স্বজনপ্রীতির রাজত্ব: তারেকের এপিএস সানি ও তার ভাইয়ের ইপিজেড মিশন!

দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক মাসের মাথায় বিতর্কের মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নবনিযুক্ত সহকারী একান্ত সচিব-২ (এপিএস-২) আব্দুর রহমান সানি। নিজের পদের প্রভাব খাটিয়ে আপন ভাইয়ের পারিবারিক কোম্পানিকে একটি বিশাল রপ্তানি অঞ্চল (ইপিজেড) স্থাপনের কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

গত ২৯ মার্চ (রবিবার) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নে একটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) স্থাপনের প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে ‘ভূঁঞা গ্লোবাল ফাউন্ডেশন’।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই ভূঁঞা গ্লোবাল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হলেন বিএনপি নেতা কবির আহমেদ ভূঁইয়া। তিনি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-২ আব্দুর রহমান সানির বড় ভাই। কবির আহমেদ ভূঁইয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। অর্থাৎ, প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তার পারিবারিক প্রতিষ্ঠানকেই এই লাভজনক ও কৌশলগত প্রকল্পের কাজ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আব্দুর রহমান সানিকে প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-২ হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী তাকে অন্য সব ব্যবসা বা পেশা ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নিয়োগ পাওয়ার মাত্র ৪০ দিনের মাথায় তার পরিবারের কোম্পানির প্রস্তাব গৃহীত হওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে—এটি কি স্রেফ ব্যবসায়িক প্রস্তাবের যোগ্যতা, নাকি ক্ষমতার অপব্যবহার? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর যেখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার কথা বলা হচ্ছে, সেখানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তার পরিবারের কোম্পানিকে এত দ্রুত বড় প্রকল্পের কাজ দেওয়া নৈতিকতার পরিপন্থী।

কবির আহমেদ ভূঁইয়া কসবা-আখাউড়া আসনে ধানের শীষের টিকিট না পেলেও সরকারের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাকে এলাকায় প্রভাবশালী করার চেষ্টা চলছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মীরা। বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের একাংশ এই ‘পরিবারতন্ত্র’ ও ‘স্বজনপ্রীতি’র চর্চায় উষ্মা প্রকাশ করেছেন।

এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কিংবা আব্দুর রহমান সানির পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নতুন সরকারের শুরুতে এ ধরনের অভিযোগ প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে সংকটে ফেলতে পারে।

দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক মাসের মাথায় বিতর্কের মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নবনিযুক্ত সহকারী একান্ত সচিব-২ (এপিএস-২) আব্দুর রহমান সানি। নিজের পদের প্রভাব খাটিয়ে আপন ভাইয়ের পারিবারিক কোম্পানিকে একটি বিশাল রপ্তানি অঞ্চল (ইপিজেড) স্থাপনের কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

গত ২৯ মার্চ (রবিবার) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নে একটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) স্থাপনের প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে ‘ভূঁঞা গ্লোবাল ফাউন্ডেশন’।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই ভূঁঞা গ্লোবাল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হলেন বিএনপি নেতা কবির আহমেদ ভূঁইয়া। তিনি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-২ আব্দুর রহমান সানির বড় ভাই। কবির আহমেদ ভূঁইয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। অর্থাৎ, প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তার পারিবারিক প্রতিষ্ঠানকেই এই লাভজনক ও কৌশলগত প্রকল্পের কাজ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আব্দুর রহমান সানিকে প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-২ হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী তাকে অন্য সব ব্যবসা বা পেশা ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নিয়োগ পাওয়ার মাত্র ৪০ দিনের মাথায় তার পরিবারের কোম্পানির প্রস্তাব গৃহীত হওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে—এটি কি স্রেফ ব্যবসায়িক প্রস্তাবের যোগ্যতা, নাকি ক্ষমতার অপব্যবহার? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর যেখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার কথা বলা হচ্ছে, সেখানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তার পরিবারের কোম্পানিকে এত দ্রুত বড় প্রকল্পের কাজ দেওয়া নৈতিকতার পরিপন্থী।

কবির আহমেদ ভূঁইয়া কসবা-আখাউড়া আসনে ধানের শীষের টিকিট না পেলেও সরকারের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাকে এলাকায় প্রভাবশালী করার চেষ্টা চলছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মীরা। বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের একাংশ এই ‘পরিবারতন্ত্র’ ও ‘স্বজনপ্রীতি’র চর্চায় উষ্মা প্রকাশ করেছেন।

এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কিংবা আব্দুর রহমান সানির পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নতুন সরকারের শুরুতে এ ধরনের অভিযোগ প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে সংকটে ফেলতে পারে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ