ক্ষমতার লোভে ফ্যাসিস্ট ইউনূসের হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকিতে জামায়াত-বিএনপির অন্ধ সমর্থন!

ক্ষমতার নির্লজ্জ অপব্যবহার জাতিকে সুদখোর-ফ্যাসিস্ট ইউনূস দেখিয়ে গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ইউনূসের নেয়া সুবিধাদির মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত গ্রামীণ কল্যাণ ট্রাস্টের ৬৬৬ কোটি টাকার কর মওকুফ; এনবিআর থেকে আদেশ বা এসআরও জারি করিয়ে ইউনূস এই কর অব্যাহতি নেয়। এই কর কিভাবে ধার্য হয়েছিলো তা জানেন কি?

গ্রামীণ কল্যাণ ট্রাস্টের তহবিল থেকে গ্রামীণ টেলিকমকে ঋণ দেওয়া হয়, এই ঋণের বিপরীতেই গ্রামীণ কল্যাণ বড় অঙ্কের সুদ পেতো। কিন্তু সেই সুদের টাকাকে লভ্যাংশ হিসেবে দাবি করে জোচ্চোর ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাংক। এবং এই জোচ্চরি করেই নির্ধারিত করের অর্ধেক পরিমাণ কর রিটার্ণ করে প্রতিষ্ঠানটি। সেকারণেই গ্রামীণ কল্যাণের ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ পর্যন্ত পাঁচ করবর্ষের ৬৬৬ কোটি টাকা কর নির্ধারণের আদেশ জারি করা হয়। ইউনূস গ্রামীণ কল্যাণ ট্রাস্ট দিয়ে আরও চুরি করেছে, এনবিআরের অনুসন্ধানে এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ২০১১-১২ করবর্ষ থেকে এক হাজার ৪৩ কোটি টাকার কর ফাঁকি উদঘাটন করা হয়েছে, হাইকোর্টে এখনও মামলা চলমান।

দেশে বড় ধরণের রাজস্ব ঘাটতি চলমান, এর মধ্যেই নানা সুবিধা নিয়েছে মহাজন ইউনূস। ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা একটি গেজেটে পাঁচ বছরের জন্য গ্রামীণ ব্যাংককে আয়কর অব্যাহতির সুবিধা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই প্রতিষ্ঠানটি আয়কর দেবে না। কিন্তু এতে পাঁচ বছরে সরকার রাজস্ব হারাবে অন্তত এক হাজার কোটি টাকা। কালের কন্ঠের একটি প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিশদ পর্যালোচনা করা হয়েছে।

মহাজন এত সুবিধাদি নিয়েও চুরি থামায়নি। জিডিএল, জিটিই ও বেনকো—এই তিন নামে মোবাইল ফোনসেট উৎপাদন করছে গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন। বর্তমানে মোবাইল ফোনসেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ভ্যাটহার ১০ শতাংশ। কিন্তু ফ্যাসিস্ট ইউনূসের ক্ষমতার অপব্যবহারে গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশনের উপর আরোপিত কর মাত্র ৭.৫ শতাংশ। এ শর্তও লঙ্ঘন করেছে মহাজনের প্রতিষ্ঠানটি।

৫০ শতাংশ ব্যাটারি ও চার্জার উৎপাদনের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি হেঁটেছে আমদানির পথে, এনবিআর ও বুয়েটের যৌথ তদন্ত কমিটি সরেজমিনে ব্যাটারি উৎপাদনের কোনো মেশিনারিজ পায়নি। গোপনীয় প্রতিবেদন বলছে, স্মার্টফোনের ব্যাটারির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর। আবার সক্ষমতা থাকলেও তারা পিসিবিএ বা চার্জার উৎপাদন করে না। এ আড়াই শতাংশ ভ্যাটের কারণে যে পরিমাণ টাকার হেরফের হয়, তার অঙ্ক কমপক্ষে ৫০০কোটি টাকা বলে দাবি তোলা হচ্ছে।

বাংলাদেশের জনগণকে ঠকিয়ে দেশলুট করতেই ফ্যাসিস্ট ইউনূস ছাত্র-পুলিশ-জনতার লাশ ফেলে ক্ষমতার দখল নেয়। আর ইউনূসকে ক্ষমতাসীন করতে দেশধ্বংস ও হত্যাযজ্ঞে হাত লাগায় বিএনপি-জামায়াত; উদ্দেশ্য একটাই— নির্বাচনের নামে প্রহসন করে ক্ষমতা ভাগাভাগি। ইউনূসের মেটিকুলাস ডিজাইনে লুটপাটের ফলেই বাংলাদেশ আজ অন্ধকারে নিমজ্জিত। এত অপরাধের পরেও জোচ্চর ফ্যাসিস্ট ইউনূস কি বিচারের বাইরেই থেকে যাবে?

ক্ষমতার নির্লজ্জ অপব্যবহার জাতিকে সুদখোর-ফ্যাসিস্ট ইউনূস দেখিয়ে গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ইউনূসের নেয়া সুবিধাদির মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত গ্রামীণ কল্যাণ ট্রাস্টের ৬৬৬ কোটি টাকার কর মওকুফ; এনবিআর থেকে আদেশ বা এসআরও জারি করিয়ে ইউনূস এই কর অব্যাহতি নেয়। এই কর কিভাবে ধার্য হয়েছিলো তা জানেন কি?

গ্রামীণ কল্যাণ ট্রাস্টের তহবিল থেকে গ্রামীণ টেলিকমকে ঋণ দেওয়া হয়, এই ঋণের বিপরীতেই গ্রামীণ কল্যাণ বড় অঙ্কের সুদ পেতো। কিন্তু সেই সুদের টাকাকে লভ্যাংশ হিসেবে দাবি করে জোচ্চোর ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাংক। এবং এই জোচ্চরি করেই নির্ধারিত করের অর্ধেক পরিমাণ কর রিটার্ণ করে প্রতিষ্ঠানটি। সেকারণেই গ্রামীণ কল্যাণের ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ পর্যন্ত পাঁচ করবর্ষের ৬৬৬ কোটি টাকা কর নির্ধারণের আদেশ জারি করা হয়। ইউনূস গ্রামীণ কল্যাণ ট্রাস্ট দিয়ে আরও চুরি করেছে, এনবিআরের অনুসন্ধানে এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ২০১১-১২ করবর্ষ থেকে এক হাজার ৪৩ কোটি টাকার কর ফাঁকি উদঘাটন করা হয়েছে, হাইকোর্টে এখনও মামলা চলমান।

দেশে বড় ধরণের রাজস্ব ঘাটতি চলমান, এর মধ্যেই নানা সুবিধা নিয়েছে মহাজন ইউনূস। ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা একটি গেজেটে পাঁচ বছরের জন্য গ্রামীণ ব্যাংককে আয়কর অব্যাহতির সুবিধা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই প্রতিষ্ঠানটি আয়কর দেবে না। কিন্তু এতে পাঁচ বছরে সরকার রাজস্ব হারাবে অন্তত এক হাজার কোটি টাকা। কালের কন্ঠের একটি প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিশদ পর্যালোচনা করা হয়েছে।

মহাজন এত সুবিধাদি নিয়েও চুরি থামায়নি। জিডিএল, জিটিই ও বেনকো—এই তিন নামে মোবাইল ফোনসেট উৎপাদন করছে গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন। বর্তমানে মোবাইল ফোনসেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ভ্যাটহার ১০ শতাংশ। কিন্তু ফ্যাসিস্ট ইউনূসের ক্ষমতার অপব্যবহারে গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশনের উপর আরোপিত কর মাত্র ৭.৫ শতাংশ। এ শর্তও লঙ্ঘন করেছে মহাজনের প্রতিষ্ঠানটি।

৫০ শতাংশ ব্যাটারি ও চার্জার উৎপাদনের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি হেঁটেছে আমদানির পথে, এনবিআর ও বুয়েটের যৌথ তদন্ত কমিটি সরেজমিনে ব্যাটারি উৎপাদনের কোনো মেশিনারিজ পায়নি। গোপনীয় প্রতিবেদন বলছে, স্মার্টফোনের ব্যাটারির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর। আবার সক্ষমতা থাকলেও তারা পিসিবিএ বা চার্জার উৎপাদন করে না। এ আড়াই শতাংশ ভ্যাটের কারণে যে পরিমাণ টাকার হেরফের হয়, তার অঙ্ক কমপক্ষে ৫০০কোটি টাকা বলে দাবি তোলা হচ্ছে।

বাংলাদেশের জনগণকে ঠকিয়ে দেশলুট করতেই ফ্যাসিস্ট ইউনূস ছাত্র-পুলিশ-জনতার লাশ ফেলে ক্ষমতার দখল নেয়। আর ইউনূসকে ক্ষমতাসীন করতে দেশধ্বংস ও হত্যাযজ্ঞে হাত লাগায় বিএনপি-জামায়াত; উদ্দেশ্য একটাই— নির্বাচনের নামে প্রহসন করে ক্ষমতা ভাগাভাগি। ইউনূসের মেটিকুলাস ডিজাইনে লুটপাটের ফলেই বাংলাদেশ আজ অন্ধকারে নিমজ্জিত। এত অপরাধের পরেও জোচ্চর ফ্যাসিস্ট ইউনূস কি বিচারের বাইরেই থেকে যাবে?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ