Saturday, January 17, 2026

ইউনূসের মেটিকুলা ডিজাইনে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দেশের ক্রিকেট

মেটিকুলাস ডিজাইনে আওয়ামী লীগ সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতায় বসেছিলেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। কিন্তু তার অদক্ষতা ও চরম দুর্নীতিতে দেশে এখন চরম নাজুক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইন-শৃঙ্খলা, অর্থনীতি, শিক্ষা, প্রশাসনসহ সবখানেই অস্থিরতা বিদ্যমান। এ অস্থিরতা পৌঁছে গেছে এখন ক্রিকেট মাঠেও। বাঙালির একসময়ের উদযাপনের ক্রিকেট এখন হতাশার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি এক নজিরবিহীন মোড় নিয়েছে, যখন মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে মব হামলার ঘটনা ঘটে এবং ক্রিকেটারদের বয়কটের মুখে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আজ ঢাকা পর্বের খেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ক্রিকেটারদের সংগঠন ‘কোয়াব’-এর ডাকে কোনো খেলোয়াড় মাঠে নামেননি। বিসিবি পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলামের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত। তিনি দাবি করেছিলেন যে, আন্তর্জাতিক ইভেন্টে ব্যর্থতার কারণে ক্রিকেটাররা কোনো আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য নন। তার এই বক্তব্যকে ‘চরম অপমানজনক’ আখ্যা দিয়ে লিটন দাসসহ জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটাররা একাট্টা হয়েছেন। বিসিবি পরিস্থিতি সামাল দিতে নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটি থেকে সরিয়ে দিলেও ক্রিকেটাররা তাদের দাবিতে অনড়। তাদের দাবি, তাকে কেবল কমিটি থেকে নয়, বরং পুরো বোর্ড থেকেই পদত্যাগ করতে হবে।

এই অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার মধ্যেই মিরপুর স্টেডিয়ামে মব হামলার ঘটনাটি ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। এর ফলে বিসিবি বাধ্য হয়ে চলতি বিপিএল আসরটি স্থগিত করার ঘোষণা দেয়। তবে শুধু অভ্যন্তরীণ কোন্দল নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশ ক্রিকেট এখন কোণঠাসা। আগামী ফেব্রুয়ারিতে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আইসিসির সঙ্গে বিসিবির দূরত্ব তৈরি হয়েছে। বোর্ড নিরাপত্তার অজুহাতে ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরানোর দাবি জানালেও আইসিসি তা নাকচ করে দিয়েছে, যা বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে অনিশ্চিত করে তুলেছে।

রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব পড়েছে ক্রিকেটীয় বাণিজ্যেও। ভারতের নামী স্পোর্টস কোম্পানিগুলো বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের সাথে তাদের দীর্ঘদিনের স্পনসরশিপ চুক্তি বাতিল বা স্থগিত করতে শুরু করেছে। একইসাথে আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া এবং বিপিএলের সম্প্রচার নিয়ে জটিলতা বাংলাদেশের ক্রিকেট অর্থনীতিকে আরও ভঙ্গুর করে তুলেছে। মাঠের ক্রিকেটে উদযাপনের বদলে এখন কেবলই অস্থিরতা আর হতাশা বিরাজ করছে, যা দেশের ক্রিকেট প্রেমীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

মেটিকুলাস ডিজাইনে আওয়ামী লীগ সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতায় বসেছিলেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। কিন্তু তার অদক্ষতা ও চরম দুর্নীতিতে দেশে এখন চরম নাজুক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইন-শৃঙ্খলা, অর্থনীতি, শিক্ষা, প্রশাসনসহ সবখানেই অস্থিরতা বিদ্যমান। এ অস্থিরতা পৌঁছে গেছে এখন ক্রিকেট মাঠেও। বাঙালির একসময়ের উদযাপনের ক্রিকেট এখন হতাশার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি এক নজিরবিহীন মোড় নিয়েছে, যখন মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে মব হামলার ঘটনা ঘটে এবং ক্রিকেটারদের বয়কটের মুখে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আজ ঢাকা পর্বের খেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ক্রিকেটারদের সংগঠন ‘কোয়াব’-এর ডাকে কোনো খেলোয়াড় মাঠে নামেননি। বিসিবি পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলামের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত। তিনি দাবি করেছিলেন যে, আন্তর্জাতিক ইভেন্টে ব্যর্থতার কারণে ক্রিকেটাররা কোনো আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য নন। তার এই বক্তব্যকে ‘চরম অপমানজনক’ আখ্যা দিয়ে লিটন দাসসহ জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটাররা একাট্টা হয়েছেন। বিসিবি পরিস্থিতি সামাল দিতে নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটি থেকে সরিয়ে দিলেও ক্রিকেটাররা তাদের দাবিতে অনড়। তাদের দাবি, তাকে কেবল কমিটি থেকে নয়, বরং পুরো বোর্ড থেকেই পদত্যাগ করতে হবে।

এই অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার মধ্যেই মিরপুর স্টেডিয়ামে মব হামলার ঘটনাটি ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। এর ফলে বিসিবি বাধ্য হয়ে চলতি বিপিএল আসরটি স্থগিত করার ঘোষণা দেয়। তবে শুধু অভ্যন্তরীণ কোন্দল নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশ ক্রিকেট এখন কোণঠাসা। আগামী ফেব্রুয়ারিতে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আইসিসির সঙ্গে বিসিবির দূরত্ব তৈরি হয়েছে। বোর্ড নিরাপত্তার অজুহাতে ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরানোর দাবি জানালেও আইসিসি তা নাকচ করে দিয়েছে, যা বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে অনিশ্চিত করে তুলেছে।

রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব পড়েছে ক্রিকেটীয় বাণিজ্যেও। ভারতের নামী স্পোর্টস কোম্পানিগুলো বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের সাথে তাদের দীর্ঘদিনের স্পনসরশিপ চুক্তি বাতিল বা স্থগিত করতে শুরু করেছে। একইসাথে আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া এবং বিপিএলের সম্প্রচার নিয়ে জটিলতা বাংলাদেশের ক্রিকেট অর্থনীতিকে আরও ভঙ্গুর করে তুলেছে। মাঠের ক্রিকেটে উদযাপনের বদলে এখন কেবলই অস্থিরতা আর হতাশা বিরাজ করছে, যা দেশের ক্রিকেট প্রেমীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ