ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সরকারের আমলে বাংলাদেশ শুধু বাটপারিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নয়, দুর্নীতিতেও বিশ্বচ্যাম্পিয়নের পথে রয়েছে এবং জঙ্গি উত্থানে নেতৃস্থানীয়। নিজেই স্বীকার করেছেন, দেশের মানুষ বাটপারিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। একজন রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতা যখন এ ধরনের মন্তব্য করেন, তা দেশের আন্তর্জাতিক সুনামকে চরমভাবে ক্ষুন্ন করে।
বাংলাদেশের দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এখন আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলোচনার বিষয়। বিএনপি-জামাতের সময় দেশ দুর্নীতিতে বারবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, সেই সময় জঙ্গিবাদও উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। কিন্তু ড. ইউনুসের আমলে অর্থনীতি চরম দুরবস্থায় পড়েছে।
নতুন বিনিয়োগ বন্ধ, কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত, এবং বিদেশি ঋণের বোঝা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাছাড়া, জঙ্গি কার্যক্রমও পুনরায় সক্রিয় হয়েছে, যা দেশের নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর সরাসরি হুমকি সৃষ্টি করছে।
ড. ইউনুস জনগণকে বাটপার হিসেবে উল্লেখ করেছেন, অথচ তার নিজস্ব কার্যক্রম এবং নীতিমালায়ও বিশ্ব বাটপারের একটি নমুনা দেখা যায়। নিজের দোষ জনগণের ওপর চাপানো এই মনোভাব দেশের ইমেজের জন্য হুমকিস্বরূপ।
বর্তমান পরিস্থিতি প্রমাণ করছে, দুর্নীতি শুধু প্রশাসনিক সমস্যা নয়, এটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকেও বিপর্যস্ত করছে। যুবসমাজ হতাশ, উদ্যোক্তা মনোভাব ক্ষীণ, এবং দেশের উন্নয়ন অচল।
এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য প্রয়োজন স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন, বিনিয়োগ উৎসাহ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, এবং দেশের ঋণ ব্যবস্থাপনার সুসংগঠিত পরিকল্পনা। অন্যথায়, বাংলাদেশ কেবল অর্থনীতি ও নিরাপত্তার দিক থেকে নয়, বাটপারিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে আন্তর্জাতিক মানচিত্রে নামকরণ হতে পারে।

