Thursday, January 15, 2026

মায়ের ডাকের সমন্বয়ক গৃহিণী তুলির কাছে আলাদিনের চেরাগ!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও গুমের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সংগঠন মায়ের ডাকের সমন্বয়কারী সানজিদা ইসলাম তুলি পেশায় ‘গৃহিণী’। এই ভুয়া সংগঠনটির সমন্বয়কারীর প্রায় দুই কোটি ৩৪ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে। বার্ষিক আয় পাঁচ লাখ ৮৫ হাজার ৭৫০ টাকা।

আলোচিত এই প্রার্থীর মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা নির্বাচনী হলফনামা বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে। গত সোমবার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন সানজিদা ইসলাম তুলি।

হলফনামা অনুযায়ী, তুলির শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএসসি (টেক্সটাইল)। হলফনামায় বর্তমান পেশা হিসেবে গৃহিণী উল্লেখ করলেও তার আগের পেশা ছিল বেসরকারি চাকরি। তার নামে দণ্ডবিধির ২৯৫-এ ধারায় মামলা রয়েছে, যা পিবিআইয়ের তদন্তাধীন।

স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে তার মোট প্রায় দুই কোটি ৩৪ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে। তাঁর একটি অ্যাপার্টমেন্ট ও একটি গাড়ি আছে। কোনো কৃষিজমি নেই। সঞ্চয়পত্র থেকে বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন পাঁচ লাখ ৮৫ হাজার ৭৫০ টাকা। নির্ভরশীল হিসেবে স্বামীর বার্ষিক আয় ৮২ লাখ ৯৯ হাজার ৫২০ টাকা। নিজের কাছে নগদ আছে ৮৩ লাখ ৩১ হাজার ৬৬২ টাকা। স্বামীর কাছে আছে এক কোটি ৫৭ লাখ ৬৯ হাজার ৬৪১ টাকা এবং ব্যাংকে আছে ২০ লাখ ৫৪৭ টাকা।

এ ছাড়া উপহার হিসেবে পাওয়া তুলির নিজের ১০ ভরি ও স্বামীর ১০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। সর্বশেষ অর্থবছরে তিনি আয়কর দিয়েছেন ৮৮ হাজার ৫৭৫ টাকা। আয়কর রিটার্নে দেখানো সম্পদের পরিমাণ দুই কোটি ১৩ লাখ ৮৫ হাজার ৭৫০ টাকা। কোনো দায় ও ব্যাংক ঋণ নেই তার।

‘মায়ের ডাক’-এর মতো একটি সংগঠনের সমন্বয়কারী থেকে সরাসরি রাজনীতিতে এসে এত বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিকানা নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় এখন নানা মুখরোচক আলোচনা চলছে। ভোটারদের প্রশ্ন, একজন গৃহিণী হয়ে কীভাবে তিনি এত বিশাল অঙ্কের নগদ টাকা ও সম্পদের মালিক হলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও গুমের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সংগঠন মায়ের ডাকের সমন্বয়কারী সানজিদা ইসলাম তুলি পেশায় ‘গৃহিণী’। এই ভুয়া সংগঠনটির সমন্বয়কারীর প্রায় দুই কোটি ৩৪ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে। বার্ষিক আয় পাঁচ লাখ ৮৫ হাজার ৭৫০ টাকা।

আলোচিত এই প্রার্থীর মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা নির্বাচনী হলফনামা বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে। গত সোমবার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন সানজিদা ইসলাম তুলি।

হলফনামা অনুযায়ী, তুলির শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএসসি (টেক্সটাইল)। হলফনামায় বর্তমান পেশা হিসেবে গৃহিণী উল্লেখ করলেও তার আগের পেশা ছিল বেসরকারি চাকরি। তার নামে দণ্ডবিধির ২৯৫-এ ধারায় মামলা রয়েছে, যা পিবিআইয়ের তদন্তাধীন।

স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে তার মোট প্রায় দুই কোটি ৩৪ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে। তাঁর একটি অ্যাপার্টমেন্ট ও একটি গাড়ি আছে। কোনো কৃষিজমি নেই। সঞ্চয়পত্র থেকে বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন পাঁচ লাখ ৮৫ হাজার ৭৫০ টাকা। নির্ভরশীল হিসেবে স্বামীর বার্ষিক আয় ৮২ লাখ ৯৯ হাজার ৫২০ টাকা। নিজের কাছে নগদ আছে ৮৩ লাখ ৩১ হাজার ৬৬২ টাকা। স্বামীর কাছে আছে এক কোটি ৫৭ লাখ ৬৯ হাজার ৬৪১ টাকা এবং ব্যাংকে আছে ২০ লাখ ৫৪৭ টাকা।

এ ছাড়া উপহার হিসেবে পাওয়া তুলির নিজের ১০ ভরি ও স্বামীর ১০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। সর্বশেষ অর্থবছরে তিনি আয়কর দিয়েছেন ৮৮ হাজার ৫৭৫ টাকা। আয়কর রিটার্নে দেখানো সম্পদের পরিমাণ দুই কোটি ১৩ লাখ ৮৫ হাজার ৭৫০ টাকা। কোনো দায় ও ব্যাংক ঋণ নেই তার।

‘মায়ের ডাক’-এর মতো একটি সংগঠনের সমন্বয়কারী থেকে সরাসরি রাজনীতিতে এসে এত বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিকানা নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় এখন নানা মুখরোচক আলোচনা চলছে। ভোটারদের প্রশ্ন, একজন গৃহিণী হয়ে কীভাবে তিনি এত বিশাল অঙ্কের নগদ টাকা ও সম্পদের মালিক হলেন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ