রক্তে ভেজা সড়ক থেকে মহাসড়ক, বিএনপি সরকারের টু-শব্দ নেই

বুধবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে ছয়জন মানুষ মারা গেছেন। চারটি আলাদা দুর্ঘটনা, চারটি আলাদা জায়গা, কিন্তু একটাই মিল যে রাষ্ট্র যেখানে থাকার কথা, সেখানে সে নেই।

দাউদকান্দিতে মেলা থেকে ফেরা অটোরিকশার যাত্রীরা মরলেন। নিমসারে কভার্ড ভ্যান আর ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই চালক শেষ। চান্দিনায় কোচিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে নবম শ্রেণির ছেলে ইবনে তাইমের জীবন থামিয়ে দিল একটা লরি। মিঞাবাজারে নিজের ভ্যানটা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সড়কে দাঁড়িয়ে অন্যদের সতর্ক করছিলেন ওমর ফারুক, অজ্ঞাত গাড়ি তাঁকেও শেষ করে চলে গেল।

এই মৃত্যুগুলো নতুন কিছু না। প্রতি সপ্তাহে, প্রতি মাসে এই দেশের রাস্তায় এভাবেই মানুষ মরছে। কিন্তু প্রশ্নটা হলো, যারা এখন ক্ষমতায় বসে আছেন, তারা এই মৃত্যু নিয়ে কতটুকু মাথা ঘামান?

বিএনপি একটি দল হিসেবে দশকের পর দশক ধরে এই দেশে সড়ক পরিবহন খাতকে চাঁদাবাজি আর দলীয় প্রভাবের জায়গা হিসেবে ব্যবহার করে এসেছে। পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের একটা বড় অংশ এই দলের রাজনীতির সাথে কোনো না কোনোভাবে যুক্ত, এটা কোনো গোপন বিষয় না। লাইসেন্সবিহীন চালক, ফিটনেসহীন গাড়ি, মহাসড়কে উল্টো পথে চলাচল, এসব বন্ধ করতে হলে যে রাজনৈতিক সদিচ্ছা দরকার, সেটা কোনো দিন ছিল না, এখনও নেই।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যে প্রক্রিয়ায় তারা ক্ষমতায় এসেছে, সেখানে দেশের বড় দলগুলো ছিল না, ভোটারদের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, সেই নির্বাচনে যারা জিতেছেন বলে দাবি করছেন, তাদের কাছে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা আছে বলে মনে করার কোনো কারণ নেই। দায়বদ্ধতা না থাকলে রাস্তায় মানুষ মরলে কিছুই হয় না। একটা শোক বার্তা, হয়তো একটা তদন্ত কমিটি, তারপর সব শেষ।

ছেলে ইবনে তাইম কোচিং থেকে ফিরছিল। বারেক আর মোস্তফা অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালাতেন। ওমর ফারুক নিজেই রাস্তায় দাঁড়িয়ে অন্যদের বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন। এই মানুষগুলো মরলেন, কারণ রাস্তা নিরাপদ না, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নেই, মহাসড়কে রাতের নজরদারি নেই, আর গাড়িচাপা দিয়ে পালিয়ে গেলে ধরা পড়ার ভয় নেই।

সরকার যদি সত্যিই কাজের হতো, তাহলে একদিনে একই মহাসড়কের একই অংশে চারটি দুর্ঘটনা হতো না। কিন্তু এই সরকার আর এই দলের কাছ থেকে সেটা আশা করাটাই বোধহয় ভুল।

বুধবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে ছয়জন মানুষ মারা গেছেন। চারটি আলাদা দুর্ঘটনা, চারটি আলাদা জায়গা, কিন্তু একটাই মিল যে রাষ্ট্র যেখানে থাকার কথা, সেখানে সে নেই।

দাউদকান্দিতে মেলা থেকে ফেরা অটোরিকশার যাত্রীরা মরলেন। নিমসারে কভার্ড ভ্যান আর ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই চালক শেষ। চান্দিনায় কোচিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে নবম শ্রেণির ছেলে ইবনে তাইমের জীবন থামিয়ে দিল একটা লরি। মিঞাবাজারে নিজের ভ্যানটা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সড়কে দাঁড়িয়ে অন্যদের সতর্ক করছিলেন ওমর ফারুক, অজ্ঞাত গাড়ি তাঁকেও শেষ করে চলে গেল।

এই মৃত্যুগুলো নতুন কিছু না। প্রতি সপ্তাহে, প্রতি মাসে এই দেশের রাস্তায় এভাবেই মানুষ মরছে। কিন্তু প্রশ্নটা হলো, যারা এখন ক্ষমতায় বসে আছেন, তারা এই মৃত্যু নিয়ে কতটুকু মাথা ঘামান?

বিএনপি একটি দল হিসেবে দশকের পর দশক ধরে এই দেশে সড়ক পরিবহন খাতকে চাঁদাবাজি আর দলীয় প্রভাবের জায়গা হিসেবে ব্যবহার করে এসেছে। পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের একটা বড় অংশ এই দলের রাজনীতির সাথে কোনো না কোনোভাবে যুক্ত, এটা কোনো গোপন বিষয় না। লাইসেন্সবিহীন চালক, ফিটনেসহীন গাড়ি, মহাসড়কে উল্টো পথে চলাচল, এসব বন্ধ করতে হলে যে রাজনৈতিক সদিচ্ছা দরকার, সেটা কোনো দিন ছিল না, এখনও নেই।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যে প্রক্রিয়ায় তারা ক্ষমতায় এসেছে, সেখানে দেশের বড় দলগুলো ছিল না, ভোটারদের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, সেই নির্বাচনে যারা জিতেছেন বলে দাবি করছেন, তাদের কাছে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা আছে বলে মনে করার কোনো কারণ নেই। দায়বদ্ধতা না থাকলে রাস্তায় মানুষ মরলে কিছুই হয় না। একটা শোক বার্তা, হয়তো একটা তদন্ত কমিটি, তারপর সব শেষ।

ছেলে ইবনে তাইম কোচিং থেকে ফিরছিল। বারেক আর মোস্তফা অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালাতেন। ওমর ফারুক নিজেই রাস্তায় দাঁড়িয়ে অন্যদের বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন। এই মানুষগুলো মরলেন, কারণ রাস্তা নিরাপদ না, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নেই, মহাসড়কে রাতের নজরদারি নেই, আর গাড়িচাপা দিয়ে পালিয়ে গেলে ধরা পড়ার ভয় নেই।

সরকার যদি সত্যিই কাজের হতো, তাহলে একদিনে একই মহাসড়কের একই অংশে চারটি দুর্ঘটনা হতো না। কিন্তু এই সরকার আর এই দলের কাছ থেকে সেটা আশা করাটাই বোধহয় ভুল।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ