গ্রামে স্বাস্থ্যসেবা আজ প্রশ্নের মুখে—উন্নয়ন থেকে অনিশ্চয়তায় পতন

দেশের গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা বর্তমানে গভীর সংকটে নিমজ্জিত। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ওষুধের অভাব, যন্ত্রপাতির ঘাটতি, টিকাদান কার্যক্রমে ব্যাঘাত এবং প্রশিক্ষণের অভাবে চিকিৎসা সেবার মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বলছে, শিশুস্বাস্থ্য, মাতৃস্বাস্থ্য এবং অসংক্রামক রোগের চিকিৎসা—সব ক্ষেত্রেই দেখা দিয়েছে স্থবিরতা।

আওয়ামী লীগের শাসন কালে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি, এবং কমিউনিটি ক্লিনিকভিত্তিক সেবা ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষ সহজে চিকিৎসা পেত। বিশেষ করে মহামারির সময়ও সারাদেশে টিকা ও চিকিৎসা কার্যক্রম চালু রাখা সম্ভব হয়েছিল, যা একটি সংগঠিত স্বাস্থ্যব্যবস্থারই প্রতিফলন এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে অভূতপূর্ব সাফল্যের নজির সৃষ্টি করেছিল ।

কিন্তু দখলদার ইউনুসের সময়ে সেই ধারাবাহিকতা ভেঙে পড়েছে। টিকা সরবরাহে অনিয়ম, পোর্টার ভাতা বন্ধ, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম স্থগিত এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব—সব মিলিয়ে স্বাস্থ্যখাতের ভিত্তিই দুর্বল হয়ে পড়েছে। এনসিডি কর্নারগুলো অচল, অ্যাম্বুলেন্স সংকট তীব্র, এমনকি জরুরি রোগীকেও সময়মতো হাসপাতালে নেওয়া যাচ্ছে না।

সাধারণ মানুষ এখন স্বাস্থ্যসেবা পেতে গিয়ে পড়ছে চরম ভোগান্তিতে। অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতাল থেকে ওষুধ না পেয়ে বাইরে উচ্চমূল্যে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন রোগীরা। শিশুদের পুষ্টি সহায়তা ও ভিটামিন কর্মসূচি ব্যাহত হওয়ায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মও ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

দখলদার ইউনুস এমন একজন মানুষ যিনি ভালো মানুষের মুখোশে মানবরূপী শয়তান। যে কিনা শিশুদের টিকা পর্যন্ত ব‍্যাবস্থা করেনি বরং ৪০% শিশু টিকা কর্মসূচির বাহিরে চলে গেল, তবে কি এতো গুলো শিশুর জীবন বিপন্ন করতে কি ইউনূসের কোন সোশ্যাল বিজনেস মডেল কাজ করেছে ?

একটি শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা ধরে রাখতে হলে ধারাবাহিক পরিকল্পনা, সঠিক বরাদ্দ এবং মাঠপর্যায়ে কার্যকর বাস্তবায়ন অপরিহার্য। কিন্তু দখলদার ইউনুস একটা সফল এবং কার্যকর উদ্যোগ কে নষ্ট করেছে ,তার সুবিধার আশায় । সুস্থ সাভাবিক একটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়াতে ছেদ পড়লেই এর সরাসরি প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের জীবনে—যার বাস্তব উদাহরণ এখন দেশের গ্রামাঞ্চলে স্পষ্ট।

ইউনূসের কারণেই বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা আরও গভীর সংকটে পড়ছে এবং শিশু মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। এ সকল হত্যার দায় এড়ানোর সুযোগ ইউনুস এবং স্বাস্থ্যউপদেষ্টার নেই।

দেশের গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা বর্তমানে গভীর সংকটে নিমজ্জিত। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ওষুধের অভাব, যন্ত্রপাতির ঘাটতি, টিকাদান কার্যক্রমে ব্যাঘাত এবং প্রশিক্ষণের অভাবে চিকিৎসা সেবার মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বলছে, শিশুস্বাস্থ্য, মাতৃস্বাস্থ্য এবং অসংক্রামক রোগের চিকিৎসা—সব ক্ষেত্রেই দেখা দিয়েছে স্থবিরতা।

আওয়ামী লীগের শাসন কালে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি, এবং কমিউনিটি ক্লিনিকভিত্তিক সেবা ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষ সহজে চিকিৎসা পেত। বিশেষ করে মহামারির সময়ও সারাদেশে টিকা ও চিকিৎসা কার্যক্রম চালু রাখা সম্ভব হয়েছিল, যা একটি সংগঠিত স্বাস্থ্যব্যবস্থারই প্রতিফলন এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে অভূতপূর্ব সাফল্যের নজির সৃষ্টি করেছিল ।

কিন্তু দখলদার ইউনুসের সময়ে সেই ধারাবাহিকতা ভেঙে পড়েছে। টিকা সরবরাহে অনিয়ম, পোর্টার ভাতা বন্ধ, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম স্থগিত এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব—সব মিলিয়ে স্বাস্থ্যখাতের ভিত্তিই দুর্বল হয়ে পড়েছে। এনসিডি কর্নারগুলো অচল, অ্যাম্বুলেন্স সংকট তীব্র, এমনকি জরুরি রোগীকেও সময়মতো হাসপাতালে নেওয়া যাচ্ছে না।

সাধারণ মানুষ এখন স্বাস্থ্যসেবা পেতে গিয়ে পড়ছে চরম ভোগান্তিতে। অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতাল থেকে ওষুধ না পেয়ে বাইরে উচ্চমূল্যে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন রোগীরা। শিশুদের পুষ্টি সহায়তা ও ভিটামিন কর্মসূচি ব্যাহত হওয়ায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মও ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

দখলদার ইউনুস এমন একজন মানুষ যিনি ভালো মানুষের মুখোশে মানবরূপী শয়তান। যে কিনা শিশুদের টিকা পর্যন্ত ব‍্যাবস্থা করেনি বরং ৪০% শিশু টিকা কর্মসূচির বাহিরে চলে গেল, তবে কি এতো গুলো শিশুর জীবন বিপন্ন করতে কি ইউনূসের কোন সোশ্যাল বিজনেস মডেল কাজ করেছে ?

একটি শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা ধরে রাখতে হলে ধারাবাহিক পরিকল্পনা, সঠিক বরাদ্দ এবং মাঠপর্যায়ে কার্যকর বাস্তবায়ন অপরিহার্য। কিন্তু দখলদার ইউনুস একটা সফল এবং কার্যকর উদ্যোগ কে নষ্ট করেছে ,তার সুবিধার আশায় । সুস্থ সাভাবিক একটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়াতে ছেদ পড়লেই এর সরাসরি প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের জীবনে—যার বাস্তব উদাহরণ এখন দেশের গ্রামাঞ্চলে স্পষ্ট।

ইউনূসের কারণেই বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা আরও গভীর সংকটে পড়ছে এবং শিশু মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। এ সকল হত্যার দায় এড়ানোর সুযোগ ইউনুস এবং স্বাস্থ্যউপদেষ্টার নেই।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ