনা হাজী ওয়াহেদ মরিয়ম ডিগ্রি কলেজের লুৎফর রহমান, পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের খাদিজা পারভীন, সবুজ কানন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং টাঙ্গাইলের রাজাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়সহ একের পর এক প্রতিষ্ঠানে চলে এই জঘন্য ক্যাডারগিরি।

➢ নারায়ণগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, ঠাকুরগাঁও ও অন্যান্য জেলা: নারায়ণগঞ্জের ভুলতা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল আউয়াল মোল্লা, আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের মনি আক্তার মিলি, নব কিশলয় উচ্চ বিদ্যালয়ের নজিবুল ইসলাম, জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের মোক্তার হোসেন, প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ের মোহাম্মদ আব্দুল করিম মিয়া, রূপগঞ্জের রূপসী উচ্চ বিদ্যালয়, আড়াইহাজারে পাঁচরুখী বেগম আনোয়ারা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ জাকির হোসেন, চৈতনকান্দা গোলাম মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাইফুল ইসলাম, নওগাঁর শিয়ালা উচ্চ বিদ্যালয়ের হরেন্দ্রনাথ সরকার, এবং ঠাকুরগাঁও পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ভবেশ চন্দ্র রায়কে একইভাবে হেনস্তা ও কর্মস্থলচ্যুত করা হয়।

হাইকোর্টের স্পষ্ট রায় রয়েছে যে—জোর করে নেওয়া পদত্যাগপত্রের কোনো আইনি বৈধতা নেই। কিন্তু বিএনপি-জামাতের স্থানীয় ক্যাডার ও প্রভাবশালী মহল আদালতের এই রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আইন প্রয়োগে বাধা দিচ্ছে। এর পেছনে মূল উদ্দেশ্য একটাই: দেশের তরুণ প্রজন্মকে উগ্র বানিয়ে নৈতিকভাবে ধ্বংস করা, শিক্ষকদের মানবেতর জীবনে ঠেলে দেওয়া এবং শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করে নিজেদের দলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

মব জাস্টিসের নামে শিক্ষাঙ্গনে এই চরম ফ্যাসিবাদী তাণ্ডব আর বরদাশত করা হবে না। তরুণ সমাজকে এখনই সচেতন হতে হবে—শিক্ষকদের অপমান করে কোনো দিন উন্নত বা অসাম্প্রদায়িক জাতি গঠন করা সম্ভব নয়!

আরো পড়ুন

সর্বশেষ