বাংলাদেশের ক্রিকেট আজ আর শুধু একটি খেলা নয় এটি জাতীয় আত্মমর্যাদা, আন্তর্জাতিক পরিচয় এবং কোটি মানুষের আবেগের প্রতীক। ঠিক এই জায়গাতেই ষড়যন্ত্র চলছে। পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা হচ্ছে কখনো প্রশাসনিক অদক্ষতার অজুহাতে, কখনো শৃঙ্খলার প্রশ্ন তুলে, আবার কখনো কূটনৈতিক নীরবতার সুযোগ নিয়ে।
এই ষড়যন্ত্র আকস্মিক নয়, এটি ধারাবাহিক। মাঠের বাইরের দুর্বলতা, অযোগ্য নেতৃত্ব, এবং স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর উপস্থিতিই আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশকে কোণঠাসা করার সুযোগ করে দিচ্ছে। যারা আজ এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী, তারা কেবল ব্যর্থ নন—তারা অপরাধী।
আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বিচ্ছিন্ন করার যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিচার হতে হবে। কেবল অভিযোগ করলেই চলবে না—দায়ীদের চিহ্নিত করতে হবে, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। কারণ ক্রিকেটের ক্ষতি মানে কেবল একটি বোর্ডের ক্ষতি নয়, এটি জাতীয় সম্ভাবনার ক্ষতি।
একই সঙ্গে আরেকটি সত্য স্বীকার করতে হবে—ক্রিকেট অঙ্গনকে ভিতর থেকে দুর্বল করে দেওয়া অযোগ্য লোকদের অপসারণ ছাড়া কোনো সংস্কার সম্ভব নয়। যারা মেধা দিয়ে নয়, পরিচয় দিয়ে জায়গা দখল করে আছে; যারা খেলাটাকে বোঝে না, কিন্তু সিদ্ধান্ত নেয়; যারা উন্নয়নের নামে স্থবিরতা তৈরি করে—তাদের বিদায় এখন সময়ের দাবি।
ক্রিকেট প্রশাসন কোনো ব্যক্তিগত ক্লাব নয়, এটি জাতীয় দায়িত্ব। এখানে অযোগ্যতা কোনো মতাদর্শ নয়, এটি সরাসরি অপরাধ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টিকে থাকতে হলে দরকার স্বচ্ছতা, পেশাদারিত্ব এবং যোগ্য নেতৃত্ব। তার বিকল্প নেই।
বাংলাদেশের ক্রিকেট মাঠে লড়াই করে নিজের জায়গা তৈরি করেছে। সেই জায়গা ষড়যন্ত্রে কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে আমরা চুপ থাকব না। আর নিজেদের ভেতরের দুর্নীতি ও অযোগ্যতাকে আড়াল করেও রক্ষা পাওয়া যাবে না।
সময় এসেছে পরিষ্কার অবস্থান নেওয়ার—ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে, দায়ীদের বিচার করতে হবে, আর ক্রিকেট অঙ্গনকে অযোগ্যদের হাত থেকে মুক্ত করতে হবে। এটাই শুধু ক্রিকেটের দাবি নয়—এটি ন্যায্যতা ও আত্মসম্মানের দাবি।ক্রিকেট নিয়ে ষড়যন্ত্র বন্ধ করো, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেবাংলাদেশের অধিকার চাই
বাংলাদেশের ক্রিকেট আজ আর শুধু একটি খেলা নয় এটি জাতীয় আত্মমর্যাদা, আন্তর্জাতিক পরিচয় এবং কোটি মানুষের আবেগের প্রতীক। ঠিক এই জায়গাতেই ষড়যন্ত্র চলছে। পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা হচ্ছে কখনো প্রশাসনিক অদক্ষতার অজুহাতে, কখনো শৃঙ্খলার প্রশ্ন তুলে, আবার কখনো কূটনৈতিক নীরবতার সুযোগ নিয়ে।
এই ষড়যন্ত্র আকস্মিক নয়, এটি ধারাবাহিক। মাঠের বাইরের দুর্বলতা, অযোগ্য নেতৃত্ব, এবং স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর উপস্থিতিই আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশকে কোণঠাসা করার সুযোগ করে দিচ্ছে। যারা আজ এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী, তারা কেবল ব্যর্থ নন—তারা অপরাধী।
আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বিচ্ছিন্ন করার যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিচার হতে হবে। কেবল অভিযোগ করলেই চলবে না—দায়ীদের চিহ্নিত করতে হবে, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। কারণ ক্রিকেটের ক্ষতি মানে কেবল একটি বোর্ডের ক্ষতি নয়, এটি জাতীয় সম্ভাবনার ক্ষতি।
একই সঙ্গে আরেকটি সত্য স্বীকার করতে হবে—ক্রিকেট অঙ্গনকে ভিতর থেকে দুর্বল করে দেওয়া অযোগ্য লোকদের অপসারণ ছাড়া কোনো সংস্কার সম্ভব নয়। যারা মেধা দিয়ে নয়, পরিচয় দিয়ে জায়গা দখল করে আছে; যারা খেলাটাকে বোঝে না, কিন্তু সিদ্ধান্ত নেয়; যারা উন্নয়নের নামে স্থবিরতা তৈরি করে—তাদের বিদায় এখন সময়ের দাবি।
ক্রিকেট প্রশাসন কোনো ব্যক্তিগত ক্লাব নয়, এটি জাতীয় দায়িত্ব। এখানে অযোগ্যতা কোনো মতাদর্শ নয়, এটি সরাসরি অপরাধ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টিকে থাকতে হলে দরকার স্বচ্ছতা, পেশাদারিত্ব এবং যোগ্য নেতৃত্ব। তার বিকল্প নেই।
বাংলাদেশের ক্রিকেট মাঠে লড়াই করে নিজের জায়গা তৈরি করেছে। সেই জায়গা ষড়যন্ত্রে কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে আমরা চুপ থাকব না। আর নিজেদের ভেতরের দুর্নীতি ও অযোগ্যতাকে আড়াল করেও রক্ষা পাওয়া যাবে না।
সময় এসেছে পরিষ্কার অবস্থান নেওয়ার— ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে, দায়ীদের বিচার করতে হবে, আর ক্রিকেট অঙ্গনকে অযোগ্যদের হাত থেকে মুক্ত করতে হবে। এটাই শুধু ক্রিকেটের দাবি নয়—এটি ন্যায্যতা ও আত্মসম্মানের দাবি।

