ব্যাপক লুটপাট: শেষ বছরে ৯ বিলিয়ন ডলার ঋণ করেছে ইউনূস সরকার!

দেশের অর্থনীতিতে বইছে অস্থিরতার হাওয়া। অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যয় মেটাতে গিয়ে রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক ঋণের বোঝা চেপেছে জনগণের ঘাড়ে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের শেষ এক বছরে বিদেশ থেকে ৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে দেশের সামগ্রিক দায়-দেনার চাপ এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা পরিশোধের ক্ষেত্রে তৈরি করছে চরম অনিশ্চয়তা ও বাড়তি সংকট।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সাল শেষে বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১১৩.৫১ বিলিয়ন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ১৪ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি খাতের ঋণ ৯৩.৫ বিলিয়ন এবং বেসরকারি খাতের ঋণ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। গত এক বছরে নেওয়া ৯ বিলিয়ন ডলার ঋণের একটি বড় অংশই ব্যয় হয়েছে সরকার পরিচালনার দৈনন্দিন কাজে, যা কোনো দীর্ঘমেয়াদী সম্পদ তৈরিতে ভূমিকা রাখেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট মহলে অভিযোগ উঠেছে, বর্তমান সরকার দেশে দুর্নীতি ও লুটপাটের এক চরম মহোৎসবে মেতে উঠেছে। লুটপাটের কারণে সৃষ্ট আর্থিক ঘাটতি মেটাতে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার এখন বেপরোয়াভাবে ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল একদিকে উচ্চপর্যায় থেকে রিজার্ভ ও ব্যাংকিং খাত ‘স্বাভাবিক’ বলে প্রচারণা চালানো হচ্ছিল, অন্যদিকে পর্দার আড়ালে বিপুল অংকের টাকা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল।

অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, “যে কাজের জন্য ঋণ নেওয়া হচ্ছে, সেখান থেকে যদি বিদেশি কারেন্সিতে আয় নিশ্চিত করা না যায়, তবে এই ঋণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। কর ফাঁকি ও দুর্নীতি বন্ধে দৃশ্যমান উন্নতি ছাড়া এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়।”

এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার রেকর্ড ৩ লাখ ২৮ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

বিগত সরকারের আমলের এই উল্লম্ফন সাধারণ জনগণের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বিশাল ঋণের বোঝা ও আর্থিক লুটপাটের ক্ষত সামলানো পরবর্তী সরকারের জন্য এক ‘চরম অগ্নিপরীক্ষা’ হয়ে দাঁড়াবে।

দেশের অর্থনীতিতে বইছে অস্থিরতার হাওয়া। অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যয় মেটাতে গিয়ে রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক ঋণের বোঝা চেপেছে জনগণের ঘাড়ে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের শেষ এক বছরে বিদেশ থেকে ৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে দেশের সামগ্রিক দায়-দেনার চাপ এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা পরিশোধের ক্ষেত্রে তৈরি করছে চরম অনিশ্চয়তা ও বাড়তি সংকট।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সাল শেষে বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১১৩.৫১ বিলিয়ন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ১৪ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি খাতের ঋণ ৯৩.৫ বিলিয়ন এবং বেসরকারি খাতের ঋণ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। গত এক বছরে নেওয়া ৯ বিলিয়ন ডলার ঋণের একটি বড় অংশই ব্যয় হয়েছে সরকার পরিচালনার দৈনন্দিন কাজে, যা কোনো দীর্ঘমেয়াদী সম্পদ তৈরিতে ভূমিকা রাখেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট মহলে অভিযোগ উঠেছে, বর্তমান সরকার দেশে দুর্নীতি ও লুটপাটের এক চরম মহোৎসবে মেতে উঠেছে। লুটপাটের কারণে সৃষ্ট আর্থিক ঘাটতি মেটাতে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার এখন বেপরোয়াভাবে ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল একদিকে উচ্চপর্যায় থেকে রিজার্ভ ও ব্যাংকিং খাত ‘স্বাভাবিক’ বলে প্রচারণা চালানো হচ্ছিল, অন্যদিকে পর্দার আড়ালে বিপুল অংকের টাকা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল।

অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, “যে কাজের জন্য ঋণ নেওয়া হচ্ছে, সেখান থেকে যদি বিদেশি কারেন্সিতে আয় নিশ্চিত করা না যায়, তবে এই ঋণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। কর ফাঁকি ও দুর্নীতি বন্ধে দৃশ্যমান উন্নতি ছাড়া এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়।”

এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার রেকর্ড ৩ লাখ ২৮ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

বিগত সরকারের আমলের এই উল্লম্ফন সাধারণ জনগণের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বিশাল ঋণের বোঝা ও আর্থিক লুটপাটের ক্ষত সামলানো পরবর্তী সরকারের জন্য এক ‘চরম অগ্নিপরীক্ষা’ হয়ে দাঁড়াবে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ