Wednesday, February 4, 2026

ইউনূসের দুঃশাসন: ১৬ মাসে ধর্ষণের শিকার ৯ হাজার

অন্তর্বর্তী সরকারের গত ১৬ মাসে দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। পুলিশ সদর দপ্তর এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০২৪ সালের আগস্টে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ৯,১৪৩টি ধর্ষণের মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্যমতে, কেবল ২০২৫ সালেই ৭৪৯ জন নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে, যার প্রায় অর্ধেকই (৩৭০ জন) অপ্রাপ্তবয়স্ক।

সাম্প্রতিক লোমহর্ষক ঘটনাবলি: চলতি বছরের জানুয়ারিতেই বেশ কিছু নৃশংস ঘটনা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। গত ১৫ জানুয়ারি এক তরুণীকে চলন্ত বাসে রাতভর গণধর্ষণ করে চালক ও সহকারীরা।

গত ১২ জানুয়ারি হাসপাতালে আশ্রয় নিতে আসা এক কিশোরীকে দুই আনসার সদস্য মিলে ধর্ষণ করে। গত ১৬ জানুয়ারি ভোলার মনপুরায় এক পোশাক কর্মীকে তাঁর বাগদত্তার সামনেই পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। মানবাধিকার কর্মীদের মতে, সরকারের নিয়ন্ত্রণহীনতা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতিই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফৌজিয়া মোসলেমের মতে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নারীবিদ্বেষী প্রচার ও প্রশাসনের গাছাড়া ভাব অপরাধীদের উৎসাহিত করছে।

আইনজীবী মিতি সানজানা জানান, ট্রাইব্যুনালগুলোতে মামলার পাহাড় জমে থাকায় এবং সাজার হার অত্যন্ত কম হওয়ায় অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামাজিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়ের কারণে প্রান্তিক নারী ও শিশুরা আজ নিজ দেশেই সবচেয়ে বেশি অরক্ষিত।

পুলিশ প্রশাসন মামলার সংখ্যা বৃদ্ধিকে ‘অধিক রিপোর্টিং’ বলে দাবি করলেও, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের অভাবকেই মূল ‘দুঃশাসন’ হিসেবে দেখছেন বিশিষ্টজনেরা।

অন্তর্বর্তী সরকারের গত ১৬ মাসে দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। পুলিশ সদর দপ্তর এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০২৪ সালের আগস্টে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ৯,১৪৩টি ধর্ষণের মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্যমতে, কেবল ২০২৫ সালেই ৭৪৯ জন নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে, যার প্রায় অর্ধেকই (৩৭০ জন) অপ্রাপ্তবয়স্ক।

সাম্প্রতিক লোমহর্ষক ঘটনাবলি: চলতি বছরের জানুয়ারিতেই বেশ কিছু নৃশংস ঘটনা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। গত ১৫ জানুয়ারি এক তরুণীকে চলন্ত বাসে রাতভর গণধর্ষণ করে চালক ও সহকারীরা।

গত ১২ জানুয়ারি হাসপাতালে আশ্রয় নিতে আসা এক কিশোরীকে দুই আনসার সদস্য মিলে ধর্ষণ করে। গত ১৬ জানুয়ারি ভোলার মনপুরায় এক পোশাক কর্মীকে তাঁর বাগদত্তার সামনেই পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। মানবাধিকার কর্মীদের মতে, সরকারের নিয়ন্ত্রণহীনতা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতিই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফৌজিয়া মোসলেমের মতে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নারীবিদ্বেষী প্রচার ও প্রশাসনের গাছাড়া ভাব অপরাধীদের উৎসাহিত করছে।

আইনজীবী মিতি সানজানা জানান, ট্রাইব্যুনালগুলোতে মামলার পাহাড় জমে থাকায় এবং সাজার হার অত্যন্ত কম হওয়ায় অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামাজিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়ের কারণে প্রান্তিক নারী ও শিশুরা আজ নিজ দেশেই সবচেয়ে বেশি অরক্ষিত।

পুলিশ প্রশাসন মামলার সংখ্যা বৃদ্ধিকে ‘অধিক রিপোর্টিং’ বলে দাবি করলেও, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের অভাবকেই মূল ‘দুঃশাসন’ হিসেবে দেখছেন বিশিষ্টজনেরা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ