Tuesday, February 10, 2026

ইউনূসের পাতানো নির্বাচনে বন্দিদের ‘না’: ৯৩ শতাংশ কারাবন্দির ভোট বর্জন

শান্তিতে নোবেল জয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী ন সরকারের অধীনে আয়োজিত হতে চলা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন দেশের ৯৩ শতাংশ কারাবন্দি। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কারাগার থেকে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার নজিরবিহীন সুযোগ রাখা হলেও বন্দিদের মাঝে এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি। সারা দেশের কারাগারগুলোতে থাকা মোট ৮৫ হাজার বন্দির মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন মাত্র ৪ হাজার ৫৩৮ জন। এই বিশাল বর্জনকে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা সরকারের প্রতি গণ-অনাস্থা এবং ‘পাতানো নির্বাচন’ বর্জন হিসেবে দেখছেন।

কারা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বন্দিদের একটি বড় অংশই বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ না থাকায় তারা এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেননি। সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও ঢাবি ছাত্রলীগ নেতা তানভীর হাসান সৈকতসহ আওয়ামী লীগের শতাধিক আসামির আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই নির্বাচনে সাধারণ মানুষের আগ্রহ একেবারেই কম।

কারাগারে অনেক আসামি আওয়ামী লীগের সমর্থক হওয়ায় তারা কাকে ভোট দেবে সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। কেবল রাজনৈতিক বন্দি নয়, সাধারণ কয়েদিদের মাঝেও এই ভোট নিয়ে কোনো উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়নি।

নিবন্ধন প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই এই অনীহার চিত্র স্পষ্ট ছিল। নির্বাচন কমিশনের বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে তিন সপ্তাহ ধরে নিবন্ধন চললেও ৮৫ হাজার বন্দির মধ্যে নাম লিখিয়েছিলেন মাত্র ৫ হাজার ৯৪০ জন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশেষ এই ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গতকাল শনিবার শেষ হওয়ার কথা ছিল। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গত পাঁচ দিনে ৪ হাজার ৫৩৮ জন বন্দি তাদের ভোট প্রদান করেছেন।

এর মধ্যে প্রথম দিন ১ হাজার ৫২১ জন, দ্বিতীয় দিন ৯৮৮ জন, তৃতীয় দিন ১ হাজার ১৩৮ জন, চতুর্থ দিন ৪২০ জন এবং শেষ দিনে ৪৭১ জন ভোট দেন। নিবন্ধিত হওয়া সত্ত্বেও বাকি ১ হাজার ৪০২ জন বন্দি ভোট না দেওয়ায় তাদের সুযোগ দিতে সময় আরও এক দিন বাড়িয়ে আজ রোববার পর্যন্ত করা হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও কারাগারের এই নজিরবিহীন বর্জন সরকারের নির্বাচনী গ্রহণযোগ্যতাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

শান্তিতে নোবেল জয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী ন সরকারের অধীনে আয়োজিত হতে চলা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন দেশের ৯৩ শতাংশ কারাবন্দি। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কারাগার থেকে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার নজিরবিহীন সুযোগ রাখা হলেও বন্দিদের মাঝে এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি। সারা দেশের কারাগারগুলোতে থাকা মোট ৮৫ হাজার বন্দির মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন মাত্র ৪ হাজার ৫৩৮ জন। এই বিশাল বর্জনকে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা সরকারের প্রতি গণ-অনাস্থা এবং ‘পাতানো নির্বাচন’ বর্জন হিসেবে দেখছেন।

কারা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বন্দিদের একটি বড় অংশই বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ না থাকায় তারা এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেননি। সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও ঢাবি ছাত্রলীগ নেতা তানভীর হাসান সৈকতসহ আওয়ামী লীগের শতাধিক আসামির আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই নির্বাচনে সাধারণ মানুষের আগ্রহ একেবারেই কম।

কারাগারে অনেক আসামি আওয়ামী লীগের সমর্থক হওয়ায় তারা কাকে ভোট দেবে সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। কেবল রাজনৈতিক বন্দি নয়, সাধারণ কয়েদিদের মাঝেও এই ভোট নিয়ে কোনো উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়নি।

নিবন্ধন প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই এই অনীহার চিত্র স্পষ্ট ছিল। নির্বাচন কমিশনের বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে তিন সপ্তাহ ধরে নিবন্ধন চললেও ৮৫ হাজার বন্দির মধ্যে নাম লিখিয়েছিলেন মাত্র ৫ হাজার ৯৪০ জন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশেষ এই ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গতকাল শনিবার শেষ হওয়ার কথা ছিল। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গত পাঁচ দিনে ৪ হাজার ৫৩৮ জন বন্দি তাদের ভোট প্রদান করেছেন।

এর মধ্যে প্রথম দিন ১ হাজার ৫২১ জন, দ্বিতীয় দিন ৯৮৮ জন, তৃতীয় দিন ১ হাজার ১৩৮ জন, চতুর্থ দিন ৪২০ জন এবং শেষ দিনে ৪৭১ জন ভোট দেন। নিবন্ধিত হওয়া সত্ত্বেও বাকি ১ হাজার ৪০২ জন বন্দি ভোট না দেওয়ায় তাদের সুযোগ দিতে সময় আরও এক দিন বাড়িয়ে আজ রোববার পর্যন্ত করা হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও কারাগারের এই নজিরবিহীন বর্জন সরকারের নির্বাচনী গ্রহণযোগ্যতাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ