Monday, February 9, 2026

যুবদল নেতা নয়নের নির্দেশে জাবেরকে গুলি!

রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও এর আশপাশের নিষিদ্ধ এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে এলাকাটি। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করলেও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাটি এক রহস্যজনক মোড় নিয়েছে। যেখানে পুলিশ কোনো প্রকার গুলি চালানোর কথা সরাসরি অস্বীকার করছে, সেখানে জাবেরকে কে গুলি করল তা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন।

নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়নের নির্দেশে এই হামলা চালানো হয়েছে এবং সেখানে পুলিশের ছদ্মবেশে বা পুলিশের বাইরেও আলাদা শ্যুটার নিয়োজিত ছিল। এই হামলার ধরনকে জুলাইয়ের ঘটনার মতো একটি নিপুণ বা মেটিকুলাস ডিজাইন হিসেবে অভিহিত করছেন বিশ্লেষকরা। মূলত সেন্ট মার্টিন ও বাংলাদেশের বন্দর ইস্যু নিয়ে চলমান বিতর্ক ধামাচাপা দিতেই অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই নতুন ট্রাম কার্ড খেলেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, আগামী ১৩শ সংসদ নির্বাচনের মাত্র ৭২ ঘণ্টা আগে, ৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বিতর্কিত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। চরম গোপনীয়তার কারণে এই চুক্তির শর্তাবলী নিয়ে প্রবল সমালোচনা তৈরি হয়েছে, কারণ ধারণা করা হচ্ছে এই চুক্তির মাধ্যমেই বাংলাদেশের বন্দর ও সেন্ট মার্টিন দ্বীপ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে লিখে দেওয়া হবে।

সূত্রমতে, মূলত আমেরিকার কাছে দেশ বিক্রির এই গোপন চুক্তির বিনিময়েই ড. ইউনূস অবৈধভাবে ক্ষমতায় বসেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা এবং চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের প্রভাব খর্ব করতে ‘কোয়াড পোর্টস ফর ফিউচার’ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের একটি বন্দর ব্যবহারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করছে।

এই ভূ-রাজনৈতিক খেলায় ড. ইউনূসকে পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষার এক ‘প্রক্সি নেতা’ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই সামগ্রিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মিয়ানমারের বিদ্রোহীদের সহায়তা করা এবং বাংলাদেশে কৃত্রিম অস্থিরতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। অন্যদিকে বিএনপির প্রধান তারেক রহমানের দুর্নীতির প্রমাণ আমেরিকার হাতে থাকায় দলটিও এক প্রকার জিম্মি অবস্থায় আছে। আমেরিকা মূলত এমন এক নেতৃত্বকে ক্ষমতায় বসাতে চাইছে যাদের সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তে একটি গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে। সেন্ট মার্টিন-বন্দর ইস্যু ধামাচাপা দিতে নতুন ট্রাম কার্ড খেলেছেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আর এই খেলার কেন্দ্র রয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।

রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও এর আশপাশের এলাকায় নিষিদ্ধ স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশের চেষ্টা করায় টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে পুলিশ। তবে এ সময় গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।

পুলিশ দাবি করেছে, তারা কোনো গুলি চালায়নি। তাহলে এ গুলি করল কে? সূত্র বলছে, যুবদলের নেতা রবিউল ইসলাম নয়নের নির্দেশে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেখানে পুলিশের বাইরেও আলাদা শ্যুটার ছিল।

জুলাইয়ের মতো মেটিকুলাস ডিজাইনে এই হামলা হয়েছে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাত্র ৭২ ঘন্টা আগে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী ন সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি করতে চলেছে। জানা গেছে, ৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসিতে এই চুক্তি সাক্ষরিত হবে। তবে, চুক্তির শর্তাবলী ঘিরে গোপনীয়তার কারণে বিষয়টি প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছে। এই চুক্তিতেই বন্দর ও সেন্টমার্টিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ লিখে দেওয়া হবে।

সূত্র আরও, আমেরিকার কাছে দেশবিক্রির চুক্তি করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় বসেছিলেন ইউনূস। যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে নিজেদের উপস্থিতি প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য নিয়ে “ কোয়াড পোর্টস ফর ফিউচার” কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশে একটি বন্দর ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। এ উদ্যোগ মূলত এ অঞ্চলে চীনের প্রভাবকে কমাতে করা হচ্ছে।

ওইদিকে বিএনপিও আমেরিকার কাছে একরকম বাঁধা। কারণ তাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দুর্নীতির প্রমাণ রয়েছে দেশটির কাছে। আমেরিকাও চাইছে এমন কাউকে বাংলাদেশের ক্ষমতায় বসাতে যেন চাইলে তাকে নিয়ন্ত্রণে করা যায়।

একাধিক সূত্র ও বিশ্লেষকের মতে, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এই ষড়যন্ত্রে “প্রক্সি নেতা” হিসেবে ব্যবহার করছে মার্কিন প্রশাসন। তাদের দাবি, তাঁকে জাতিসংঘ মহাসচিব করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষায় ব্যবহৃত হচ্ছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মিয়ানমারের বিদ্রোহীদের সহায়তা, চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পে বাধা এবং বাংলাদেশে অস্থিরতা সৃষ্টির মতো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তে একটি গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে দেশের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ যেন অন্য কোনো শক্তির হাতিয়ার হয়ে না পড়ে—সেই বিষয়ে সরকারের পাশাপাশি জনগণকেও সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও এর আশপাশের নিষিদ্ধ এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে এলাকাটি। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করলেও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাটি এক রহস্যজনক মোড় নিয়েছে। যেখানে পুলিশ কোনো প্রকার গুলি চালানোর কথা সরাসরি অস্বীকার করছে, সেখানে জাবেরকে কে গুলি করল তা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন।

নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়নের নির্দেশে এই হামলা চালানো হয়েছে এবং সেখানে পুলিশের ছদ্মবেশে বা পুলিশের বাইরেও আলাদা শ্যুটার নিয়োজিত ছিল। এই হামলার ধরনকে জুলাইয়ের ঘটনার মতো একটি নিপুণ বা মেটিকুলাস ডিজাইন হিসেবে অভিহিত করছেন বিশ্লেষকরা। মূলত সেন্ট মার্টিন ও বাংলাদেশের বন্দর ইস্যু নিয়ে চলমান বিতর্ক ধামাচাপা দিতেই অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই নতুন ট্রাম কার্ড খেলেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, আগামী ১৩শ সংসদ নির্বাচনের মাত্র ৭২ ঘণ্টা আগে, ৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বিতর্কিত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। চরম গোপনীয়তার কারণে এই চুক্তির শর্তাবলী নিয়ে প্রবল সমালোচনা তৈরি হয়েছে, কারণ ধারণা করা হচ্ছে এই চুক্তির মাধ্যমেই বাংলাদেশের বন্দর ও সেন্ট মার্টিন দ্বীপ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে লিখে দেওয়া হবে।

সূত্রমতে, মূলত আমেরিকার কাছে দেশ বিক্রির এই গোপন চুক্তির বিনিময়েই ড. ইউনূস অবৈধভাবে ক্ষমতায় বসেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা এবং চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের প্রভাব খর্ব করতে ‘কোয়াড পোর্টস ফর ফিউচার’ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের একটি বন্দর ব্যবহারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করছে।

এই ভূ-রাজনৈতিক খেলায় ড. ইউনূসকে পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষার এক ‘প্রক্সি নেতা’ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই সামগ্রিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মিয়ানমারের বিদ্রোহীদের সহায়তা করা এবং বাংলাদেশে কৃত্রিম অস্থিরতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। অন্যদিকে বিএনপির প্রধান তারেক রহমানের দুর্নীতির প্রমাণ আমেরিকার হাতে থাকায় দলটিও এক প্রকার জিম্মি অবস্থায় আছে। আমেরিকা মূলত এমন এক নেতৃত্বকে ক্ষমতায় বসাতে চাইছে যাদের সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তে একটি গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে। সেন্ট মার্টিন-বন্দর ইস্যু ধামাচাপা দিতে নতুন ট্রাম কার্ড খেলেছেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আর এই খেলার কেন্দ্র রয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।

রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও এর আশপাশের এলাকায় নিষিদ্ধ স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশের চেষ্টা করায় টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে পুলিশ। তবে এ সময় গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।

পুলিশ দাবি করেছে, তারা কোনো গুলি চালায়নি। তাহলে এ গুলি করল কে? সূত্র বলছে, যুবদলের নেতা রবিউল ইসলাম নয়নের নির্দেশে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেখানে পুলিশের বাইরেও আলাদা শ্যুটার ছিল।

জুলাইয়ের মতো মেটিকুলাস ডিজাইনে এই হামলা হয়েছে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাত্র ৭২ ঘন্টা আগে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী ন সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি করতে চলেছে। জানা গেছে, ৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসিতে এই চুক্তি সাক্ষরিত হবে। তবে, চুক্তির শর্তাবলী ঘিরে গোপনীয়তার কারণে বিষয়টি প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছে। এই চুক্তিতেই বন্দর ও সেন্টমার্টিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ লিখে দেওয়া হবে।

সূত্র আরও, আমেরিকার কাছে দেশবিক্রির চুক্তি করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় বসেছিলেন ইউনূস। যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে নিজেদের উপস্থিতি প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য নিয়ে “ কোয়াড পোর্টস ফর ফিউচার” কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশে একটি বন্দর ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। এ উদ্যোগ মূলত এ অঞ্চলে চীনের প্রভাবকে কমাতে করা হচ্ছে।

ওইদিকে বিএনপিও আমেরিকার কাছে একরকম বাঁধা। কারণ তাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দুর্নীতির প্রমাণ রয়েছে দেশটির কাছে। আমেরিকাও চাইছে এমন কাউকে বাংলাদেশের ক্ষমতায় বসাতে যেন চাইলে তাকে নিয়ন্ত্রণে করা যায়।

একাধিক সূত্র ও বিশ্লেষকের মতে, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এই ষড়যন্ত্রে “প্রক্সি নেতা” হিসেবে ব্যবহার করছে মার্কিন প্রশাসন। তাদের দাবি, তাঁকে জাতিসংঘ মহাসচিব করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষায় ব্যবহৃত হচ্ছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মিয়ানমারের বিদ্রোহীদের সহায়তা, চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পে বাধা এবং বাংলাদেশে অস্থিরতা সৃষ্টির মতো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তে একটি গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে দেশের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ যেন অন্য কোনো শক্তির হাতিয়ার হয়ে না পড়ে—সেই বিষয়ে সরকারের পাশাপাশি জনগণকেও সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ