মার্কিন চুক্তির বলিকাঁঠে দেশীয় ওষুধশিল্প, একের পর এক কারখানায় আগুন!

১৪ অক্টোবরের আগুন কীভাবে লাগল, তা এখনো কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেনি। কিন্তু মার্কিন বাণিজ্যচুক্তির যে ধারা নিয়ে কেউ মুখ খুলছে না, তার ভেতরে কী আছে সেটাতে চোখ বুলালেই বোঝা যায় দেশীয় ওষুধশিল্পের কারখানায় আগুন কেনো লাগছে! সেই চুক্তিতে লেখা আছে, কেবলমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ অনুমোদন পেলেই সেই ওষুধ বাংলাদেশে বিক্রির ছাড়পত্র মিলবে। মার্কিন কারখানার পরিদর্শনের ফলও আমাদের কর্তৃপক্ষকে মেনে নিতে হবে, নতুন করে দেখার সুযোগ ছাড়াই। যে ওষুধ আমরা নিজেরা যাচাই করব না, তার জন্য বাজারের দরজা হাট করে খোলা।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকেই বিশেষজ্ঞরা বলে যাচ্ছেন, এটা মোটেও কোনো বাণিজ্য নয়, এটা আত্মসমর্পণ। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ইউনুস প্রশাসন যে পথ দেখিয়ে গেছে, ক্ষমতায় বসে বিএনপি সরকার সেই চুক্তির শর্ত জনসমক্ষে আনার সাহসটুকুও দেখাচ্ছে না। একজন ফাঁদ পাতল, আরেকজন তাতে পা দিয়ে চুপ করে বসে আছে। বছরের পর বছর টাকা ঢেলে, মানুষকে কাজ দিয়ে যে দেশীয় কোম্পানিগুলো দেশের ওষুধের চাহিদা মেটাল, তাদেরই এখন অসম লড়াইয়ে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

মার্কিন চুক্তির প্রতিটি ধারাই এ দেশের জন্য বিপদ। ওষুধ তো সবে শুরু, এর পরে আসবে রপ্তানির পালা। ডলারের টানে যারা অভ্যন্তরীণ শিল্পের গলায় ছুরি চালাতে পারে, তারা রপ্তানিযোগ্য খাতগুলোকেও শেষ করবে এরপর। সবেমাত্র তার আলামতই দেখা যাচ্ছে।

১৪ অক্টোবরের আগুন কীভাবে লাগল, তা এখনো কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেনি। কিন্তু মার্কিন বাণিজ্যচুক্তির যে ধারা নিয়ে কেউ মুখ খুলছে না, তার ভেতরে কী আছে সেটাতে চোখ বুলালেই বোঝা যায় দেশীয় ওষুধশিল্পের কারখানায় আগুন কেনো লাগছে! সেই চুক্তিতে লেখা আছে, কেবলমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ অনুমোদন পেলেই সেই ওষুধ বাংলাদেশে বিক্রির ছাড়পত্র মিলবে। মার্কিন কারখানার পরিদর্শনের ফলও আমাদের কর্তৃপক্ষকে মেনে নিতে হবে, নতুন করে দেখার সুযোগ ছাড়াই। যে ওষুধ আমরা নিজেরা যাচাই করব না, তার জন্য বাজারের দরজা হাট করে খোলা।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকেই বিশেষজ্ঞরা বলে যাচ্ছেন, এটা মোটেও কোনো বাণিজ্য নয়, এটা আত্মসমর্পণ। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ইউনুস প্রশাসন যে পথ দেখিয়ে গেছে, ক্ষমতায় বসে বিএনপি সরকার সেই চুক্তির শর্ত জনসমক্ষে আনার সাহসটুকুও দেখাচ্ছে না। একজন ফাঁদ পাতল, আরেকজন তাতে পা দিয়ে চুপ করে বসে আছে। বছরের পর বছর টাকা ঢেলে, মানুষকে কাজ দিয়ে যে দেশীয় কোম্পানিগুলো দেশের ওষুধের চাহিদা মেটাল, তাদেরই এখন অসম লড়াইয়ে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

মার্কিন চুক্তির প্রতিটি ধারাই এ দেশের জন্য বিপদ। ওষুধ তো সবে শুরু, এর পরে আসবে রপ্তানির পালা। ডলারের টানে যারা অভ্যন্তরীণ শিল্পের গলায় ছুরি চালাতে পারে, তারা রপ্তানিযোগ্য খাতগুলোকেও শেষ করবে এরপর। সবেমাত্র তার আলামতই দেখা যাচ্ছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ