বিএনপি সরকারের অযোগ্যতা-অব্যবস্থাপনা প্রকট হচ্চে মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ ‘হাম’

রাজশাহী অঞ্চলে ‘হাম’ ছড়িয়ে পড়ছে—কিন্তু পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার বদলে যেন অব্যবস্থাপনার এক বিপজ্জনক চক্রেই আটকে আছে চিকিৎসা ব্যবস্থা ও প্রশাসন। মারাত্মক সংক্রামক এই রোগের আক্রান্ত শিশুদের আলাদা করে চিকিৎসা দেওয়ার মৌলিক প্রোটোকল উপেক্ষা করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের লক্ষণ থাকা শিশুদের রাখা হচ্ছে অন্যান্য অসুস্থ শিশুদের সঙ্গেই—যা সরাসরি নতুন সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি করছে। অন্য উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়ে হামের লক্ষণ নিয়ে মারা যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইতোমধ্যে নমুনা পরীক্ষা করে একাধিক শিশুর হামে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারপরও বাস্তবে নেই কোনো কার্যকর আইসোলেশন ব্যবস্থা। সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে পাঠানোর কথা থাকলেও রোগীদের সেখানে নেওয়া হচ্ছে না। ফলে হাসপাতালই পরিণত হচ্ছে সংক্রমণ ছড়ানোর কেন্দ্রে।

পরিস্থিতির ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট হয় মৃত্যুর ঘটনায়। আইসিইউ সংকট, অব্যবস্থাপনা ও বিলম্বিত চিকিৎসার কারণে একের পর এক শিশু মারা যাচ্ছে। গুরুতর অসুস্থ শিশুদের জন্য আইসিইউতে নেওয়ার দীর্ঘ ‘সিরিয়াল’, সীমিত শয্যা—সব মিলিয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার ভেঙে পড়া চিত্র স্পষ্ট। এমনকি যেসব শিশুদের অবস্থা সংকটাপন্ন, তাদেরও সাধারণ ওয়ার্ডেই রাখা হচ্ছে, যেখানে সংক্রমণের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে।

চিকিৎসা কর্তৃপক্ষ দায় এড়াতে নানা অজুহাত দিচ্ছে—কোথাও অক্সিজেন সরবরাহের সীমাবদ্ধতা, কোথাও অতিরিক্ত রোগীর চাপ। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়: সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাবের সময় ন্যূনতম প্রস্তুতি কেন ছিল না? কেন আইসোলেশন ব্যবস্থা কার্যকর করা গেল না?

এই সংকট শুধু হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—এটি বৃহত্তর প্রশাসনিক ব্যর্থতার প্রতিফলন। রাজশাহী অঞ্চলে হামের বিস্তার বাড়লেও বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে নেই কোনো দৃশ্যমান জরুরি উদ্যোগ, নেই জনসচেতনতা কার্যক্রম, নেই কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। মাঠপর্যায়ে নজরদারি দুর্বল, আর কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বয়ের অভাব স্পষ্ট।

সরকারের অযোগ্যতার কারণে একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ ধীরে ধীরে জনস্বাস্থ্য সংকটে রূপ নিচ্ছে। শিশুদের জীবন ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়ে প্রশাসন ও স্বাস্থ্যখাতের এই নিষ্ক্রিয়তা শুধু অযোগ্যতাই নয়, বরং এক ধরনের দায়িত্বহীনতার পরিচয়।

রাজশাহী অঞ্চলে ‘হাম’ ছড়িয়ে পড়ছে—কিন্তু পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার বদলে যেন অব্যবস্থাপনার এক বিপজ্জনক চক্রেই আটকে আছে চিকিৎসা ব্যবস্থা ও প্রশাসন। মারাত্মক সংক্রামক এই রোগের আক্রান্ত শিশুদের আলাদা করে চিকিৎসা দেওয়ার মৌলিক প্রোটোকল উপেক্ষা করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের লক্ষণ থাকা শিশুদের রাখা হচ্ছে অন্যান্য অসুস্থ শিশুদের সঙ্গেই—যা সরাসরি নতুন সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি করছে। অন্য উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়ে হামের লক্ষণ নিয়ে মারা যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইতোমধ্যে নমুনা পরীক্ষা করে একাধিক শিশুর হামে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারপরও বাস্তবে নেই কোনো কার্যকর আইসোলেশন ব্যবস্থা। সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে পাঠানোর কথা থাকলেও রোগীদের সেখানে নেওয়া হচ্ছে না। ফলে হাসপাতালই পরিণত হচ্ছে সংক্রমণ ছড়ানোর কেন্দ্রে।

পরিস্থিতির ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট হয় মৃত্যুর ঘটনায়। আইসিইউ সংকট, অব্যবস্থাপনা ও বিলম্বিত চিকিৎসার কারণে একের পর এক শিশু মারা যাচ্ছে। গুরুতর অসুস্থ শিশুদের জন্য আইসিইউতে নেওয়ার দীর্ঘ ‘সিরিয়াল’, সীমিত শয্যা—সব মিলিয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার ভেঙে পড়া চিত্র স্পষ্ট। এমনকি যেসব শিশুদের অবস্থা সংকটাপন্ন, তাদেরও সাধারণ ওয়ার্ডেই রাখা হচ্ছে, যেখানে সংক্রমণের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে।

চিকিৎসা কর্তৃপক্ষ দায় এড়াতে নানা অজুহাত দিচ্ছে—কোথাও অক্সিজেন সরবরাহের সীমাবদ্ধতা, কোথাও অতিরিক্ত রোগীর চাপ। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়: সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাবের সময় ন্যূনতম প্রস্তুতি কেন ছিল না? কেন আইসোলেশন ব্যবস্থা কার্যকর করা গেল না?

এই সংকট শুধু হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—এটি বৃহত্তর প্রশাসনিক ব্যর্থতার প্রতিফলন। রাজশাহী অঞ্চলে হামের বিস্তার বাড়লেও বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে নেই কোনো দৃশ্যমান জরুরি উদ্যোগ, নেই জনসচেতনতা কার্যক্রম, নেই কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। মাঠপর্যায়ে নজরদারি দুর্বল, আর কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বয়ের অভাব স্পষ্ট।

সরকারের অযোগ্যতার কারণে একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ ধীরে ধীরে জনস্বাস্থ্য সংকটে রূপ নিচ্ছে। শিশুদের জীবন ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়ে প্রশাসন ও স্বাস্থ্যখাতের এই নিষ্ক্রিয়তা শুধু অযোগ্যতাই নয়, বরং এক ধরনের দায়িত্বহীনতার পরিচয়।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ