Wednesday, February 4, 2026

ইউনূসের দুঃশাসন: এক মাসের ব্যবধানে ‘মব’ বেড়ে দ্বিগুণ

শান্তিতে নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দেশে মব সন্ত্রাস বা গণপিটুনির ঘটনা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত জানুয়ারি মাসে ২৮টি গণপিটুনির ঘটনায় ২১ জন নিহত হয়েছেন, যেখানে ডিসেম্বরে ২৪টি ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ছিল ১০ জন। অর্থাৎ মাত্র এক মাসের ব্যবধানে মব সন্ত্রাসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে।

জানুয়ারিতে গণপিটুনির শিকার ১৭ জনকে আহত অবস্থায় পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১০ জনকে চুরি, একজনকে ছিনতাই, দুজনকে খুন, একজনকে ডাকাতি, একজনকে অনৈতিক সম্পর্ক, চারজনকে বাগ্‌বিতণ্ডা, একজনকে মাদক কারবার ও একজনকে চাঁদাবাজির অভিযোগে হত্যা করা হয়। এমএসএফ মনে করে, গণপিটুনির ঘটনায় হতাহতের এই বৃদ্ধি আইনের শাসনের প্রতি জনগণের আস্থাহীনতা ও প্রাতিষ্ঠানিক বিচার ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই ফুটিয়ে তুলছে।

একই সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতার চিত্রও ছিল বেশ ভয়াবহ। ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে রাজনৈতিক সহিংসতায় আহতের সংখ্যা প্রায় ১৯ গুণ বেড়েছে। জানুয়ারিতে ৬৪টি নির্বাচনী সহিংসতায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ৫০৯ জন, যেখানে ডিসেম্বরে ৭টি সহিংসতায় ১ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হয়েছিলেন। নির্বাচনী সহিংসতাকে জানুয়ারি মাসের অন্যতম ভয়াবহ মানবাধিকার সংকট হিসেবে উল্লেখ করেছে এমএসএফ।

সংস্থাটির মতে, রাজনৈতিক সহিংসতার এই নৃশংসতা বৃদ্ধি প্রমাণ করে যে নির্বাচনী প্রক্রিয়া কার্যত প্রাণঘাতী সংঘাতের দিকে যাচ্ছে। এছাড়া জানুয়ারিতে ৫৭টি অজ্ঞাতপরিচয় লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, যা ডিসেম্বরে ছিল ৪৮টি। অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারের এই ঊর্ধ্বগতি সমাজে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার আশঙ্কাকে আরও জোরালো করছে। পাশাপাশি কারা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাও বেড়েছে; ডিসেম্বরে ৯ জন মারা গেলেও জানুয়ারিতে সেই সংখ্যা ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের চিত্রও এই মাসে ছিল উদ্বেগজনক। জানুয়ারিতে প্রতিমা ও ঘরবাড়ি ভাঙচুরসহ সংখ্যালঘু নির্যাতনের ১৫টি ঘটনা ঘটেছে, যা ডিসেম্বরে ছিল মাত্র ৪টি। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ২ জনের মৃত্যু এবং গোলাগুলিতে ১ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নারী ও শিশু নির্যাতনের পরিস্থিতিও অবনতিশীল।

জানুয়ারিতে ২৫৭টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, যা আগের মাসের তুলনায় ১৪টি বেশি। এর মধ্যে ৩৪টি ধর্ষণ, ১১টি দলবদ্ধ ধর্ষণ এবং ৩টি ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের শিকারদের মধ্যে ৫ জন প্রতিবন্ধী এবং ১৭ জন শিশু ও কিশোরী রয়েছেন। এছাড়া এই মাসে ৩২ জন আত্মহত্যা করেছেন এবং ৪ জন কিশোরী অপহরণ ও ৪ জন নিখোঁজ হওয়ার তথ্য মিলেছে।

এমএসএফ-এর নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, মব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকায় এবং অপরাধী শনাক্তে পুলিশের নিষ্ক্রিয় ভূমিকার কারণে নাগরিকদের নিরাপত্তাহীনতা প্রকট হয়ে উঠেছে, যা সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

শান্তিতে নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দেশে মব সন্ত্রাস বা গণপিটুনির ঘটনা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত জানুয়ারি মাসে ২৮টি গণপিটুনির ঘটনায় ২১ জন নিহত হয়েছেন, যেখানে ডিসেম্বরে ২৪টি ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ছিল ১০ জন। অর্থাৎ মাত্র এক মাসের ব্যবধানে মব সন্ত্রাসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে।

জানুয়ারিতে গণপিটুনির শিকার ১৭ জনকে আহত অবস্থায় পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১০ জনকে চুরি, একজনকে ছিনতাই, দুজনকে খুন, একজনকে ডাকাতি, একজনকে অনৈতিক সম্পর্ক, চারজনকে বাগ্‌বিতণ্ডা, একজনকে মাদক কারবার ও একজনকে চাঁদাবাজির অভিযোগে হত্যা করা হয়। এমএসএফ মনে করে, গণপিটুনির ঘটনায় হতাহতের এই বৃদ্ধি আইনের শাসনের প্রতি জনগণের আস্থাহীনতা ও প্রাতিষ্ঠানিক বিচার ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই ফুটিয়ে তুলছে।

একই সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতার চিত্রও ছিল বেশ ভয়াবহ। ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে রাজনৈতিক সহিংসতায় আহতের সংখ্যা প্রায় ১৯ গুণ বেড়েছে। জানুয়ারিতে ৬৪টি নির্বাচনী সহিংসতায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ৫০৯ জন, যেখানে ডিসেম্বরে ৭টি সহিংসতায় ১ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হয়েছিলেন। নির্বাচনী সহিংসতাকে জানুয়ারি মাসের অন্যতম ভয়াবহ মানবাধিকার সংকট হিসেবে উল্লেখ করেছে এমএসএফ।

সংস্থাটির মতে, রাজনৈতিক সহিংসতার এই নৃশংসতা বৃদ্ধি প্রমাণ করে যে নির্বাচনী প্রক্রিয়া কার্যত প্রাণঘাতী সংঘাতের দিকে যাচ্ছে। এছাড়া জানুয়ারিতে ৫৭টি অজ্ঞাতপরিচয় লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, যা ডিসেম্বরে ছিল ৪৮টি। অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারের এই ঊর্ধ্বগতি সমাজে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার আশঙ্কাকে আরও জোরালো করছে। পাশাপাশি কারা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাও বেড়েছে; ডিসেম্বরে ৯ জন মারা গেলেও জানুয়ারিতে সেই সংখ্যা ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের চিত্রও এই মাসে ছিল উদ্বেগজনক। জানুয়ারিতে প্রতিমা ও ঘরবাড়ি ভাঙচুরসহ সংখ্যালঘু নির্যাতনের ১৫টি ঘটনা ঘটেছে, যা ডিসেম্বরে ছিল মাত্র ৪টি। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ২ জনের মৃত্যু এবং গোলাগুলিতে ১ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নারী ও শিশু নির্যাতনের পরিস্থিতিও অবনতিশীল।

জানুয়ারিতে ২৫৭টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, যা আগের মাসের তুলনায় ১৪টি বেশি। এর মধ্যে ৩৪টি ধর্ষণ, ১১টি দলবদ্ধ ধর্ষণ এবং ৩টি ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের শিকারদের মধ্যে ৫ জন প্রতিবন্ধী এবং ১৭ জন শিশু ও কিশোরী রয়েছেন। এছাড়া এই মাসে ৩২ জন আত্মহত্যা করেছেন এবং ৪ জন কিশোরী অপহরণ ও ৪ জন নিখোঁজ হওয়ার তথ্য মিলেছে।

এমএসএফ-এর নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, মব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকায় এবং অপরাধী শনাক্তে পুলিশের নিষ্ক্রিয় ভূমিকার কারণে নাগরিকদের নিরাপত্তাহীনতা প্রকট হয়ে উঠেছে, যা সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ