‘পলিথিন উপদেষ্টা’ রিজওয়ানার শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি, অর্থ আদায় করতেন স্বামী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও তার স্বামী এবি সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড় গড়ার অভিযোগ উঠেছে। পরিবেশ রক্ষার সাইনবোর্ড ব্যবহার করে গত ১৮ মাসে এই দম্পতি অন্তত শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। মেধা নয়, বরং চটপটে কথা আর বাহ্যিক অবয়বকে পুঁজি করে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হওয়া এই উপদেষ্টার নেপথ্যে রয়েছে অনিয়ম ও লুণ্ঠনের দীর্ঘ ইতিহাস।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, রিজওয়ানা হাসানের বাবা সৈয়দ মহিবুল হাসান একাত্তরের কুখ্যাত রাজাকার এবং তৎকালীন সরকারের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। একাত্তরে নিজ এলাকায় হত্যা, লুণ্ঠন ও ধর্ষণের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলাও হয়েছিল। বাবার সেই কলঙ্কিত ইতিহাস আড়াল করেই রিজওয়ানা ঢাকা ও টিভি টকশোতে নীতি-নৈতিকতার বুলি আউড়ে যাচ্ছেন।

অভিযোগ রয়েছে, রিজওয়ানা উপদেষ্টা হওয়ার পর তার স্বামী এবি সিদ্দিকী একটি সমান্তরাল প্রশাসন গড়ে তুলেছিলেন। বিশেষ করে পরিবেশ অধিদপ্তরের যেকোনো ছাড়পত্রের জন্য এবি সিদ্দিকীর সাথে ‘দরদাম’ করা বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সরকারি দপ্তরে অঘোষিত নির্দেশনা ছিল—কাজ পেতে হলে আগে উপদেষ্টার স্বামীর সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে।

সিলেটের ভোলাগঞ্জের বিখ্যাত ‘সাদা পাথর’ পর্যটন কেন্দ্রে পাথর লুটের মহোৎসবে উপদেষ্টার রহস্যজনক নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তৎকালীন জেলা প্রশাসক সেনা মোতায়েনের অনুরোধ জানালেও মন্ত্রণালয় কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। অন্যদিকে, বন অধিদপ্তরের ‘বন সংরক্ষক’ বা প্রধান বন সংরক্ষক পদে পদায়নের ক্ষেত্রে ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলে বন কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। এই নিয়োগ বাণিজ্যের পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করতেন এবি সিদ্দিকী।

পরিবেশ অধিদপ্তরের নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত দেড় বছরে অন্তত ৩০০ কোটি টাকার কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে কোনো রকম টেন্ডার ছাড়াই। এর বড় অংশ পেয়েছেন উপদেষ্টার ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা। বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের নামে কোনো কাজ না করেই অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে, যেখানে রিজওয়ানা নিজে সরাসরি টেলিফোন করে বিল পরিশোধের চাপ দিয়েছেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

সর্বশেষ রাজধানীর গুলশান নিকেতনে প্রায় সাড়ে ২৫ কাঠা (৪২.২৭ শতাংশ) জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে রিজওয়ানা হাসান ও রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। জমির প্রকৃত মালিক আব্দুর রহমান সোহেলের সমস্ত বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও ‘লেডিস ক্লাব ও পার্ক’ করার নামে রাতারাতি বুলডোজার দিয়ে স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, পার্কের আড়ালে সেখানে বাণিজ্যিক দোকান তৈরি করে উপদেষ্টার ঘনিষ্ঠদের বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে।

পরিবেশ রক্ষার অজুহাতে সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত নিষিদ্ধ করার বিষয়টিকে গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগ আছে, বিদেশি কোনো বিশেষ শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে দ্বীপটির সার্বভৌমত্ব ও সাধারণ মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে ফেলেছেন তিনি।

বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাবসহ বিভিন্ন সংকট দেখা দিলেও অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের মূল মনযোগ ছিল লুটপাটের দিকে তার একটি বড় উদাহরণ রিজওয়ানা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অবিলম্বে এই উপদেষ্টাদের গ্রেপ্তার করে শাস্তি না দিলে এটি একটি দেশের ইতিহাসের বাজে উদাহরণ হয়ে থাকবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও তার স্বামী এবি সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড় গড়ার অভিযোগ উঠেছে। পরিবেশ রক্ষার সাইনবোর্ড ব্যবহার করে গত ১৮ মাসে এই দম্পতি অন্তত শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। মেধা নয়, বরং চটপটে কথা আর বাহ্যিক অবয়বকে পুঁজি করে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হওয়া এই উপদেষ্টার নেপথ্যে রয়েছে অনিয়ম ও লুণ্ঠনের দীর্ঘ ইতিহাস।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, রিজওয়ানা হাসানের বাবা সৈয়দ মহিবুল হাসান একাত্তরের কুখ্যাত রাজাকার এবং তৎকালীন সরকারের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। একাত্তরে নিজ এলাকায় হত্যা, লুণ্ঠন ও ধর্ষণের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলাও হয়েছিল। বাবার সেই কলঙ্কিত ইতিহাস আড়াল করেই রিজওয়ানা ঢাকা ও টিভি টকশোতে নীতি-নৈতিকতার বুলি আউড়ে যাচ্ছেন।

অভিযোগ রয়েছে, রিজওয়ানা উপদেষ্টা হওয়ার পর তার স্বামী এবি সিদ্দিকী একটি সমান্তরাল প্রশাসন গড়ে তুলেছিলেন। বিশেষ করে পরিবেশ অধিদপ্তরের যেকোনো ছাড়পত্রের জন্য এবি সিদ্দিকীর সাথে ‘দরদাম’ করা বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সরকারি দপ্তরে অঘোষিত নির্দেশনা ছিল—কাজ পেতে হলে আগে উপদেষ্টার স্বামীর সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে।

সিলেটের ভোলাগঞ্জের বিখ্যাত ‘সাদা পাথর’ পর্যটন কেন্দ্রে পাথর লুটের মহোৎসবে উপদেষ্টার রহস্যজনক নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তৎকালীন জেলা প্রশাসক সেনা মোতায়েনের অনুরোধ জানালেও মন্ত্রণালয় কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। অন্যদিকে, বন অধিদপ্তরের ‘বন সংরক্ষক’ বা প্রধান বন সংরক্ষক পদে পদায়নের ক্ষেত্রে ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলে বন কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। এই নিয়োগ বাণিজ্যের পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করতেন এবি সিদ্দিকী।

পরিবেশ অধিদপ্তরের নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত দেড় বছরে অন্তত ৩০০ কোটি টাকার কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে কোনো রকম টেন্ডার ছাড়াই। এর বড় অংশ পেয়েছেন উপদেষ্টার ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা। বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের নামে কোনো কাজ না করেই অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে, যেখানে রিজওয়ানা নিজে সরাসরি টেলিফোন করে বিল পরিশোধের চাপ দিয়েছেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

সর্বশেষ রাজধানীর গুলশান নিকেতনে প্রায় সাড়ে ২৫ কাঠা (৪২.২৭ শতাংশ) জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে রিজওয়ানা হাসান ও রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। জমির প্রকৃত মালিক আব্দুর রহমান সোহেলের সমস্ত বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও ‘লেডিস ক্লাব ও পার্ক’ করার নামে রাতারাতি বুলডোজার দিয়ে স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, পার্কের আড়ালে সেখানে বাণিজ্যিক দোকান তৈরি করে উপদেষ্টার ঘনিষ্ঠদের বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে।

পরিবেশ রক্ষার অজুহাতে সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত নিষিদ্ধ করার বিষয়টিকে গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগ আছে, বিদেশি কোনো বিশেষ শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে দ্বীপটির সার্বভৌমত্ব ও সাধারণ মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে ফেলেছেন তিনি।

বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাবসহ বিভিন্ন সংকট দেখা দিলেও অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের মূল মনযোগ ছিল লুটপাটের দিকে তার একটি বড় উদাহরণ রিজওয়ানা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অবিলম্বে এই উপদেষ্টাদের গ্রেপ্তার করে শাস্তি না দিলে এটি একটি দেশের ইতিহাসের বাজে উদাহরণ হয়ে থাকবে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ