সংস্কারের নামে ধোঁকা, নাটাই নিজেদের হাতেই রাখল বিএনপি

রাষ্ট্র সংস্কারের গালভরা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও শেষ পর্যন্ত বিচার বিভাগের ‘নাটাই’ নিজেদের হাতেই রেখে দিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার। ক্ষমতায় বসার পর সংস্কারের অঙ্গীকার পূরণের বদলে উল্টো পথে হাঁটা শুরু করেছে দলটি। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশসহ তিনটি অধ্যাদেশ রহিতকরণ বিল পাসের ফলে আগের নিয়মেই ফিরছে বিচারক নিয়োগ ও বিচার বিভাগের কার্যক্রম।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল একটি আইনি পরিবর্তন নয়, বরং জনগণের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা। সংস্কারের দোহাই দিয়ে যে দাঙ্গা সৃষ্টি করা হয়েছিল, তা যে কেবল ক্ষমতা দখলের একটি কৌশল ছিল—তা সরকারের এই সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে আজ দিবালোকের মতো স্পষ্ট। সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন: যদি পুরনো নিয়মেই ফিরতে হয়, তবে সংস্কারের নামে কেন এই ধোঁকা?

সংসদে বিএনপির এই ধোঁকা মেনে নিতে না পেরে প্রশ্ন তুলেছেন রংপুর-৪ আসনের জামায়াত জোটের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। জুলাইয়ের অন্যতম এই দাঙ্গাবাজ বলেন, “কোনো একটা ঘুড়িকে আপনি আকাশে উড়িয়ে দিয়েছেন, সেই ঘুড়ির নাটাই যদি আপনার হাতে থাকে, ঘুড়িকে আপনি যতই উড়ার স্বাধীনতা দেন না কেন, আকাশের মধ্যে সেই ঘুড়ি সেখানেই পাক খাবে, আপনি যখন টান দেবেন, তখন আপনার কাছেই ফিরে আসবে।”

এ থেকে স্পষ্ট যে, বিএনপি এখন নিজের মতো করে পুরো বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করবে। জুলাই মাসের ঘটনাপ্রবাহকে অনেক বিশ্লেষক এখন ভিন্ন নজরে দেখছেন। সমালোচকদের মতে, সংস্কারের দোহাই দিয়ে যে দাঙ্গা করা হয়েছিল তা ছিল মূলত ক্ষমতা দখলের একটি কৌশল। রা

সাধারণ জনগণের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পুরনো নিয়মেই ফিরতে হয় এবং বিচার বিভাগকে দলীয় কবজায় রাখা হয়, তবে এত সংস্কারের প্রতিশ্রুতি কেন দেওয়া হয়েছিল? বিশ্লেষকদের মতে, ‘সংস্কার’ এখন কেবল একটি রাজনৈতিক স্লোগানে পরিণত হয়েছে, যার আড়ালে ক্ষমতা সুসংহত করার পুরনো খেলাই চলছে।

রাষ্ট্র সংস্কারের গালভরা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও শেষ পর্যন্ত বিচার বিভাগের ‘নাটাই’ নিজেদের হাতেই রেখে দিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার। ক্ষমতায় বসার পর সংস্কারের অঙ্গীকার পূরণের বদলে উল্টো পথে হাঁটা শুরু করেছে দলটি। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশসহ তিনটি অধ্যাদেশ রহিতকরণ বিল পাসের ফলে আগের নিয়মেই ফিরছে বিচারক নিয়োগ ও বিচার বিভাগের কার্যক্রম।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল একটি আইনি পরিবর্তন নয়, বরং জনগণের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা। সংস্কারের দোহাই দিয়ে যে দাঙ্গা সৃষ্টি করা হয়েছিল, তা যে কেবল ক্ষমতা দখলের একটি কৌশল ছিল—তা সরকারের এই সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে আজ দিবালোকের মতো স্পষ্ট। সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন: যদি পুরনো নিয়মেই ফিরতে হয়, তবে সংস্কারের নামে কেন এই ধোঁকা?

সংসদে বিএনপির এই ধোঁকা মেনে নিতে না পেরে প্রশ্ন তুলেছেন রংপুর-৪ আসনের জামায়াত জোটের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। জুলাইয়ের অন্যতম এই দাঙ্গাবাজ বলেন, “কোনো একটা ঘুড়িকে আপনি আকাশে উড়িয়ে দিয়েছেন, সেই ঘুড়ির নাটাই যদি আপনার হাতে থাকে, ঘুড়িকে আপনি যতই উড়ার স্বাধীনতা দেন না কেন, আকাশের মধ্যে সেই ঘুড়ি সেখানেই পাক খাবে, আপনি যখন টান দেবেন, তখন আপনার কাছেই ফিরে আসবে।”

এ থেকে স্পষ্ট যে, বিএনপি এখন নিজের মতো করে পুরো বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করবে। জুলাই মাসের ঘটনাপ্রবাহকে অনেক বিশ্লেষক এখন ভিন্ন নজরে দেখছেন। সমালোচকদের মতে, সংস্কারের দোহাই দিয়ে যে দাঙ্গা করা হয়েছিল তা ছিল মূলত ক্ষমতা দখলের একটি কৌশল। রা

সাধারণ জনগণের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পুরনো নিয়মেই ফিরতে হয় এবং বিচার বিভাগকে দলীয় কবজায় রাখা হয়, তবে এত সংস্কারের প্রতিশ্রুতি কেন দেওয়া হয়েছিল? বিশ্লেষকদের মতে, ‘সংস্কার’ এখন কেবল একটি রাজনৈতিক স্লোগানে পরিণত হয়েছে, যার আড়ালে ক্ষমতা সুসংহত করার পুরনো খেলাই চলছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ