Saturday, January 24, 2026

জামায়াতকে ভোটে জেতানোর মার্কিন কূটচাল ফাঁস

জামায়াতকে ভোটে জেতানর মার্কিনি কূটচাল ফাঁস করেছে ওয়াশিংটন পোস্ট। সংবাদমাধ্যমটির হাতে পাওয়া একটি অডিওতে ঢাকায় কর্মরত এক মার্কিন কূটনীতিক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে চায়। তার মতে, বাংলাদেশ এখন ইসলামপন্থার দিকে ঝুঁকছে এবং আগামী নির্বাচনে জামায়াত তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ আসন পেতে পারে।

ওই কূটনীতিক জানান, জামায়াত ক্ষমতায় এলেও শরীয়াহ আইন চালু করবে না। তবে যদি তা করা হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পোশাক শিল্পের ওপর কঠোর শুল্ক আরোপ করবে, যা দেশের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র জামায়াত ছাড়াও হেফাজতে ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারে।

এ বিষয়ে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস বলেছে, এটি সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়মিত, গোপন বৈঠকের অংশ ছিল। জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শেখ হাসিনার পতনের পর যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াতের মধ্যে একাধিক বৈঠক হয়েছে।

এছাড়া ওই কূটনীতিক আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে শেখ হাসিনার দোষী সাব্যস্ত হওয়াকে রাজনৈতিকভাবে “জিনিয়াস” সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেন।

সূত্র বলছে, আমেরিকা জামায়াতকে চায় যাতে তারা জঙ্গিবাদের কথা বলে সহজে বাংলাদেশকে কব্জায় নিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উদ্বেগের পেছনে চীন একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র চায় বাংলাদেশ যেন তার ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির (আইপিএস) পক্ষে থাকে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিস্তৃত কৌশল, যার লক্ষ্য হচ্ছে পুরো অঞ্চলজুড়ে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করে চীনের প্রভাব মোকাবিলা করা।

এরইমধ্যে বাংলাদেশ নিয়ে চীনের সঙ্গে আমেরিকার বাদানুবাদ শুরু হয়েছে। ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যকার সহযোগিতা দুই দেশ ও তার জনগণের বিষয়। এতে মার্কিন হস্তক্ষেপ সহ্য করা হবে না। এ বিষয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে জানিয়েছে ঢাকার চীন দূতাবাস। বৃহস্পতিবার চীন দূতাবাসের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।

বুধবার ঢাকায় কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে মতবিনিময়ে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে যুক্ততায় ঝুঁকির যে বিষয়টি রয়েছে, তা তিনি স্পষ্টভাবে অন্তর্বর্তী সরকার বা নতুন নির্বাচিত সরকারের কাছে তুলে ধরবেন।

ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি একটি নীলনকশার অংশ, যার লক্ষ্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তাদের আধিপত্য বিস্তার। আর জামায়াত আসলে এই কাজটি আমেরিকার জন্য সহজ হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মিয়ানমারে চীন-সমর্থিত গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কৌশলগত অবস্থান নিতে সক্রিয় হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট, মানবিক করিডোর, এবং চট্টগ্রাম বন্দর—সব মিলে এই অঞ্চলটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

একাধিক সূত্র ও বিশ্লেষকের মতে, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এই ষড়যন্ত্রে “প্রক্সি নেতা” হিসেবে ব্যবহার করছে আমেরিকা। তাকে জাতিসংঘ মহাসচিব করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষায় ব্যবহৃত হচ্ছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মিয়ানমারের বিদ্রোহীদের সহায়তা, চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পে বাধা এবং বাংলাদেশে অস্থিরতা সৃষ্টির মতো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তে একটি গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে দেশের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

জামায়াতকে ভোটে জেতানর মার্কিনি কূটচাল ফাঁস করেছে ওয়াশিংটন পোস্ট। সংবাদমাধ্যমটির হাতে পাওয়া একটি অডিওতে ঢাকায় কর্মরত এক মার্কিন কূটনীতিক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে চায়। তার মতে, বাংলাদেশ এখন ইসলামপন্থার দিকে ঝুঁকছে এবং আগামী নির্বাচনে জামায়াত তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ আসন পেতে পারে।

ওই কূটনীতিক জানান, জামায়াত ক্ষমতায় এলেও শরীয়াহ আইন চালু করবে না। তবে যদি তা করা হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পোশাক শিল্পের ওপর কঠোর শুল্ক আরোপ করবে, যা দেশের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র জামায়াত ছাড়াও হেফাজতে ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারে।

এ বিষয়ে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস বলেছে, এটি সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়মিত, গোপন বৈঠকের অংশ ছিল। জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শেখ হাসিনার পতনের পর যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াতের মধ্যে একাধিক বৈঠক হয়েছে।

এছাড়া ওই কূটনীতিক আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে শেখ হাসিনার দোষী সাব্যস্ত হওয়াকে রাজনৈতিকভাবে “জিনিয়াস” সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেন।

সূত্র বলছে, আমেরিকা জামায়াতকে চায় যাতে তারা জঙ্গিবাদের কথা বলে সহজে বাংলাদেশকে কব্জায় নিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উদ্বেগের পেছনে চীন একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র চায় বাংলাদেশ যেন তার ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির (আইপিএস) পক্ষে থাকে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিস্তৃত কৌশল, যার লক্ষ্য হচ্ছে পুরো অঞ্চলজুড়ে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করে চীনের প্রভাব মোকাবিলা করা।

এরইমধ্যে বাংলাদেশ নিয়ে চীনের সঙ্গে আমেরিকার বাদানুবাদ শুরু হয়েছে। ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যকার সহযোগিতা দুই দেশ ও তার জনগণের বিষয়। এতে মার্কিন হস্তক্ষেপ সহ্য করা হবে না। এ বিষয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে জানিয়েছে ঢাকার চীন দূতাবাস। বৃহস্পতিবার চীন দূতাবাসের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।

বুধবার ঢাকায় কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে মতবিনিময়ে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে যুক্ততায় ঝুঁকির যে বিষয়টি রয়েছে, তা তিনি স্পষ্টভাবে অন্তর্বর্তী সরকার বা নতুন নির্বাচিত সরকারের কাছে তুলে ধরবেন।

ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি একটি নীলনকশার অংশ, যার লক্ষ্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তাদের আধিপত্য বিস্তার। আর জামায়াত আসলে এই কাজটি আমেরিকার জন্য সহজ হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মিয়ানমারে চীন-সমর্থিত গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কৌশলগত অবস্থান নিতে সক্রিয় হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট, মানবিক করিডোর, এবং চট্টগ্রাম বন্দর—সব মিলে এই অঞ্চলটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

একাধিক সূত্র ও বিশ্লেষকের মতে, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এই ষড়যন্ত্রে “প্রক্সি নেতা” হিসেবে ব্যবহার করছে আমেরিকা। তাকে জাতিসংঘ মহাসচিব করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষায় ব্যবহৃত হচ্ছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মিয়ানমারের বিদ্রোহীদের সহায়তা, চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পে বাধা এবং বাংলাদেশে অস্থিরতা সৃষ্টির মতো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তে একটি গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে দেশের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ