প্লাস্টিকের পটেই চলছে রাষ্ট্র: কোটি টাকার হাসপাতাল, মাস্ক কিনবে কে?

প্লাস্টিকের পট, আর একটুকরো গামছা। এটাই এখন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুদের অক্সিজেন মাস্ক। রাষ্ট্র যখন শিশুর মুখে প্লাস্টিকের বোতল চাপিয়ে দেয়, তখন আর বলার কিছু থাকে না আসলে। তবু বলতে হয়।

দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে হামের প্রকোপ বাড়ছে। বরিশাল মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডের হাম আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হচ্ছে একের পর এক অসুস্থ শিশু। আর সেই শিশুদের মাথায় চাপানো হচ্ছে গৃহস্থালির প্লাস্টিকের পট, ওপরে ছিদ্র করে ঢোকানো হচ্ছে অক্সিজেনের নল। সামনের দিকটা ঢাকা হচ্ছে কাপড় দিয়ে। এই হলো আমাদের রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যসেবার বাস্তবতা।

হাসপাতালের পরিচালক নিজেই স্বীকার করেছেন, এ পদ্ধতি নিরাপদ নয়। দুর্ঘটনার আশঙ্কা আছে। কিন্তু তার আগে প্রশ্নটা হলো, এই পরিস্থিতি কীভাবে তৈরি হলো? হেডমাস্ক কোনো বিলাসদ্রব্য নয়। এটা একটা হাসপাতালের সবচেয়ে প্রাথমিক সরঞ্জামের একটা। সেটা ফুরিয়ে গেল, আর কেউ জানলই না?

এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে ফেব্রুয়ারির সেই কুখ্যাত নির্বাচনের মাধ্যমে। প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো সেই নির্বাচনে ছিল না, সাধারণ মানুষ ভোট দিতে যায়নি, আর যা হয়েছে সেটাকে নির্বাচন বলা কেবল ভাষার অপব্যবহার। সেই প্রক্রিয়ায় ক্ষমতায় বসা বিএনপি সরকারের কাছে এখন দেশের মানুষের চিকিৎসা, শিশুর অক্সিজেন নিশ্চিত করার কথা ছিল। তারা সেটা করেনি।

বিএনপির ইতিহাস এ দেশের মানুষের মনে আছে। ২০০১ থেকে ২০০৬, সেই পাঁচ বছরের কথা ভুলে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। হাওয়া ভবন, দলীয় সন্ত্রাস, দুর্নীতির রাজত্ব, সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার, চারদলীয় জোটের নামে যা চলেছিল, সেটা এ দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটা কালো অধ্যায়। সেই দলটাই আবার ক্ষমতায়, এবার আরও একটু বেশি নির্লজ্জভাবে।

যে সরকারের মন্ত্রীরা বড় বড় কথা বলেন, উন্নয়নের গল্প শোনান, তারা হিসাব দিক, একটা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে কয়েকশো টাকার হেডমাস্কের ব্যবস্থা করতে কেন মাসের পর মাস লেগে যায়। কোটি টাকার যন্ত্রপাতি আছে, কিন্তু শিশুর মুখে দেওয়ার মাস্ক নেই। এই বৈপরীত্যটা কি এমনি এমনি তৈরি হয়? এটা অব্যবস্থাপনা নয় শুধু, এটা রাষ্ট্রের একটা স্তরের মানুষের প্রতি সুচিন্তিত উদাসীনতা।

এক বিছানায় তিন-চারজন শিশু। হাম ছড়াচ্ছে। অক্সিজেন মাস্কের জায়গায় প্লাস্টিকের পট। আর হাসপাতাল পরিচালক বলছেন দশ-বারো দিনের মধ্যে ব্যবস্থা হবে। সেই দশ-বারো দিনে যদি কোনো শিশুর গলায় প্লাস্টিকের ধারালো অংশ লেগে কিছু হয়, তাহলে দায় কার?

এই দশ-বারো দিন কি শিশুগুলো অপেক্ষা করবে?

প্লাস্টিকের পট, আর একটুকরো গামছা। এটাই এখন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুদের অক্সিজেন মাস্ক। রাষ্ট্র যখন শিশুর মুখে প্লাস্টিকের বোতল চাপিয়ে দেয়, তখন আর বলার কিছু থাকে না আসলে। তবু বলতে হয়।

দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে হামের প্রকোপ বাড়ছে। বরিশাল মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডের হাম আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হচ্ছে একের পর এক অসুস্থ শিশু। আর সেই শিশুদের মাথায় চাপানো হচ্ছে গৃহস্থালির প্লাস্টিকের পট, ওপরে ছিদ্র করে ঢোকানো হচ্ছে অক্সিজেনের নল। সামনের দিকটা ঢাকা হচ্ছে কাপড় দিয়ে। এই হলো আমাদের রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যসেবার বাস্তবতা।

হাসপাতালের পরিচালক নিজেই স্বীকার করেছেন, এ পদ্ধতি নিরাপদ নয়। দুর্ঘটনার আশঙ্কা আছে। কিন্তু তার আগে প্রশ্নটা হলো, এই পরিস্থিতি কীভাবে তৈরি হলো? হেডমাস্ক কোনো বিলাসদ্রব্য নয়। এটা একটা হাসপাতালের সবচেয়ে প্রাথমিক সরঞ্জামের একটা। সেটা ফুরিয়ে গেল, আর কেউ জানলই না?

এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে ফেব্রুয়ারির সেই কুখ্যাত নির্বাচনের মাধ্যমে। প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো সেই নির্বাচনে ছিল না, সাধারণ মানুষ ভোট দিতে যায়নি, আর যা হয়েছে সেটাকে নির্বাচন বলা কেবল ভাষার অপব্যবহার। সেই প্রক্রিয়ায় ক্ষমতায় বসা বিএনপি সরকারের কাছে এখন দেশের মানুষের চিকিৎসা, শিশুর অক্সিজেন নিশ্চিত করার কথা ছিল। তারা সেটা করেনি।

বিএনপির ইতিহাস এ দেশের মানুষের মনে আছে। ২০০১ থেকে ২০০৬, সেই পাঁচ বছরের কথা ভুলে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। হাওয়া ভবন, দলীয় সন্ত্রাস, দুর্নীতির রাজত্ব, সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার, চারদলীয় জোটের নামে যা চলেছিল, সেটা এ দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটা কালো অধ্যায়। সেই দলটাই আবার ক্ষমতায়, এবার আরও একটু বেশি নির্লজ্জভাবে।

যে সরকারের মন্ত্রীরা বড় বড় কথা বলেন, উন্নয়নের গল্প শোনান, তারা হিসাব দিক, একটা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে কয়েকশো টাকার হেডমাস্কের ব্যবস্থা করতে কেন মাসের পর মাস লেগে যায়। কোটি টাকার যন্ত্রপাতি আছে, কিন্তু শিশুর মুখে দেওয়ার মাস্ক নেই। এই বৈপরীত্যটা কি এমনি এমনি তৈরি হয়? এটা অব্যবস্থাপনা নয় শুধু, এটা রাষ্ট্রের একটা স্তরের মানুষের প্রতি সুচিন্তিত উদাসীনতা।

এক বিছানায় তিন-চারজন শিশু। হাম ছড়াচ্ছে। অক্সিজেন মাস্কের জায়গায় প্লাস্টিকের পট। আর হাসপাতাল পরিচালক বলছেন দশ-বারো দিনের মধ্যে ব্যবস্থা হবে। সেই দশ-বারো দিনে যদি কোনো শিশুর গলায় প্লাস্টিকের ধারালো অংশ লেগে কিছু হয়, তাহলে দায় কার?

এই দশ-বারো দিন কি শিশুগুলো অপেক্ষা করবে?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ