Thursday, January 15, 2026

ইউনূস ম্যাজিকে এক সময়ের ‘উন্নয়ন মডেল’ বাংলাদেশ এখন অস্থিতিশীলতার উদাহরণ

এক সময়ের উদীয়মান অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে এক চরম অনিশ্চয়তা ও অস্থিতিশীলতার উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে দেশটির উন্নয়ন কৌশলকে কয়েক মাস আগেও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ বা বিশ্বখ্যাত অর্থনীতিবিদরা ‘মডেল’ হিসেবে বর্ণনা করতেন, নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সেই ভাবমূর্তিতে বড় ধরনের ধস নেমেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে মব কালচার, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা এখন প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য এক বিশেষ সতর্কবার্তায় পরিণত হয়েছে।

২০২৪ সালের মে মাসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ আক্ষেপ করে বলেছিলেন যে, এক সময়ের ‘বোঝা’ পূর্ব পাকিস্তান আজ রপ্তানিতে তাদের ছাড়িয়ে গেছে। কিন্তু সেই চিত্র এখন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ড. ইউনূস সরকারের অধীনে দেশে এক ধরনের নতুন কর্তৃত্ববাদী সংস্কৃতির জন্ম হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আন্দোলনের নাম দিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে জেন-জি বা ছাত্র সমন্বয়কদের অতি-তৎপরতা এবং প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে তাদের অযাচিত হস্তক্ষেপ সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। সমালোচকদের মতে, সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসা এই সরকারের ছত্রছায়ায় একদল তরুণ এখন ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে, যা দেশের আইনি ও প্রশাসনিক কাঠামোকে ভেঙে ফেলেছে।

বাংলাদেশের এই টালমাটাল পরিস্থিতির ঢেউ এখন আছড়ে পড়ছে হিমালয়কন্যা নেপালে। দেশটির বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান সুশীলা কারকি সম্প্রতি কাঠমান্ডুতে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থাকে ‘আকস্মিক ঝড়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি অত্যন্ত আক্ষেপের সঙ্গে বলেন যে, নেপালের তরুণ প্রজন্ম ও রাজনৈতিক দলগুলো বাংলাদেশের অস্থিতিশীলতাকে অনুসরণ করার চেষ্টা করছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। সুশীলা কারকি স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে নেপালকে কোনোভাবেই বাংলাদেশ হতে দেব না। আমরা বাংলাদেশ চাই না।”

নেপালের এই নারী প্রধানমন্ত্রী আক্ষেপ করে জানান, বাংলাদেশে তথাকথিত আন্দোলনের নামে যে অরাজকতা ও মব জাস্টিস চলছে, তার আঁচ নেপালেও পাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ জন তরুণ একেক রকম দাবি নিয়ে এসে সরকারকে গালিগালাজ করছে এবং কোথাও শান্তির পরিবেশ পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি মনে করেন, সরকার ছাড়ার হুমকি দিয়ে বা ক্রমাগত অপমান করে দেশকে উন্নয়নের পথে নেওয়া সম্ভব নয়। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে তিনি একটি নেতিবাচক উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে নিজ দেশের জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের ভেতরের পরিস্থিতি এখন আরও ভয়াবহ। ড. ইউনূস প্রশাসনের অধীনে বিচারহীনতার সংস্কৃতি জেঁকে বসেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলেও নিন্দিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, সরকার কেবল সংস্কারের গালভরা বুলি আওড়াচ্ছে, অথচ বাস্তবে মব কিলিং ও চাঁদাবাজি রোধে তারা ব্যর্থ। এক সময়ের ‘রোল মডেল’ বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের দিক থেকে নয়, বরং রাজনৈতিক অস্থিরতা আর সামাজিক নৈরাজ্যের এক উদাহরণ হিসেবে বিশ্ব দরবারে পরিচিতি পাচ্ছে, যা প্রতিবেশী দেশগুলোর শাসকদেরও ভাবিয়ে তুলছে।

এক সময়ের উদীয়মান অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে এক চরম অনিশ্চয়তা ও অস্থিতিশীলতার উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে দেশটির উন্নয়ন কৌশলকে কয়েক মাস আগেও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ বা বিশ্বখ্যাত অর্থনীতিবিদরা ‘মডেল’ হিসেবে বর্ণনা করতেন, নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সেই ভাবমূর্তিতে বড় ধরনের ধস নেমেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে মব কালচার, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা এখন প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য এক বিশেষ সতর্কবার্তায় পরিণত হয়েছে।

২০২৪ সালের মে মাসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ আক্ষেপ করে বলেছিলেন যে, এক সময়ের ‘বোঝা’ পূর্ব পাকিস্তান আজ রপ্তানিতে তাদের ছাড়িয়ে গেছে। কিন্তু সেই চিত্র এখন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ড. ইউনূস সরকারের অধীনে দেশে এক ধরনের নতুন কর্তৃত্ববাদী সংস্কৃতির জন্ম হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আন্দোলনের নাম দিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে জেন-জি বা ছাত্র সমন্বয়কদের অতি-তৎপরতা এবং প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে তাদের অযাচিত হস্তক্ষেপ সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। সমালোচকদের মতে, সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসা এই সরকারের ছত্রছায়ায় একদল তরুণ এখন ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে, যা দেশের আইনি ও প্রশাসনিক কাঠামোকে ভেঙে ফেলেছে।

বাংলাদেশের এই টালমাটাল পরিস্থিতির ঢেউ এখন আছড়ে পড়ছে হিমালয়কন্যা নেপালে। দেশটির বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান সুশীলা কারকি সম্প্রতি কাঠমান্ডুতে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থাকে ‘আকস্মিক ঝড়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি অত্যন্ত আক্ষেপের সঙ্গে বলেন যে, নেপালের তরুণ প্রজন্ম ও রাজনৈতিক দলগুলো বাংলাদেশের অস্থিতিশীলতাকে অনুসরণ করার চেষ্টা করছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। সুশীলা কারকি স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে নেপালকে কোনোভাবেই বাংলাদেশ হতে দেব না। আমরা বাংলাদেশ চাই না।”

নেপালের এই নারী প্রধানমন্ত্রী আক্ষেপ করে জানান, বাংলাদেশে তথাকথিত আন্দোলনের নামে যে অরাজকতা ও মব জাস্টিস চলছে, তার আঁচ নেপালেও পাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ জন তরুণ একেক রকম দাবি নিয়ে এসে সরকারকে গালিগালাজ করছে এবং কোথাও শান্তির পরিবেশ পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি মনে করেন, সরকার ছাড়ার হুমকি দিয়ে বা ক্রমাগত অপমান করে দেশকে উন্নয়নের পথে নেওয়া সম্ভব নয়। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে তিনি একটি নেতিবাচক উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে নিজ দেশের জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের ভেতরের পরিস্থিতি এখন আরও ভয়াবহ। ড. ইউনূস প্রশাসনের অধীনে বিচারহীনতার সংস্কৃতি জেঁকে বসেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলেও নিন্দিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, সরকার কেবল সংস্কারের গালভরা বুলি আওড়াচ্ছে, অথচ বাস্তবে মব কিলিং ও চাঁদাবাজি রোধে তারা ব্যর্থ। এক সময়ের ‘রোল মডেল’ বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের দিক থেকে নয়, বরং রাজনৈতিক অস্থিরতা আর সামাজিক নৈরাজ্যের এক উদাহরণ হিসেবে বিশ্ব দরবারে পরিচিতি পাচ্ছে, যা প্রতিবেশী দেশগুলোর শাসকদেরও ভাবিয়ে তুলছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ