Wednesday, February 4, 2026

ইউনুসের সংস্কার: তিন হাজার কোটি টাকায় গণতন্ত্রের লাশ কেনা

নির্বাচন কমিশনের বাজেট শাখা থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তথাকথিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথে একই দিনে গণভোট আয়োজনের নামে ছয়টি মন্ত্রণালয় প্রায় ১৪০ কোটি টাকা বাগিয়ে নিয়েছে। এর মধ্যে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় একাই ৪৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, এলজিইডি নিচ্ছে ৭২ কোটি, আর বাকি চার মন্ত্রণালয় মিলে আরও প্রায় ২২ কোটি টাকা। নির্বাচন কমিশন নিজেও গণভোট প্রচারে খরচ করছে চার কোটি টাকা। মোট নির্বাচনী ব্যয় দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ১৫০ কোটি টাকা, যার মধ্যে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্যই বরাদ্দ চৌদ্দশ কোটি টাকা।

প্রশ্ন হলো, কোন গণভোট? কাদের জন্য এই গণভোট? ‘২৪ এর জুলাই মাসে যে সরকার দেশব্যাপী দাঙ্গা, হত্যা আর সহিংসতার মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করেছে, সেই সরকার এখন জনগণের মতামত জানতে চাইছে গণভোট করে? যে সরকারের নিজেরই কোনো নির্বাচনী বৈধতা নেই, যারা ক্যু করে ক্ষমতায় এসেছে, তারা গণতন্ত্রের নামে গণভোট আয়োজন করবে, এর চেয়ে বড় প্রহসন আর কী হতে পারে?

নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ স্বীকার করেছেন যে প্রথমে জাতীয় নির্বাচনের জন্য বরাদ্দ ছিল দুই হাজার ৮০ কোটি টাকা। পরে সরকারের নির্দেশে গণভোট যুক্ত করায় আরও এক হাজার ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়। এই অতিরিক্ত খরচের কোনো যৌক্তিকতা কি আছে? বিশেষ করে যখন দেশের মানুষ খাদ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বেকারত্ব আর অর্থনৈতিক অস্থিরতায় ভুগছে, তখন ১৪০ কোটি টাকা খরচ করে গণভোট প্রচার চালানোর দরকার কী?

বিদেশী অর্থায়নে পরিচালিত এই তথাকথিত গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তারা এখন গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী সাজতে চাইছে। ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনগুলোর সহায়তায় যে দাঙ্গা-হাঙ্গামা করে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়েছিল, এখন সেই শক্তিগুলোই সংস্কারের নামে দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সামরিক বাহিনীর সমর্থন আর মদদে যে সরকার টিকে আছে, তারা কীভাবে জনগণের প্রতিনিধি হতে পারে?

সুদী মহাজন ইউনুসের এই অবৈধ সরকার সংস্কারের নামে যা করছে তা আসলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করার এক সুপরিকল্পিত প্রক্রিয়া। নির্বাচন কমিশনকে পুতুলের মতো ব্যবহার করে, মন্ত্রণালয়গুলোকে দিয়ে প্রচারণা চালিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হচ্ছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ৪৬ কোটি টাকা দিয়ে কী প্রচার করবে? ধর্ম মন্ত্রণালয় সাত কোটি টাকা দিয়ে কীভাবে গণভোটের পক্ষে মানুষকে প্রভাবিত করবে? এসব প্রশ্নের কোনো সদুত্তর নেই।

গণভোটের বিষয়বস্তু কী, তা নিয়েও কোনো স্পষ্টতা নেই। কোন প্রশ্নে জনগণের মতামত নেওয়া হবে, তা কি জানানো হয়েছে? গণতন্ত্রে গণভোট একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়া হওয়া উচিত, যেখানে জনগণ জানে তারা কিসের পক্ষে বা বিপক্ষে ভোট দিচ্ছে। কিন্তু এই সরকার যেভাবে গোপনীয়তা আর অস্বচ্ছতার মধ্যে কাজ করছে, তাতে মনে হচ্ছে এটা গণভোট নয়, বরং জনগণের সাথে আরেকটি প্রতারণা।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এনওসির ভিত্তিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় টাকা নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে, কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নিজেরই জানা নেই কীভাবে এই প্রচারণা হচ্ছে। অতিরিক্ত সচিব আলী নেওয়াজ স্বীকার করেছেন যে তারা জানেন না মন্ত্রণালয়গুলো কীভাবে আর কাকে দিয়ে প্রচার করছে। এর চেয়ে বড় উদাহরণ আর কী হতে পারে যে এই পুরো প্রক্রিয়াটাই একটা জালিয়াতি?

জনগণের করের টাকা দিয়ে অবৈধ সরকারের বৈধতা প্রতিষ্ঠার এই চেষ্টা হাস্যকর। ইউনুস আর তার দোসরদের সংস্কার মানে হলো প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করা, জনগণকে প্রতারিত করা আর বিদেশী প্রভুদের সেবা করা। তিন হাজার কোটি টাকা খরচ করে একটা নির্বাচন আর গণভোটের নাটক করা হচ্ছে, অথচ দেশের মানুষ তিন বেলা খেতে পারছে না।

এই তথাকথিত সংস্কার প্রক্রিয়া আসলে দেশকে আরও পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। গণতন্ত্রের নামে যে প্রহসন চলছে, তা দেশের ভবিষ্যতের জন্য অশনিসংকেত। ইউনুসের এই অবৈধ সরকার যত দিন থাকবে, ততদিন দেশে স্থিতিশীলতা আসবে না, উন্নয়ন হবে না, আর জনগণের ভোগান্তি বাড়বে।

নির্বাচন কমিশনের বাজেট শাখা থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তথাকথিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথে একই দিনে গণভোট আয়োজনের নামে ছয়টি মন্ত্রণালয় প্রায় ১৪০ কোটি টাকা বাগিয়ে নিয়েছে। এর মধ্যে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় একাই ৪৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, এলজিইডি নিচ্ছে ৭২ কোটি, আর বাকি চার মন্ত্রণালয় মিলে আরও প্রায় ২২ কোটি টাকা। নির্বাচন কমিশন নিজেও গণভোট প্রচারে খরচ করছে চার কোটি টাকা। মোট নির্বাচনী ব্যয় দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ১৫০ কোটি টাকা, যার মধ্যে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্যই বরাদ্দ চৌদ্দশ কোটি টাকা।

প্রশ্ন হলো, কোন গণভোট? কাদের জন্য এই গণভোট? ‘২৪ এর জুলাই মাসে যে সরকার দেশব্যাপী দাঙ্গা, হত্যা আর সহিংসতার মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করেছে, সেই সরকার এখন জনগণের মতামত জানতে চাইছে গণভোট করে? যে সরকারের নিজেরই কোনো নির্বাচনী বৈধতা নেই, যারা ক্যু করে ক্ষমতায় এসেছে, তারা গণতন্ত্রের নামে গণভোট আয়োজন করবে, এর চেয়ে বড় প্রহসন আর কী হতে পারে?

নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ স্বীকার করেছেন যে প্রথমে জাতীয় নির্বাচনের জন্য বরাদ্দ ছিল দুই হাজার ৮০ কোটি টাকা। পরে সরকারের নির্দেশে গণভোট যুক্ত করায় আরও এক হাজার ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়। এই অতিরিক্ত খরচের কোনো যৌক্তিকতা কি আছে? বিশেষ করে যখন দেশের মানুষ খাদ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বেকারত্ব আর অর্থনৈতিক অস্থিরতায় ভুগছে, তখন ১৪০ কোটি টাকা খরচ করে গণভোট প্রচার চালানোর দরকার কী?

বিদেশী অর্থায়নে পরিচালিত এই তথাকথিত গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তারা এখন গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী সাজতে চাইছে। ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনগুলোর সহায়তায় যে দাঙ্গা-হাঙ্গামা করে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়েছিল, এখন সেই শক্তিগুলোই সংস্কারের নামে দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সামরিক বাহিনীর সমর্থন আর মদদে যে সরকার টিকে আছে, তারা কীভাবে জনগণের প্রতিনিধি হতে পারে?

সুদী মহাজন ইউনুসের এই অবৈধ সরকার সংস্কারের নামে যা করছে তা আসলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করার এক সুপরিকল্পিত প্রক্রিয়া। নির্বাচন কমিশনকে পুতুলের মতো ব্যবহার করে, মন্ত্রণালয়গুলোকে দিয়ে প্রচারণা চালিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হচ্ছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ৪৬ কোটি টাকা দিয়ে কী প্রচার করবে? ধর্ম মন্ত্রণালয় সাত কোটি টাকা দিয়ে কীভাবে গণভোটের পক্ষে মানুষকে প্রভাবিত করবে? এসব প্রশ্নের কোনো সদুত্তর নেই।

গণভোটের বিষয়বস্তু কী, তা নিয়েও কোনো স্পষ্টতা নেই। কোন প্রশ্নে জনগণের মতামত নেওয়া হবে, তা কি জানানো হয়েছে? গণতন্ত্রে গণভোট একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়া হওয়া উচিত, যেখানে জনগণ জানে তারা কিসের পক্ষে বা বিপক্ষে ভোট দিচ্ছে। কিন্তু এই সরকার যেভাবে গোপনীয়তা আর অস্বচ্ছতার মধ্যে কাজ করছে, তাতে মনে হচ্ছে এটা গণভোট নয়, বরং জনগণের সাথে আরেকটি প্রতারণা।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এনওসির ভিত্তিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় টাকা নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে, কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নিজেরই জানা নেই কীভাবে এই প্রচারণা হচ্ছে। অতিরিক্ত সচিব আলী নেওয়াজ স্বীকার করেছেন যে তারা জানেন না মন্ত্রণালয়গুলো কীভাবে আর কাকে দিয়ে প্রচার করছে। এর চেয়ে বড় উদাহরণ আর কী হতে পারে যে এই পুরো প্রক্রিয়াটাই একটা জালিয়াতি?

জনগণের করের টাকা দিয়ে অবৈধ সরকারের বৈধতা প্রতিষ্ঠার এই চেষ্টা হাস্যকর। ইউনুস আর তার দোসরদের সংস্কার মানে হলো প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করা, জনগণকে প্রতারিত করা আর বিদেশী প্রভুদের সেবা করা। তিন হাজার কোটি টাকা খরচ করে একটা নির্বাচন আর গণভোটের নাটক করা হচ্ছে, অথচ দেশের মানুষ তিন বেলা খেতে পারছে না।

এই তথাকথিত সংস্কার প্রক্রিয়া আসলে দেশকে আরও পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। গণতন্ত্রের নামে যে প্রহসন চলছে, তা দেশের ভবিষ্যতের জন্য অশনিসংকেত। ইউনুসের এই অবৈধ সরকার যত দিন থাকবে, ততদিন দেশে স্থিতিশীলতা আসবে না, উন্নয়ন হবে না, আর জনগণের ভোগান্তি বাড়বে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ