Wednesday, February 4, 2026

ইউনূসের দুঃশাসন: দেশে ১২ লাখ চাকরি হারিয়েছেন, আগামী ৬ মাসে আরো ১২ লাখ

অন্তর্বর্তী সরকারের গত ১৬ মাসের শাসনামলে দেশের কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিতে এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। সরকারের কঠোর সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির প্রভাবে ইতিমধ্যে ১২ লাখ মানুষ তাদের চাকরি হারিয়েছেন। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আগামী ৬ মাসের মধ্যে আরও ১২ লাখ মানুষ বেকারত্বের কবলে পড়বেন।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশ (আইসিসিবি) আয়োজিত ‘এলডিসি উত্তরণ’ বিষয়ক এক সেমিনারে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা এই উদ্বেগজনক তথ্য তুলে ধরেন।

সেমিনারে এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি একে আজাদ বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেন, “সরকারের মনিটারি পলিসি টাইটেন বা কঠোর মুদ্রানীতি করার ফলে শিল্পোৎপাদন ও ব্যবসা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে ১২ লক্ষ লোক চাকরি হারিয়ে ইতিমধ্যে বেকার হয়ে পড়েছেন। অবস্থা যা দাঁড়িয়েছে, তাতে আমার মনে হয় আগামী ছয় মাসে আরও ১২ লক্ষ লোক চাকরি হারাবে।”

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান জানান, ব্যাংকিং খাতে সুশাসনের চরম অভাব এবং খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকগুলো সংকটে পড়ছে। সঠিক নিয়মনীতি বাস্তবায়ন না হলে কর্মসংস্থান তৈরিতে ব্যাংকগুলো কোনো ভূমিকা রাখতে পারবে না।

একই ক্ষোভ শোনা গেছে ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরীর মুখে। তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে ‘এনজিওদের সরকার’ দাবি করে বলেছেন, এই সরকার কোনো বিষয়ে ব্যবসায়ীদের মতামত নেয়নি। তারা যেহেতু এনজিও থেকে এসেছেন, এনজিওগুলোর মাধ্যমেই সারাদেশ চালানোর চেষ্টা করেছেন।

দেশে আদৌ কোনো সংস্কার হয়েছে কি না- এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, জমির মিউটেশন করতে ডিসির কাছে এবং তার বিভিন্ন অফিসের মাধ্যমে যে হয়রানি হয়, তারপর চাঁদাবাজিও আছে। এটাকে বলে এলআর ফান্ড, না কি? আগে ৫০ হাজার টাকা থেকে এক লাখ টাকা ঘুস দিতে হতো। এখন লাগে ১০ লাখ টাকা, যা খুবই দুঃখজনক ব্যাপার।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সেমিনার ও ইআরএফ শিক্ষাবৃত্তি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও পরবর্তী সরকারের চ্যালেঞ্জ শিরোনামে এ সেমিনার আয়োজন করা হয়।

আজম জে চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক দলের জানা উচিত দেশের অর্থনীতি কেমন আছে, দেশের বিনিয়োগ কেমন হয়েছে। আইএমএ’র অনেক সুপারিশ আমরা নিয়েছি। ম্যাক্রো ও মাইক্রো লেভেলে অর্থনীতির সংস্কার হয়নি। পোর্টে এখনো মালামাল একদিনে খালাস হচ্ছে না। অনেক সময় দেড় মাস পর মালামাল খালাস হচ্ছে। হয়রানি ও চাঁদাবাজি হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বেকারত্ব সমস্যা কেবল একটি ‘সাময়িক সংকট’ নয়।/ বরং এটি ইউনূসের উচ্চ সুদহার, বিনিয়োগ স্থবিরতা এবং আর্থিক খাতের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার একটি পুঞ্জীভূত ফলাফল। দ্রুত বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ না বাড়ালে এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি না করলে এই বেকারত্ব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

অন্তর্বর্তী সরকারের গত ১৬ মাসের শাসনামলে দেশের কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিতে এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। সরকারের কঠোর সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির প্রভাবে ইতিমধ্যে ১২ লাখ মানুষ তাদের চাকরি হারিয়েছেন। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আগামী ৬ মাসের মধ্যে আরও ১২ লাখ মানুষ বেকারত্বের কবলে পড়বেন।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশ (আইসিসিবি) আয়োজিত ‘এলডিসি উত্তরণ’ বিষয়ক এক সেমিনারে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা এই উদ্বেগজনক তথ্য তুলে ধরেন।

সেমিনারে এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি একে আজাদ বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেন, “সরকারের মনিটারি পলিসি টাইটেন বা কঠোর মুদ্রানীতি করার ফলে শিল্পোৎপাদন ও ব্যবসা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে ১২ লক্ষ লোক চাকরি হারিয়ে ইতিমধ্যে বেকার হয়ে পড়েছেন। অবস্থা যা দাঁড়িয়েছে, তাতে আমার মনে হয় আগামী ছয় মাসে আরও ১২ লক্ষ লোক চাকরি হারাবে।”

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান জানান, ব্যাংকিং খাতে সুশাসনের চরম অভাব এবং খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকগুলো সংকটে পড়ছে। সঠিক নিয়মনীতি বাস্তবায়ন না হলে কর্মসংস্থান তৈরিতে ব্যাংকগুলো কোনো ভূমিকা রাখতে পারবে না।

একই ক্ষোভ শোনা গেছে ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরীর মুখে। তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে ‘এনজিওদের সরকার’ দাবি করে বলেছেন, এই সরকার কোনো বিষয়ে ব্যবসায়ীদের মতামত নেয়নি। তারা যেহেতু এনজিও থেকে এসেছেন, এনজিওগুলোর মাধ্যমেই সারাদেশ চালানোর চেষ্টা করেছেন।

দেশে আদৌ কোনো সংস্কার হয়েছে কি না- এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, জমির মিউটেশন করতে ডিসির কাছে এবং তার বিভিন্ন অফিসের মাধ্যমে যে হয়রানি হয়, তারপর চাঁদাবাজিও আছে। এটাকে বলে এলআর ফান্ড, না কি? আগে ৫০ হাজার টাকা থেকে এক লাখ টাকা ঘুস দিতে হতো। এখন লাগে ১০ লাখ টাকা, যা খুবই দুঃখজনক ব্যাপার।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সেমিনার ও ইআরএফ শিক্ষাবৃত্তি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও পরবর্তী সরকারের চ্যালেঞ্জ শিরোনামে এ সেমিনার আয়োজন করা হয়।

আজম জে চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক দলের জানা উচিত দেশের অর্থনীতি কেমন আছে, দেশের বিনিয়োগ কেমন হয়েছে। আইএমএ’র অনেক সুপারিশ আমরা নিয়েছি। ম্যাক্রো ও মাইক্রো লেভেলে অর্থনীতির সংস্কার হয়নি। পোর্টে এখনো মালামাল একদিনে খালাস হচ্ছে না। অনেক সময় দেড় মাস পর মালামাল খালাস হচ্ছে। হয়রানি ও চাঁদাবাজি হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বেকারত্ব সমস্যা কেবল একটি ‘সাময়িক সংকট’ নয়।/ বরং এটি ইউনূসের উচ্চ সুদহার, বিনিয়োগ স্থবিরতা এবং আর্থিক খাতের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার একটি পুঞ্জীভূত ফলাফল। দ্রুত বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ না বাড়ালে এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি না করলে এই বেকারত্ব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ