মুক্তিযুদ্ধ আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করাই যদি অপরাধ হয়, তাহলে এই অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকার আসলে সত্যকেই সবচেয়ে বেশি ভয় পায়। একজন মা। একজন স্ত্রী। আর একটি রাষ্ট্র, যেখানে সত্য বলা এখন অপরাধ।
শ্রীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য ও রাড়িখাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি কিবরিয়া আহমেদের পরিবার আজ রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের নির্মম শিকার। ১৬ নভেম্বর ২০২৫ পরীক্ষার হল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁর ছাত্রলীগকর্মী ছেলেকে। এক মাস পর, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫, কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই রাস্তায় ধরে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর স্বামীকে।
সবচেয়ে ভয়াবহ সত্যটি হলো—ছেলে আজও জানে না, তার বাবাও কারাগারে। প্রতি শনিবার কারাগার থেকে বাবা-ছেলের ফোন আসে। আর সেই মা বুকের ভেতর চাপা কান্না নিয়ে মিথ্যা হাসিতে কথা বলেন, যেন সন্তানের মন ভেঙে না যায়।
তাদের অপরাধ কী? একটাই—মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অটল থাকা।
এই ঘটনাই প্রমাণ করে, তথাকথিত “সংস্কার” আর “নৈতিকতার” মুখোশের আড়ালে অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকার আসলে কতটা ভীত। তারা ভয় পায় সত্যকে, ভয় পায় ইতিহাসকে, ভয় পায় এমন মানুষকে যারা মাথা নত করে না।
আজ বাংলাদেশে ন্যায়বিচার দলভেদে বণ্টিত। কিছু মানুষের জন্য আদালত আছে, আর কিছু মানুষের জন্য শুধু জেলখানা। এটি শুধু শ্রীনগরের গল্প নয়। ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল জুড়ে একই কান্না, একই আতঙ্ক, একই দমন-পীড়নের চিত্র।
ইতিহাস একদিন প্রশ্ন করবে— এই রাষ্ট্র কি তার মায়েদের কান্না শুনেছিল? নাকি ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে মানবতাকেই বন্দি করেছিল?

