ম্যান্ডেট নেই, মাথাব্যথাও নেই: অবৈধ বিএনপি সরকারের আমলে নারীর লাশের মিছিল

মার্চ মাসে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিবেদন বলছে, ৪৭ জন নারী খুন হয়েছেন, ৫৭ জন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, ১৪টি গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। মোট ১৯০ জন নারী ও কন্যাশিশু কোনো না কোনোভাবে সহিংসতার মুখে পড়েছেন। এই সংখ্যাগুলো শুধু পত্রিকায় আসা খবরের হিসাব। যেগুলো পত্রিকায় আসেনি, সেগুলো ধরলে চিত্র আরও ভয়াবহ।

এই পরিস্থিতিতে দেশ চালাচ্ছে একটি সরকার, যারা ১২ ফেব্রুয়ারির একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। সেই নির্বাচনে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেয়নি, সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশ ভোটকেন্দ্রে যাননি, এবং পুরো প্রক্রিয়াটাকে রাজনৈতিক মহলে “পাতানো খেলা” বলেই চিহ্নিত করা হয়েছে। এই পরিবেশে বিএনপি যে মন্ত্রিসভা তৈরি করেছে, তার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা রাজনৈতিক বিদ্বেষ না, এটা স্বাভাবিক নাগরিক জিজ্ঞাসা।

বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে নতুন করে বিস্তারিত বলার কিছু নেই। জিয়াউর রহমান সেনানিবাসে বসে যে দলটি বানিয়েছিলেন, সেটির জন্মলগ্ন থেকেই গণতন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কটা আলংকারিক। ক্ষমতায় থাকার সময় দলটির বিরুদ্ধে দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের যে অভিযোগগুলো উঠেছে, সেগুলো বিরোধীদের রাজনৈতিক প্রচারণা নয়, আদালত এবং তদন্ত সংস্থার নথিতেও আছে। হাওয়া ভবনের কথা মানুষ ভোলেনি। খালেদা জিয়ার দুর্নীতির মামলার রায় মানুষ ভোলেনি। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আদালতের সিদ্ধান্তগুলোও রেকর্ডে আছে।

কিন্তু এই প্রেক্ষাপটে নারীর নিরাপত্তার প্রশ্নটা সামনে আনলে যা দেখা যায় তা হলো, বিএনপির নেতৃত্বাধীন এই সরকার গত কয়েক মাসে এ বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি। মন্ত্রীরা বিবৃতি দিয়েছেন, কিন্তু বিবৃতি আর কাজের মধ্যে দূরত্বটা প্রতি মাসের পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যে সরকার জনগণের সত্যিকারের ম্যান্ডেট ছাড়া ক্ষমতায় বসেছে, সেই সরকারের কাছে জবাবদিহিতা চাওয়ার জায়গাটাও সংকুচিত।

নারীর ওপর সহিংসতার সঙ্গে রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটা সরাসরি সংযোগ আছে। যে রাজনীতি নিজেই জবাবদিহিতার বাইরে, যে প্রশাসন নিজেই অবৈধ পথে আসার কারণে আত্মরক্ষায় ব্যস্ত, সেই পরিবেশে আইন প্রয়োগ দুর্বল হয়, অপরাধীরা সাহস পায়, ভুক্তভোগীরা বিচার পান না। এটা তত্ত্ব না, এটা বাংলাদেশের বারবার দেখা বাস্তবতা।

মার্চের এই সংখ্যাগুলো তাই শুধু অপরাধের পরিসংখ্যান না। এগুলো একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রমাণ, যে ব্যবস্থার মাথায় এখন এমন একটি সরকার বসে আছে যার নিজের অস্তিত্বই বিতর্কিত।

মার্চ মাসে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিবেদন বলছে, ৪৭ জন নারী খুন হয়েছেন, ৫৭ জন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, ১৪টি গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। মোট ১৯০ জন নারী ও কন্যাশিশু কোনো না কোনোভাবে সহিংসতার মুখে পড়েছেন। এই সংখ্যাগুলো শুধু পত্রিকায় আসা খবরের হিসাব। যেগুলো পত্রিকায় আসেনি, সেগুলো ধরলে চিত্র আরও ভয়াবহ।

এই পরিস্থিতিতে দেশ চালাচ্ছে একটি সরকার, যারা ১২ ফেব্রুয়ারির একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। সেই নির্বাচনে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেয়নি, সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশ ভোটকেন্দ্রে যাননি, এবং পুরো প্রক্রিয়াটাকে রাজনৈতিক মহলে “পাতানো খেলা” বলেই চিহ্নিত করা হয়েছে। এই পরিবেশে বিএনপি যে মন্ত্রিসভা তৈরি করেছে, তার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা রাজনৈতিক বিদ্বেষ না, এটা স্বাভাবিক নাগরিক জিজ্ঞাসা।

বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে নতুন করে বিস্তারিত বলার কিছু নেই। জিয়াউর রহমান সেনানিবাসে বসে যে দলটি বানিয়েছিলেন, সেটির জন্মলগ্ন থেকেই গণতন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কটা আলংকারিক। ক্ষমতায় থাকার সময় দলটির বিরুদ্ধে দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের যে অভিযোগগুলো উঠেছে, সেগুলো বিরোধীদের রাজনৈতিক প্রচারণা নয়, আদালত এবং তদন্ত সংস্থার নথিতেও আছে। হাওয়া ভবনের কথা মানুষ ভোলেনি। খালেদা জিয়ার দুর্নীতির মামলার রায় মানুষ ভোলেনি। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আদালতের সিদ্ধান্তগুলোও রেকর্ডে আছে।

কিন্তু এই প্রেক্ষাপটে নারীর নিরাপত্তার প্রশ্নটা সামনে আনলে যা দেখা যায় তা হলো, বিএনপির নেতৃত্বাধীন এই সরকার গত কয়েক মাসে এ বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি। মন্ত্রীরা বিবৃতি দিয়েছেন, কিন্তু বিবৃতি আর কাজের মধ্যে দূরত্বটা প্রতি মাসের পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যে সরকার জনগণের সত্যিকারের ম্যান্ডেট ছাড়া ক্ষমতায় বসেছে, সেই সরকারের কাছে জবাবদিহিতা চাওয়ার জায়গাটাও সংকুচিত।

নারীর ওপর সহিংসতার সঙ্গে রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটা সরাসরি সংযোগ আছে। যে রাজনীতি নিজেই জবাবদিহিতার বাইরে, যে প্রশাসন নিজেই অবৈধ পথে আসার কারণে আত্মরক্ষায় ব্যস্ত, সেই পরিবেশে আইন প্রয়োগ দুর্বল হয়, অপরাধীরা সাহস পায়, ভুক্তভোগীরা বিচার পান না। এটা তত্ত্ব না, এটা বাংলাদেশের বারবার দেখা বাস্তবতা।

মার্চের এই সংখ্যাগুলো তাই শুধু অপরাধের পরিসংখ্যান না। এগুলো একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রমাণ, যে ব্যবস্থার মাথায় এখন এমন একটি সরকার বসে আছে যার নিজের অস্তিত্বই বিতর্কিত।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ