Thursday, January 15, 2026

ভোটার দর্শক, রাজনীতি নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন নয়, ক্ষমতা ভাগাভাগির নগ্ন নাটক চলছে

বর্তমান বাস্তবতায় নির্বাচন আর গণতন্ত্রের কোনো উপাদান বহন করে না এটি এখন ক্ষমতা ভাগাভাগির একটি পরিকল্পিত ও নিয়ন্ত্রিত নাটক। ভোটের নামে যে প্রহসন মঞ্চস্থ করা হচ্ছে, তা জনগণের রায় নেওয়ার জন্য নয় বরং আগেই ঠিক করা রাজনৈতিক সমঝোতাকে বৈধতা দেওয়ার একটি কৌশল মাত্র। ইউনুস সরকারের অধীনে এই নির্বাচন জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন নয়, এটি ক্ষমতার অঙ্ক কষে সাজানো একটি পাতানো আয়োজন।

বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে সমঝোতার আলোচনা এই নাটকের পর্দা পুরোপুরি সরিয়ে দিয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে স্পষ্টভাবে বলা হচ্ছে আগেই আসন ভাগাভাগির ছক চূড়ান্ত, যেখানে বিএনপি জোট পাবে ১৮০টি আসন এবং জামায়াত জোট পাবে ১২০টি আসন। যদি ক্ষমতার ভাগ আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে, তাহলে নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনটাই বা কী? ভোট হোক বা না হোক, ফলাফল যখন একই, তখন জনগণের ভোটাধিকার একটি নির্মম উপহাসে পরিণত হয়।

এই ব্যবস্থায় ভোটার আর নাগরিক নয় সে শুধুই একজন দর্শক। তার কাজ ব্যালট বাক্সে কাগজ ফেলা, কিন্তু তার মতামতের কোনো মূল্য নেই। নির্বাচন নামক যে প্রক্রিয়াটি জনগণের ক্ষমতার প্রতীক ছিল, সেটিকে সচেতনভাবে খালি খোলসে পরিণত করা হয়েছে। এটি গণতন্ত্র নয় এটি ক্ষমতা পুনর্বণ্টনের একটি নিয়ন্ত্রিত স্কিম।

আরও ভয়াবহ বিষয় হলো, বড় রাজনৈতিক দলগুলোকে পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনের বাইরে রেখে, তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ না দিয়েই এই পাতানো নির্বাচন চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিযোগিতা ছাড়া নির্বাচন মানেই ভুয়া নির্বাচন। বিরোধী কণ্ঠ রোধ করে, একতরফা সমঝোতার মাধ্যমে যে ভোট আয়োজন করা হয়, তা জনগণের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা।

এই ধরনের পাতানো নির্বাচন রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য ভয়ংকর বার্তা বহন করে। মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করে যে ব্যালট বাক্সে কোনো পরিবর্তন আসে না, পরিবর্তন হয় কেবল বন্ধ দরজার ভেতর ক্ষমতার দরকষাকষিতে। এর ফলাফল হিসেবে গণতন্ত্র ভেঙে পড়ে, রাষ্ট্র দুর্বল হয়, আর রাজনীতি পরিণত হয় একটি নিয়ন্ত্রিত নাট্যশালায়।

ভোটের নামে এই প্রহসন যতদিন চলবে, ততদিন নির্বাচন থাকবে কিন্তু গণতন্ত্র থাকবে কেবল বইয়ের পাতায়।

বর্তমান বাস্তবতায় নির্বাচন আর গণতন্ত্রের কোনো উপাদান বহন করে না এটি এখন ক্ষমতা ভাগাভাগির একটি পরিকল্পিত ও নিয়ন্ত্রিত নাটক। ভোটের নামে যে প্রহসন মঞ্চস্থ করা হচ্ছে, তা জনগণের রায় নেওয়ার জন্য নয় বরং আগেই ঠিক করা রাজনৈতিক সমঝোতাকে বৈধতা দেওয়ার একটি কৌশল মাত্র। ইউনুস সরকারের অধীনে এই নির্বাচন জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন নয়, এটি ক্ষমতার অঙ্ক কষে সাজানো একটি পাতানো আয়োজন।

বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে সমঝোতার আলোচনা এই নাটকের পর্দা পুরোপুরি সরিয়ে দিয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে স্পষ্টভাবে বলা হচ্ছে আগেই আসন ভাগাভাগির ছক চূড়ান্ত, যেখানে বিএনপি জোট পাবে ১৮০টি আসন এবং জামায়াত জোট পাবে ১২০টি আসন। যদি ক্ষমতার ভাগ আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে, তাহলে নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনটাই বা কী? ভোট হোক বা না হোক, ফলাফল যখন একই, তখন জনগণের ভোটাধিকার একটি নির্মম উপহাসে পরিণত হয়।

এই ব্যবস্থায় ভোটার আর নাগরিক নয় সে শুধুই একজন দর্শক। তার কাজ ব্যালট বাক্সে কাগজ ফেলা, কিন্তু তার মতামতের কোনো মূল্য নেই। নির্বাচন নামক যে প্রক্রিয়াটি জনগণের ক্ষমতার প্রতীক ছিল, সেটিকে সচেতনভাবে খালি খোলসে পরিণত করা হয়েছে। এটি গণতন্ত্র নয় এটি ক্ষমতা পুনর্বণ্টনের একটি নিয়ন্ত্রিত স্কিম।

আরও ভয়াবহ বিষয় হলো, বড় রাজনৈতিক দলগুলোকে পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনের বাইরে রেখে, তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ না দিয়েই এই পাতানো নির্বাচন চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিযোগিতা ছাড়া নির্বাচন মানেই ভুয়া নির্বাচন। বিরোধী কণ্ঠ রোধ করে, একতরফা সমঝোতার মাধ্যমে যে ভোট আয়োজন করা হয়, তা জনগণের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা।

এই ধরনের পাতানো নির্বাচন রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য ভয়ংকর বার্তা বহন করে। মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করে যে ব্যালট বাক্সে কোনো পরিবর্তন আসে না, পরিবর্তন হয় কেবল বন্ধ দরজার ভেতর ক্ষমতার দরকষাকষিতে। এর ফলাফল হিসেবে গণতন্ত্র ভেঙে পড়ে, রাষ্ট্র দুর্বল হয়, আর রাজনীতি পরিণত হয় একটি নিয়ন্ত্রিত নাট্যশালায়।

ভোটের নামে এই প্রহসন যতদিন চলবে, ততদিন নির্বাচন থাকবে কিন্তু গণতন্ত্র থাকবে কেবল বইয়ের পাতায়।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ