Saturday, January 17, 2026

ক্ষমতার মসনদে বসে জনগণের দুর্ভোগ-দুর্দশা দেখার সময় থাকে না দখলদার ইউনুসের

ঢাকার মোহাম্মদপুরে মৌসুমী মৃধা দিনের পর দিন গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করেন। সকালে নেই, দুপুরে নেই, সন্ধ্যায় হয়তো সামান্য আসে। রান্না করতে গিয়ে প্রতিদিন একই যন্ত্রণা। অবশেষে বাধ্য হয়ে ইন্ডাকশন কুকার কিনতে হলো। নতুন খরচ, নতুন ঝামেলা। কিন্তু উপায় কী? বেঁচে থাকতে হলে তো খেতে হবে, রান্না করতে হবে।

এই যে সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের সংগ্রাম, এই যে হাজার হাজার পরিবারের নতুন করে খরচের বোঝা, এসবের কোনো হিসাব আছে কি তাদের কাছে যারা গত বছরের জুলাই মাসে রক্তপাত ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন? বিদেশি প্রভুদের পৃষ্ঠপোষকতায়, জঙ্গিদের কাঁধে ভর দিয়ে, সামরিক বাহিনীর ছত্রছায়ায় যারা একটি নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করেছেন, তারা কি জানেন সাধারণ মানুষের জীবন কত কঠিন হয়ে উঠেছে?

মাত্র দুই সপ্তাহে বাজারে ইন্ডাকশন আর ইনফ্রারেড কুকারের স্টক শেষ হয়ে গেছে। কারণ গ্যাস নেই। তুরাগ নদীর নিচে পাইপলাইনে ফাটল ধরেছে, উৎপাদন কমে গেছে, আমদানি ঠিকমতো হচ্ছে না। আর এর মধ্যে ১২ কেজির একটা সিলিন্ডারের দাম লাফিয়ে এক হাজার ৩০৬ টাকা থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা হয়ে গেছে। প্রায় দ্বিগুণ। এই অবৈধ শাসকদের আমলে মাত্র কয়েক মাসে দাম দ্বিগুণ।

ইউনুস আর তার তথাকথিত উপদেষ্টাদের দল কি একবারও ভেবেছেন মিরপুর, মোহাম্মদপুর, উত্তরার সাধারণ মানুষ কীভাবে দিন কাটাচ্ছেন? একজন গৃহিণী সকাল থেকে বসে থাকেন গ্যাসের অপেক্ষায়, দুপুরে সন্তানদের খাওয়াতে পারেন না, রাতে হয়তো সামান্য গ্যাস পেয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন। এই যন্ত্রণার কোনো মূল্য নেই তাদের কাছে।

কারণ তারা ক্ষমতায় এসেছেন জনগণের ভোটে নয়, জনগণের আস্থায় নয়। এসেছেন বিদেশি মহলের টাকায়, সুপরিকল্পিত দাঙ্গার মাধ্যমে। যারা এভাবে ক্ষমতায় আসেন, তাদের কাছে জনগণ শত্রু ছাড়া আর কিছু নয়। কারণ জনগণই তো সেই শক্তি যারা ভোটের মাধ্যমে সরকার গঠন করেন, সরকার পরিবর্তন করেন। কিন্তু যখন ভোট নয়, বন্দুকের জোরে ক্ষমতা দখল করা হয়, তখন জনগণকে ভয় পেতেই হয়। তাই জনগণের কষ্ট দেখার সময় নেই তাদের।

অর্থনীতির নোবেল পুরস্কার পাওয়া একজন মানুষ দেশ চালাচ্ছেন, অথচ সাধারণ মানুষের রান্নার গ্যাস নেই। এর চেয়ে বড় বিড়ম্বনা আর কী হতে পারে? যে মানুষ দারিদ্র্য নিয়ে কাজ করে বিশ্ববিখ্যাত হয়েছেন, তার শাসনামলে দরিদ্র মানুষ আরও দরিদ্র হচ্ছেন প্রতিদিন। গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে পারছেন না, ইন্ডাকশন কুকার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন, বিদ্যুৎ বিল বাড়ছে, সংসার চালানো কঠিন হয়ে উঠছে।

এই যে রাষ্ট্রযন্ত্রের সম্পূর্ণ ব্যর্থতা, এর দায় কে নেবে? যারা জোর করে ক্ষমতা দখল করেছেন, তারা কি এর জবাব দেবেন? নাকি আরও কিছুদিন টিকে থাকার জন্য বিদেশি প্রভুদের কাছে আরও বেশি মাথা নত করবেন?

সুদী মহাজন হিসেবে ইউনুসের পরিচয় অনেক পুরনো। ক্ষুদ্রঋণের নামে দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে চড়া সুদ আদায় করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল সাম্রাজ্য। এখন রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে পুরো দেশকেই যেন তিনি তার ঋণগ্রহীতা বানিয়ে ফেলেছেন। শুধু এবার সুদ নিচ্ছেন না, কেড়ে নিচ্ছেন মানুষের বেঁচে থাকার ন্যূনতম সুবিধাটুকুও।

মৌসুমী মৃধা যখন নতুন করে ইন্ডাকশন কুকার কিনতে বাধ্য হন, যখন ১২ কেজির সিলিন্ডারের জন্য প্রায় দ্বিগুণ টাকা খরচ করতে হয়, তখন এই অবৈধ শাসকদের কাছে প্রশ্ন থাকে: আপনারা এসেছিলেন কী জন্য? জনগণের ভালোর জন্য, নাকি জনগণকে আরও কষ্ট দেওয়ার জন্য?

জবাব সবার সামনে স্পষ্ট। যারা বিদেশি টাকায় পরিচালিত, যাদের পেছনে আছে জঙ্গি সংগঠনের সহায়তা, যাদের ভরসা সামরিক বাহিনীর সমর্থন, তারা কখনোই জনগণের মঙ্গল চাইতে পারেন না। কারণ তাদের বৈধতা নেই, জনগণের আস্থা নেই, আছে শুধু বন্দুক আর বিদেশি প্রভুদের আশীর্বাদ।

এই সংকট শুধু গ্যাসের নয়, শুধু দামবৃদ্ধির নয়। এ হলো বৈধতার সংকট, নৈতিকতার সংকট, শাসনের সংকট। যে সরকার জনগণের ভোটে আসেনি, তারা জনগণের সেবা করবেন কীভাবে? যারা ক্যু করে ক্ষমতা দখল করেছেন, তারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা করবেন কীভাবে?

ইতিহাস সাক্ষী, অবৈধ শাসকরা সবসময়ই জনগণকে শত্রু মনে করেন। কারণ তারা জানেন, জনগণই তাদের সবচেয়ে বড় হুমকি। তাই জনগণের কষ্ট দেখার সময় নেই তাদের। আছে শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকার হিসাব, বিদেশি প্রভুদের খুশি রাখার চেষ্টা, আর নিজেদের স্বার্থ রক্ষার ব্যবস্থা।

মৌসুমী মৃধার মতো হাজার হাজার মানুষ আজ বাড়তি খরচের বোঝা বইছেন। গ্যাস নেই, সিলিন্ডারের দাম আকাশছোঁয়া, ইন্ডাকশন কুকার কিনতে হচ্ছে নতুন করে, বিদ্যুৎ বিল বাড়ছে। এর মধ্যেই চলছে জীবনযুদ্ধ। কিন্তু যারা ক্ষমতার মসনদে বসে আছেন, তাদের কাছে এসব কোনো বিষয়ই নয়। কারণ তারা জানেন, তাদের জবাবদিহি করতে হবে জনগণের কাছে নয়, বিদেশি প্রভুদের কাছে।

এই অবৈধ শাসনের প্রতিটি দিন জনগণের জন্য নতুন যন্ত্রণা নিয়ে আসছে। গ্যাস সংকট তার একটি উদাহরণ মাত্র। আরও কত সংকট সামনে অপেক্ষা করছে, তা কেউ জানে না। কিন্তু একটি বিষয় নিশ্চিত: যতদিন ক্ষমতায় থাকবেন এই অবৈধ শাসকরা, ততদিন জনগণের দুর্ভোগ বাড়তেই থাকবে।

ঢাকার মোহাম্মদপুরে মৌসুমী মৃধা দিনের পর দিন গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করেন। সকালে নেই, দুপুরে নেই, সন্ধ্যায় হয়তো সামান্য আসে। রান্না করতে গিয়ে প্রতিদিন একই যন্ত্রণা। অবশেষে বাধ্য হয়ে ইন্ডাকশন কুকার কিনতে হলো। নতুন খরচ, নতুন ঝামেলা। কিন্তু উপায় কী? বেঁচে থাকতে হলে তো খেতে হবে, রান্না করতে হবে।

এই যে সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের সংগ্রাম, এই যে হাজার হাজার পরিবারের নতুন করে খরচের বোঝা, এসবের কোনো হিসাব আছে কি তাদের কাছে যারা গত বছরের জুলাই মাসে রক্তপাত ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন? বিদেশি প্রভুদের পৃষ্ঠপোষকতায়, জঙ্গিদের কাঁধে ভর দিয়ে, সামরিক বাহিনীর ছত্রছায়ায় যারা একটি নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করেছেন, তারা কি জানেন সাধারণ মানুষের জীবন কত কঠিন হয়ে উঠেছে?

মাত্র দুই সপ্তাহে বাজারে ইন্ডাকশন আর ইনফ্রারেড কুকারের স্টক শেষ হয়ে গেছে। কারণ গ্যাস নেই। তুরাগ নদীর নিচে পাইপলাইনে ফাটল ধরেছে, উৎপাদন কমে গেছে, আমদানি ঠিকমতো হচ্ছে না। আর এর মধ্যে ১২ কেজির একটা সিলিন্ডারের দাম লাফিয়ে এক হাজার ৩০৬ টাকা থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা হয়ে গেছে। প্রায় দ্বিগুণ। এই অবৈধ শাসকদের আমলে মাত্র কয়েক মাসে দাম দ্বিগুণ।

ইউনুস আর তার তথাকথিত উপদেষ্টাদের দল কি একবারও ভেবেছেন মিরপুর, মোহাম্মদপুর, উত্তরার সাধারণ মানুষ কীভাবে দিন কাটাচ্ছেন? একজন গৃহিণী সকাল থেকে বসে থাকেন গ্যাসের অপেক্ষায়, দুপুরে সন্তানদের খাওয়াতে পারেন না, রাতে হয়তো সামান্য গ্যাস পেয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন। এই যন্ত্রণার কোনো মূল্য নেই তাদের কাছে।

কারণ তারা ক্ষমতায় এসেছেন জনগণের ভোটে নয়, জনগণের আস্থায় নয়। এসেছেন বিদেশি মহলের টাকায়, সুপরিকল্পিত দাঙ্গার মাধ্যমে। যারা এভাবে ক্ষমতায় আসেন, তাদের কাছে জনগণ শত্রু ছাড়া আর কিছু নয়। কারণ জনগণই তো সেই শক্তি যারা ভোটের মাধ্যমে সরকার গঠন করেন, সরকার পরিবর্তন করেন। কিন্তু যখন ভোট নয়, বন্দুকের জোরে ক্ষমতা দখল করা হয়, তখন জনগণকে ভয় পেতেই হয়। তাই জনগণের কষ্ট দেখার সময় নেই তাদের।

অর্থনীতির নোবেল পুরস্কার পাওয়া একজন মানুষ দেশ চালাচ্ছেন, অথচ সাধারণ মানুষের রান্নার গ্যাস নেই। এর চেয়ে বড় বিড়ম্বনা আর কী হতে পারে? যে মানুষ দারিদ্র্য নিয়ে কাজ করে বিশ্ববিখ্যাত হয়েছেন, তার শাসনামলে দরিদ্র মানুষ আরও দরিদ্র হচ্ছেন প্রতিদিন। গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে পারছেন না, ইন্ডাকশন কুকার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন, বিদ্যুৎ বিল বাড়ছে, সংসার চালানো কঠিন হয়ে উঠছে।

এই যে রাষ্ট্রযন্ত্রের সম্পূর্ণ ব্যর্থতা, এর দায় কে নেবে? যারা জোর করে ক্ষমতা দখল করেছেন, তারা কি এর জবাব দেবেন? নাকি আরও কিছুদিন টিকে থাকার জন্য বিদেশি প্রভুদের কাছে আরও বেশি মাথা নত করবেন?

সুদী মহাজন হিসেবে ইউনুসের পরিচয় অনেক পুরনো। ক্ষুদ্রঋণের নামে দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে চড়া সুদ আদায় করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল সাম্রাজ্য। এখন রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে পুরো দেশকেই যেন তিনি তার ঋণগ্রহীতা বানিয়ে ফেলেছেন। শুধু এবার সুদ নিচ্ছেন না, কেড়ে নিচ্ছেন মানুষের বেঁচে থাকার ন্যূনতম সুবিধাটুকুও।

মৌসুমী মৃধা যখন নতুন করে ইন্ডাকশন কুকার কিনতে বাধ্য হন, যখন ১২ কেজির সিলিন্ডারের জন্য প্রায় দ্বিগুণ টাকা খরচ করতে হয়, তখন এই অবৈধ শাসকদের কাছে প্রশ্ন থাকে: আপনারা এসেছিলেন কী জন্য? জনগণের ভালোর জন্য, নাকি জনগণকে আরও কষ্ট দেওয়ার জন্য?

জবাব সবার সামনে স্পষ্ট। যারা বিদেশি টাকায় পরিচালিত, যাদের পেছনে আছে জঙ্গি সংগঠনের সহায়তা, যাদের ভরসা সামরিক বাহিনীর সমর্থন, তারা কখনোই জনগণের মঙ্গল চাইতে পারেন না। কারণ তাদের বৈধতা নেই, জনগণের আস্থা নেই, আছে শুধু বন্দুক আর বিদেশি প্রভুদের আশীর্বাদ।

এই সংকট শুধু গ্যাসের নয়, শুধু দামবৃদ্ধির নয়। এ হলো বৈধতার সংকট, নৈতিকতার সংকট, শাসনের সংকট। যে সরকার জনগণের ভোটে আসেনি, তারা জনগণের সেবা করবেন কীভাবে? যারা ক্যু করে ক্ষমতা দখল করেছেন, তারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা করবেন কীভাবে?

ইতিহাস সাক্ষী, অবৈধ শাসকরা সবসময়ই জনগণকে শত্রু মনে করেন। কারণ তারা জানেন, জনগণই তাদের সবচেয়ে বড় হুমকি। তাই জনগণের কষ্ট দেখার সময় নেই তাদের। আছে শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকার হিসাব, বিদেশি প্রভুদের খুশি রাখার চেষ্টা, আর নিজেদের স্বার্থ রক্ষার ব্যবস্থা।

মৌসুমী মৃধার মতো হাজার হাজার মানুষ আজ বাড়তি খরচের বোঝা বইছেন। গ্যাস নেই, সিলিন্ডারের দাম আকাশছোঁয়া, ইন্ডাকশন কুকার কিনতে হচ্ছে নতুন করে, বিদ্যুৎ বিল বাড়ছে। এর মধ্যেই চলছে জীবনযুদ্ধ। কিন্তু যারা ক্ষমতার মসনদে বসে আছেন, তাদের কাছে এসব কোনো বিষয়ই নয়। কারণ তারা জানেন, তাদের জবাবদিহি করতে হবে জনগণের কাছে নয়, বিদেশি প্রভুদের কাছে।

এই অবৈধ শাসনের প্রতিটি দিন জনগণের জন্য নতুন যন্ত্রণা নিয়ে আসছে। গ্যাস সংকট তার একটি উদাহরণ মাত্র। আরও কত সংকট সামনে অপেক্ষা করছে, তা কেউ জানে না। কিন্তু একটি বিষয় নিশ্চিত: যতদিন ক্ষমতায় থাকবেন এই অবৈধ শাসকরা, ততদিন জনগণের দুর্ভোগ বাড়তেই থাকবে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ