ফের প্রশ্নের মুখে তারেকের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’, এবার বিপাকে বিদেশগামী শিক্ষার্থীরা!

বিএনপি সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে বহুল আলোচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বা বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে যখন রাজনৈতিক অঙ্গন মুখর, ঠিক তখনই বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষা ভিসা নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি হাজার হাজার শিক্ষার্থীর স্বপ্নকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও সরকারের নতুন সব পরিকল্পনার ডামাডোলের মাঝে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ‘ভিসা প্রাপ্তির ধস’ এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

অস্ট্রেলিয়ার ডিপার্টমেন্ট অব হোম অ্যাফেয়ার্সের সাম্প্রতিক তথ্যে এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে উচ্চশিক্ষার জন্য করা আবেদনগুলোর মাত্র ৬৭.৬ শতাংশ অনুমোদিত হয়েছে, যা গত ২১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এই ধসের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা।

টাইমস হায়ার এডুকেশনের তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ থেকে করা স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনের ৫১ শতাংশই প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। অর্থাৎ, প্রতি ১০০ জন আবেদনকারীর মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষার্থী অস্ট্রেলিয়ার ভিসা পাননি। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ যেমন—ভারত (৪০%), নেপাল (৬৫%), শ্রীলঙ্কা (৩৮%) এবং ভুটানের (৩৬%) তুলনায় বাংলাদেশের প্রত্যাখ্যানের হার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ এখন যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন কঠোরতা অবলম্বন করছে। একজন শিক্ষার্থী সত্যিই পড়াশোনার জন্য আসছেন কি না, নাকি এটি কেবল অভিবাসনের একটি মাধ্যম—সেটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। সরকারের নীতিগত পরিবর্তনের প্রভাবে ভিসা প্রক্রিয়ায় এই কড়াকড়ি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মজার বিষয় হলো, একদিকে ভিসা পাওয়ার হার কমছে, অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে আবেদনের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ৫১ শতাংশ বেড়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের অর্থনৈতিক সংকটের বাস্তবতায় শিক্ষার্থীদের বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। নেপালে এই হার ৯১ শতাংশ এবং ভারতে ৩৬ শতাংশ। আবেদনের এই বিপুল আধিক্য এবং সেই অনুপাতে প্রত্যাখ্যানের উচ্চ হার অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছে বাংলাদেশের ‘রিস্ক প্রোফাইল’ বা ঝুঁকির মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে ভবিষ্যতে ভিসা পাওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়া এই গণ-প্রত্যাখ্যান নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা মনে করছে, এভাবে ভিসা বাতিল হতে থাকলে অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক শিক্ষা খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তারেকের কথিত ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-এর বিদেশে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এই ইমেজ সংকট কাটানোর কোনো কার্যকর উদ্যোগ এখনো দৃশ্যমান নয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জুলাই দাঙ্গার পর আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের যে ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে তার জন্য শিক্ষার্থীদের এই ভোগান্তি আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।

বিএনপি সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে বহুল আলোচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বা বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে যখন রাজনৈতিক অঙ্গন মুখর, ঠিক তখনই বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষা ভিসা নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি হাজার হাজার শিক্ষার্থীর স্বপ্নকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও সরকারের নতুন সব পরিকল্পনার ডামাডোলের মাঝে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ‘ভিসা প্রাপ্তির ধস’ এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

অস্ট্রেলিয়ার ডিপার্টমেন্ট অব হোম অ্যাফেয়ার্সের সাম্প্রতিক তথ্যে এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে উচ্চশিক্ষার জন্য করা আবেদনগুলোর মাত্র ৬৭.৬ শতাংশ অনুমোদিত হয়েছে, যা গত ২১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এই ধসের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা।

টাইমস হায়ার এডুকেশনের তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ থেকে করা স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনের ৫১ শতাংশই প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। অর্থাৎ, প্রতি ১০০ জন আবেদনকারীর মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষার্থী অস্ট্রেলিয়ার ভিসা পাননি। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ যেমন—ভারত (৪০%), নেপাল (৬৫%), শ্রীলঙ্কা (৩৮%) এবং ভুটানের (৩৬%) তুলনায় বাংলাদেশের প্রত্যাখ্যানের হার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ এখন যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন কঠোরতা অবলম্বন করছে। একজন শিক্ষার্থী সত্যিই পড়াশোনার জন্য আসছেন কি না, নাকি এটি কেবল অভিবাসনের একটি মাধ্যম—সেটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। সরকারের নীতিগত পরিবর্তনের প্রভাবে ভিসা প্রক্রিয়ায় এই কড়াকড়ি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মজার বিষয় হলো, একদিকে ভিসা পাওয়ার হার কমছে, অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে আবেদনের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ৫১ শতাংশ বেড়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের অর্থনৈতিক সংকটের বাস্তবতায় শিক্ষার্থীদের বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। নেপালে এই হার ৯১ শতাংশ এবং ভারতে ৩৬ শতাংশ। আবেদনের এই বিপুল আধিক্য এবং সেই অনুপাতে প্রত্যাখ্যানের উচ্চ হার অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছে বাংলাদেশের ‘রিস্ক প্রোফাইল’ বা ঝুঁকির মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে ভবিষ্যতে ভিসা পাওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়া এই গণ-প্রত্যাখ্যান নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা মনে করছে, এভাবে ভিসা বাতিল হতে থাকলে অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক শিক্ষা খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তারেকের কথিত ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-এর বিদেশে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এই ইমেজ সংকট কাটানোর কোনো কার্যকর উদ্যোগ এখনো দৃশ্যমান নয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জুলাই দাঙ্গার পর আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের যে ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে তার জন্য শিক্ষার্থীদের এই ভোগান্তি আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ