ড. ইউনুস কোনো রাজনীতিবিদ নন, কোনো রাষ্ট্রনায়কও নন—তিনি আন্তর্জাতিক ভিক্ষাবৃত্তির এক সুপরিকল্পিত দালাল। তাঁর রাজনীতি জনগণের ভোটে নয়, বিদেশি দরবারের করুণায় দাঁড়িয়ে। দেশে ব্যর্থ হলেই তিনি দৌড়ান ওয়াশিংটন, লন্ডন, ব্রাসেলস বাংলাদেশকে তুলে ধরেন একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে, যেন বিদেশিরা ‘দয়া করে’ হস্তক্ষেপ করে।
এই ভিক্ষাবৃত্তির অফিস পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে আছে। কোথাও মানবাধিকার, কোথাও গণতন্ত্র, কোথাও সংস্কারের নামে রাষ্ট্রের আত্মমর্যাদা নিলামে তোলা হয়। তিনি দেশকে বিক্রি করেন গল্পে, কান্নায় আর মিথ্যা সংকটের বর্ণনায়। নিজের ক্ষমতার লোভ মেটাতে একটি জাতিকে দাঁড় করান করুণার ভিক্ষার লাইনে।
ড. ইউনুসের সবচেয়ে বড় অপরাধ—তিনি জনগণকে অপ্রয়োজনীয় করে তুলেছেন। তাঁর রাজনীতিতে ভোট নেই, আন্দোলন নেই, রাস্তায় মানুষের শক্তি নেই—আছে শুধু বিদেশি বিবৃতি আর দূতাবাসের প্রেস নোট। এই রাজনীতি আসলে গণতন্ত্রের ছদ্মবেশে এক নগ্ন উপনিবেশবাদী মানসিকতা।
রাষ্ট্র যখন নিজের সিদ্ধান্ত নিতে চায়, তখনই ড. ইউনুস হাজির হন বিদেশি প্রভুর দরজায় ধর্না দিতে। তিনি জানেন—দেশের মানুষ তাঁকে ক্ষমতা দেয়নি, তাই ক্ষমতা ভিক্ষা করতেই হবে।
ইতিহাসে তিনি নোবেলজয়ী হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্রকে ভিক্ষার পণ্যে পরিণত করা এক আন্তর্জাতিক চরিত্র হিসেবেই চিহ্নিত হবেন।

