Saturday, January 24, 2026

নিত্যপণ্যের বাজার পাহারায় সেনাবাহিনী, রাষ্ট্র কি স্বাভাবিক পথে আছে?

কাওরান বাজারে সশস্ত্র সেনাবাহিনীর উপস্থিতি যে কাউকে থমকে দাঁড়াতে বাধ্য করে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাবেচার একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্রে যখন ভারী অস্ত্রধারী সেনারা চৌকিদারের ভূমিকায় দাঁড়িয়ে থাকে, তখন সেটি আর সাধারণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার দৃশ্য থাকে না তা হয়ে ওঠে একটি রাষ্ট্রের অস্বাভাবিকতার প্রতীক। মুহূর্তের মধ্যে মনে হয়, যেন যে কোনো সময় গেরিলা সংঘর্ষ শুরু হয়ে যেতে পারে। প্রশ্ন উঠেই যায় একটি স্বাধীন দেশের রাজধানীতে বাজার পাহারা দিতে কেন সেনাবাহিনী নামবে?

সেনাবাহিনীর মূল দায়িত্ব সীমান্ত রক্ষা ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করা। বাজার পাহারা দেওয়া তাদের সাংবিধানিক ভূমিকার অংশ নয়। ইতিহাস বলে, যখন বেসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কার্যকরভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হয়, তখনই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ফলে কাওরান বাজারের এই দৃশ্য কেবল নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতিফলন নয় এটি বেসামরিক শাসনের সক্ষমতা নিয়ে গভীর প্রশ্ন তোলে।

এই প্রেক্ষাপটে ড. ইউনুসের একটি বক্তব্য অনিবার্যভাবে মনে পড়ে “এমন বাংলাদেশ বানাবো, যা কেউ আগে দেখেনি।” বাস্তবতা কি আজ সেই কথারই প্রতিফলন? এমন বাংলাদেশ, যেখানে বাজারে যেতে হলে অস্ত্রের ছায়ায় হাঁটতে হয়? যেখানে স্বাভাবিক নাগরিক জীবন টিকিয়ে রাখতে সামরিক উপস্থিতির ওপর নির্ভরশীল হতে হয়?

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বাজারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পুলিশ, প্রশাসন ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা। সেখানে সেনাবাহিনীর স্থায়ী উপস্থিতি কোনো সুস্থ রাষ্ট্রের লক্ষণ নয়। আজ যদি বাজারে সেনা ক্যাম্প বসে, কাল প্রশ্ন উঠবে রাষ্ট্রের বেসামরিক কাঠামো আদৌ কতটা কার্যকর?

বাস্তবতা আরও ভয়াবহ। চাঁদাবাজদের ভয়ে ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত, ক্রেতারা নিরাপত্তাহীন, আর ছিনতাইকারী ও বোমাবাজদের আতঙ্কে জনজীবন বিপর্যস্ত। অনেকের চোখে এটি সোমালিয়া বা দক্ষিণ আফ্রিকার মতো রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকেই ইঙ্গিত করছে যেখানে আইন নয়, ভয়ই নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার।

এই চিত্র আমাদের সতর্ক করে দেয়। জনগণ এমন বাংলাদেশ চায় না, যেখানে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বজায় রাখতে সামরিক শক্তির প্রদর্শন দরকার হয়। তারা চায় কার্যকর বেসামরিক শাসন, জবাবদিহিমূলক প্রশাসন এবং এমন রাষ্ট্র, যেখানে নিরাপত্তা আসে শাসনের সক্ষমতা থেকে ভয়ের পরিবেশ থেকে নয়।

কাওরান বাজারে সশস্ত্র সেনাবাহিনীর উপস্থিতি যে কাউকে থমকে দাঁড়াতে বাধ্য করে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাবেচার একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্রে যখন ভারী অস্ত্রধারী সেনারা চৌকিদারের ভূমিকায় দাঁড়িয়ে থাকে, তখন সেটি আর সাধারণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার দৃশ্য থাকে না তা হয়ে ওঠে একটি রাষ্ট্রের অস্বাভাবিকতার প্রতীক। মুহূর্তের মধ্যে মনে হয়, যেন যে কোনো সময় গেরিলা সংঘর্ষ শুরু হয়ে যেতে পারে। প্রশ্ন উঠেই যায় একটি স্বাধীন দেশের রাজধানীতে বাজার পাহারা দিতে কেন সেনাবাহিনী নামবে?

সেনাবাহিনীর মূল দায়িত্ব সীমান্ত রক্ষা ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করা। বাজার পাহারা দেওয়া তাদের সাংবিধানিক ভূমিকার অংশ নয়। ইতিহাস বলে, যখন বেসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কার্যকরভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হয়, তখনই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ফলে কাওরান বাজারের এই দৃশ্য কেবল নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতিফলন নয় এটি বেসামরিক শাসনের সক্ষমতা নিয়ে গভীর প্রশ্ন তোলে।

এই প্রেক্ষাপটে ড. ইউনুসের একটি বক্তব্য অনিবার্যভাবে মনে পড়ে “এমন বাংলাদেশ বানাবো, যা কেউ আগে দেখেনি।” বাস্তবতা কি আজ সেই কথারই প্রতিফলন? এমন বাংলাদেশ, যেখানে বাজারে যেতে হলে অস্ত্রের ছায়ায় হাঁটতে হয়? যেখানে স্বাভাবিক নাগরিক জীবন টিকিয়ে রাখতে সামরিক উপস্থিতির ওপর নির্ভরশীল হতে হয়?

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বাজারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পুলিশ, প্রশাসন ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা। সেখানে সেনাবাহিনীর স্থায়ী উপস্থিতি কোনো সুস্থ রাষ্ট্রের লক্ষণ নয়। আজ যদি বাজারে সেনা ক্যাম্প বসে, কাল প্রশ্ন উঠবে রাষ্ট্রের বেসামরিক কাঠামো আদৌ কতটা কার্যকর?

বাস্তবতা আরও ভয়াবহ। চাঁদাবাজদের ভয়ে ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত, ক্রেতারা নিরাপত্তাহীন, আর ছিনতাইকারী ও বোমাবাজদের আতঙ্কে জনজীবন বিপর্যস্ত। অনেকের চোখে এটি সোমালিয়া বা দক্ষিণ আফ্রিকার মতো রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকেই ইঙ্গিত করছে যেখানে আইন নয়, ভয়ই নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার।

এই চিত্র আমাদের সতর্ক করে দেয়। জনগণ এমন বাংলাদেশ চায় না, যেখানে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বজায় রাখতে সামরিক শক্তির প্রদর্শন দরকার হয়। তারা চায় কার্যকর বেসামরিক শাসন, জবাবদিহিমূলক প্রশাসন এবং এমন রাষ্ট্র, যেখানে নিরাপত্তা আসে শাসনের সক্ষমতা থেকে ভয়ের পরিবেশ থেকে নয়।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ