Tuesday, February 10, 2026

রক্তগঙ্গা পার করে এসে এখন পরিসংখ্যানের পাঠশালা খুলেছে দখলদাররা

টিআইবির সাম্প্রতিক রিপোর্টটা পড়ে আসলে কী ভাববো বুঝতে পারছি না। সতেরো মাসে ছয়শ রাজনৈতিক সহিংসতা, তার মধ্যে পাঁচশ পঞ্চাশটিতে বিএনপি জড়িত। এই হিসাবটা করতে গিয়ে টিআইবির গবেষকরা কি একবারও ভেবে দেখেছেন যে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যে দাঙ্গা বাধিয়ে দেশের সাংবিধানিক সরকারকে উৎখাত করা হয়েছিল, সেই হিসাব এই পরিসংখ্যানে কোথায়? যে দাঙ্গায় পুলিশ সদস্য, ছাত্রলীগ কর্মী, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী, সাধারণ মানুষ মিলিয়ে হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, সেই গণহত্যা কি এই ছয়শ ঘটনার বাইরে?

ইউনূস আর তার এই অবৈধ সরকারের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো তারা মনে করে মানুষের স্মৃতিশক্তি নেই। মাত্র কয়েক মাস আগের ঘটনা ভুলে যাওয়ার কথা ভেবে নিয়েছেন তারা। কিন্তু আমরা ভুলিনি কীভাবে মেট্রোরেল স্টেশনে আগুন দেওয়া হয়েছিল, কীভাবে সরকারি দপ্তরে হামলা চালানো হয়েছিল, কীভাবে পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। এই সব কিছুর পেছনে যে সংগঠিত শক্তি কাজ করেছে, তাদের হিসাব কোথায়?

বিএনপি আর জামায়াত এই দুই বিষবৃক্ষের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে বাংলাদেশের প্রতিটি অগণতান্ত্রিক পরিবর্তনের সাথে তাদের সম্পৃক্ততা আছে। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান যখন ক্ষমতায় এসে রাজনীতির নামে দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের বীজ বপন করলেন, তখন থেকেই এই দলের যাত্রা শুরু। সেনানিবাসে জন্ম নেওয়া একটা রাজনৈতিক দল কখনো গণতন্ত্রের ধারক হতে পারে না, এটা ইতিহাসের শিক্ষা। আর জামায়াত তো আরও ভয়াবহ। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে, পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে মিলে গণহত্যা চালিয়ে যারা এই মাটিকে রক্তে ভাসিয়ে দিয়েছিল, তারা এখন রাজনীতির মাঠে সক্রিয়।

টিআইবির এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে সহিংসতার কারণ হিসেবে পরিবহন টার্মিনালের চাঁদাবাজি, পাথর লুটপাট, সেতু-বাজার-ঘাটের ইজারা নিয়ন্ত্রণের কথা। অসাধারণ! এই যে ক্ষমতা দখলের পর প্রতিটা সেক্টরে ভাগবাটোয়ারা শুরু হয়ে গেছে, এটা কি গণতান্ত্রিক সরকারের লক্ষণ নাকি দস্যুদের আখড়ার বৈশিষ্ট্য? আওয়ামী লীগ সরকার যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন কিন্তু এভাবে খোলাখুলি দলীয় লোকজন পরিবহন টার্মিনাল দখলের জন্য মারামারি করত না। সমস্যা ছিল, অবশ্যই ছিল, কিন্তু এমন নৈরাজ্য ছিল না।

এখন যা হচ্ছে তা আসলে একটা অবৈধ সরকারের স্বাভাবিক পরিণতি। যখন কোনো সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসে না, যখন সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ সমর্থনে ক্ষমতা দখল করে একটা গোষ্ঠী, তখন তাদের কোনো জবাবদিহিতা থাকে না। ইউনূস কার কাছে জবাবদিহি করবেন? যে জনগণ তাকে ভোট দেয়নি, যাদের কাছে তার কোনো দায়বদ্ধতা নেই, তাদের কাছে? নাকি যে বিদেশি শক্তি আর সামরিক বাহিনী তাকে এই চেয়ারে বসিয়েছে, তাদের কাছে? উত্তরটা সবাই জানে।

টিআইবির প্রতিবেদনে আওয়ামী লীগকেও একশ চব্বিশটা সহিংসতার সাথে জড়িত বলে দাবি করা হয়েছে। এটাও খুব মজার ব্যাপার। যে দলটার হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাদের সম্পত্তি লুটপাট করা হয়েছে, তারা নাকি সহিংসতা করছে। কী বিস্ময়কর! নিজেদের জীবন বাঁচানোর জন্য পালিয়ে বেড়ানো মানুষগুলো কীভাবে সংগঠিত সহিংসতা চালাচ্ছে, সেটা একটু বিস্তারিত জানতে ইচ্ছা করে। নাকি আত্মরক্ষার চেষ্টাকেই সহিংসতা বলা হচ্ছে?

এই যে সতেরো মাসে একশ আটান্নজন মারা গেল, সাত হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হলো, এর দায় কার? যে সরকার বন্দুকের নলের জোরে এসেছে, যাদের কোনো নৈতিক বৈধতা নেই, তারা কি এই মৃত্যুর জন্য দায়ী নয়? যে দেশে সাংবিধানিক ব্যবস্থা ভেঙে ফেলে ক্ষমতা দখল করা হয়, সেই দেশে শান্তি আশা করাটাই বোকামি।

বিএনপি আর জামায়াতের এই জোট বাংলাদেশের জন্য সবসময়ই বিষের মতো কাজ করেছে। যখনই তারা ক্ষমতায় এসেছে, দেশ পিছিয়ে গেছে। জিয়া-এরশাদ-খালেদা জিয়ার শাসনামলে দেশে কী হয়েছিল সবাই জানে। দুর্নীতিতে বারবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড বিএনপির। দশ ট্রাক অস্ত্র, গ্রেনেড হামলা, জঙ্গিবাদের উত্থান, এসবের পেছনে বিএনপি-জামায়াত জোটের ভূমিকা ইতিহাসে লেখা আছে।

এখন যেটা হচ্ছে সেটা আরও ভয়াবহ। কারণ এবার তারা এসেছে প্রতিশোধ নিতে। জুলাই মাসে যে গণঅভ্যুত্থানের নাটক সাজানো হয়েছিল, তার আসল উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামী লীগকে নির্মূল করা। আর সেই কাজটাই তারা করছে পুরোদমে। গ্রেফতার, নির্যাতন, হত্যা, সম্পত্তি দখল, সব কিছুই চলছে পরিকল্পিতভাবে। এটা কোনো সাধারণ রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, এটা একটা প্রকল্প, যার লক্ষ্য বাংলাদেশকে আবার পাকিস্তান আমলের মতো পেছনে নিয়ে যাওয়া।

টিআইবি যদি সত্যিই স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতা চায়, তাহলে তাদের উচিত জুলাই মাসের গণহত্যার একটা পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ করা। কারা পরিকল্পনা করেছিল, কারা অর্থায়ন করেছিল, কোন বিদেশি শক্তি জড়িত ছিল, কীভাবে সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করা হয়েছিল, এসব তথ্য জনগণের জানা দরকার। কিন্তু সেই সাহস কি টিআইবির আছে? নাকি তারাও এই অবৈধ সরকারের ছায়াতলে থেকে নিরাপদে থাকতে চান?

বাস্তবতা হলো, এই দেশে এখন যা চলছে তা গণতন্ত্র নয়, এটা স্বৈরতন্ত্রের নতুন সংস্করণ। ইউনূস আর তার দল মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও কাজে তারা করছেন ঠিক উল্টোটা। বিরোধী মতামত দমন, মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ, বিচারবিভাগকে প্রভাবিত করার চেষ্টা, এসব তো স্বৈরশাসকদেরই বৈশিষ্ট্য। আর বিএনপি-জামায়াত তো স্বৈরতন্ত্রেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে, গণতন্ত্র তাদের কাছে বোঝা।

ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবলে আশঙ্কিত হতে হয়। এই যে নৈরাজ্য, এই যে প্রতিদিনের সহিংসতা, এটা কোনো সুস্থ সমাজের লক্ষণ নয়। একটা দেশ যখন অবৈধ পথে পরিচালিত হয়, তখন তার প্রতিটা প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়ে। আইনের শাসন বলে কিছু থাকে না, জবাবদিহিতা বলে কিছু থাকে না। যে যার মতো করে চলে। আর সেটাই এখন হচ্ছে বাংলাদেশে।

টিআইবির সাম্প্রতিক রিপোর্টটা পড়ে আসলে কী ভাববো বুঝতে পারছি না। সতেরো মাসে ছয়শ রাজনৈতিক সহিংসতা, তার মধ্যে পাঁচশ পঞ্চাশটিতে বিএনপি জড়িত। এই হিসাবটা করতে গিয়ে টিআইবির গবেষকরা কি একবারও ভেবে দেখেছেন যে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যে দাঙ্গা বাধিয়ে দেশের সাংবিধানিক সরকারকে উৎখাত করা হয়েছিল, সেই হিসাব এই পরিসংখ্যানে কোথায়? যে দাঙ্গায় পুলিশ সদস্য, ছাত্রলীগ কর্মী, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী, সাধারণ মানুষ মিলিয়ে হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, সেই গণহত্যা কি এই ছয়শ ঘটনার বাইরে?

ইউনূস আর তার এই অবৈধ সরকারের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো তারা মনে করে মানুষের স্মৃতিশক্তি নেই। মাত্র কয়েক মাস আগের ঘটনা ভুলে যাওয়ার কথা ভেবে নিয়েছেন তারা। কিন্তু আমরা ভুলিনি কীভাবে মেট্রোরেল স্টেশনে আগুন দেওয়া হয়েছিল, কীভাবে সরকারি দপ্তরে হামলা চালানো হয়েছিল, কীভাবে পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। এই সব কিছুর পেছনে যে সংগঠিত শক্তি কাজ করেছে, তাদের হিসাব কোথায়?

বিএনপি আর জামায়াত এই দুই বিষবৃক্ষের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে বাংলাদেশের প্রতিটি অগণতান্ত্রিক পরিবর্তনের সাথে তাদের সম্পৃক্ততা আছে। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান যখন ক্ষমতায় এসে রাজনীতির নামে দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের বীজ বপন করলেন, তখন থেকেই এই দলের যাত্রা শুরু। সেনানিবাসে জন্ম নেওয়া একটা রাজনৈতিক দল কখনো গণতন্ত্রের ধারক হতে পারে না, এটা ইতিহাসের শিক্ষা। আর জামায়াত তো আরও ভয়াবহ। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে, পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে মিলে গণহত্যা চালিয়ে যারা এই মাটিকে রক্তে ভাসিয়ে দিয়েছিল, তারা এখন রাজনীতির মাঠে সক্রিয়।

টিআইবির এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে সহিংসতার কারণ হিসেবে পরিবহন টার্মিনালের চাঁদাবাজি, পাথর লুটপাট, সেতু-বাজার-ঘাটের ইজারা নিয়ন্ত্রণের কথা। অসাধারণ! এই যে ক্ষমতা দখলের পর প্রতিটা সেক্টরে ভাগবাটোয়ারা শুরু হয়ে গেছে, এটা কি গণতান্ত্রিক সরকারের লক্ষণ নাকি দস্যুদের আখড়ার বৈশিষ্ট্য? আওয়ামী লীগ সরকার যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন কিন্তু এভাবে খোলাখুলি দলীয় লোকজন পরিবহন টার্মিনাল দখলের জন্য মারামারি করত না। সমস্যা ছিল, অবশ্যই ছিল, কিন্তু এমন নৈরাজ্য ছিল না।

এখন যা হচ্ছে তা আসলে একটা অবৈধ সরকারের স্বাভাবিক পরিণতি। যখন কোনো সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসে না, যখন সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ সমর্থনে ক্ষমতা দখল করে একটা গোষ্ঠী, তখন তাদের কোনো জবাবদিহিতা থাকে না। ইউনূস কার কাছে জবাবদিহি করবেন? যে জনগণ তাকে ভোট দেয়নি, যাদের কাছে তার কোনো দায়বদ্ধতা নেই, তাদের কাছে? নাকি যে বিদেশি শক্তি আর সামরিক বাহিনী তাকে এই চেয়ারে বসিয়েছে, তাদের কাছে? উত্তরটা সবাই জানে।

টিআইবির প্রতিবেদনে আওয়ামী লীগকেও একশ চব্বিশটা সহিংসতার সাথে জড়িত বলে দাবি করা হয়েছে। এটাও খুব মজার ব্যাপার। যে দলটার হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাদের সম্পত্তি লুটপাট করা হয়েছে, তারা নাকি সহিংসতা করছে। কী বিস্ময়কর! নিজেদের জীবন বাঁচানোর জন্য পালিয়ে বেড়ানো মানুষগুলো কীভাবে সংগঠিত সহিংসতা চালাচ্ছে, সেটা একটু বিস্তারিত জানতে ইচ্ছা করে। নাকি আত্মরক্ষার চেষ্টাকেই সহিংসতা বলা হচ্ছে?

এই যে সতেরো মাসে একশ আটান্নজন মারা গেল, সাত হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হলো, এর দায় কার? যে সরকার বন্দুকের নলের জোরে এসেছে, যাদের কোনো নৈতিক বৈধতা নেই, তারা কি এই মৃত্যুর জন্য দায়ী নয়? যে দেশে সাংবিধানিক ব্যবস্থা ভেঙে ফেলে ক্ষমতা দখল করা হয়, সেই দেশে শান্তি আশা করাটাই বোকামি।

বিএনপি আর জামায়াতের এই জোট বাংলাদেশের জন্য সবসময়ই বিষের মতো কাজ করেছে। যখনই তারা ক্ষমতায় এসেছে, দেশ পিছিয়ে গেছে। জিয়া-এরশাদ-খালেদা জিয়ার শাসনামলে দেশে কী হয়েছিল সবাই জানে। দুর্নীতিতে বারবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড বিএনপির। দশ ট্রাক অস্ত্র, গ্রেনেড হামলা, জঙ্গিবাদের উত্থান, এসবের পেছনে বিএনপি-জামায়াত জোটের ভূমিকা ইতিহাসে লেখা আছে।

এখন যেটা হচ্ছে সেটা আরও ভয়াবহ। কারণ এবার তারা এসেছে প্রতিশোধ নিতে। জুলাই মাসে যে গণঅভ্যুত্থানের নাটক সাজানো হয়েছিল, তার আসল উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামী লীগকে নির্মূল করা। আর সেই কাজটাই তারা করছে পুরোদমে। গ্রেফতার, নির্যাতন, হত্যা, সম্পত্তি দখল, সব কিছুই চলছে পরিকল্পিতভাবে। এটা কোনো সাধারণ রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, এটা একটা প্রকল্প, যার লক্ষ্য বাংলাদেশকে আবার পাকিস্তান আমলের মতো পেছনে নিয়ে যাওয়া।

টিআইবি যদি সত্যিই স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতা চায়, তাহলে তাদের উচিত জুলাই মাসের গণহত্যার একটা পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ করা। কারা পরিকল্পনা করেছিল, কারা অর্থায়ন করেছিল, কোন বিদেশি শক্তি জড়িত ছিল, কীভাবে সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করা হয়েছিল, এসব তথ্য জনগণের জানা দরকার। কিন্তু সেই সাহস কি টিআইবির আছে? নাকি তারাও এই অবৈধ সরকারের ছায়াতলে থেকে নিরাপদে থাকতে চান?

বাস্তবতা হলো, এই দেশে এখন যা চলছে তা গণতন্ত্র নয়, এটা স্বৈরতন্ত্রের নতুন সংস্করণ। ইউনূস আর তার দল মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও কাজে তারা করছেন ঠিক উল্টোটা। বিরোধী মতামত দমন, মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ, বিচারবিভাগকে প্রভাবিত করার চেষ্টা, এসব তো স্বৈরশাসকদেরই বৈশিষ্ট্য। আর বিএনপি-জামায়াত তো স্বৈরতন্ত্রেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে, গণতন্ত্র তাদের কাছে বোঝা।

ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবলে আশঙ্কিত হতে হয়। এই যে নৈরাজ্য, এই যে প্রতিদিনের সহিংসতা, এটা কোনো সুস্থ সমাজের লক্ষণ নয়। একটা দেশ যখন অবৈধ পথে পরিচালিত হয়, তখন তার প্রতিটা প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়ে। আইনের শাসন বলে কিছু থাকে না, জবাবদিহিতা বলে কিছু থাকে না। যে যার মতো করে চলে। আর সেটাই এখন হচ্ছে বাংলাদেশে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ