Thursday, January 15, 2026

বাংলাদেশ এখন কার অস্ত্রাগার?

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একজন সেনা কর্মকর্তার বাড়ি থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উদ্ধার হয়েছে একটি সক্রিয় আর্টিলারি শেল। যে ধরনের মারণাস্ত্র যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া আর কোথাও থাকার কথা নয়, সেটা পড়ে আছে একটা গ্রামের বাড়িতে। পুলিশ এসেছে, সেনাবাহিনীকে খবর দেওয়া হয়েছে, লাউডস্পিকারে ঘোষণা দিয়ে এলাকাবাসীকে সতর্ক করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট এসে পৌঁছায়নি। আর এদিকে দেশের মানুষ অপেক্ষা করছে কখন এই শেলটা ফাটবে কিনা।

এই ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ভাবার কোনো সুযোগ নেই। গত কয়েক মাসে এ দেশে যত অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, তা কোনো স্বাভাবিক রাষ্ট্রের চিত্র নয়। এটা একটা অস্ত্রাগারের চিত্র। হাটে, মাঠে, ঘাটে, বাড়িতে, রাস্তায় পাওয়া যাচ্ছে গ্রেনেড, বোমা, যুদ্ধাস্ত্র। প্রতি সপ্তাহে পত্রিকায় এমন খবর ছাপা হচ্ছে। আর এসব ঘটছে ঠিক তখনই, যখন ক্ষমতায় বসে আছে একটা অনির্বাচিত, অবৈধ সরকার, যারা ২০২৪ সালের জুলাই মাসে দেশজুড়ে দাঙ্গা বাঁধিয়ে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করেছে।

এই প্রশ্ন এড়ানোর উপায় নেই যে, এই অস্ত্রগুলো এলো কোথা থেকে? জুলাই মাসে যারা রাস্তায় নেমেছিল, তারা কি শুধু ইট-পাটকেল নিয়ে নেমেছিল? নাকি তাদের হাতে ছিল আরও কিছু? সদ্য সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়া নিজেই বলেছিলেন, ৫ আগস্ট যদি সরকার না পড়ত, তাহলে তারা সম্মুখ যুদ্ধে নামার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। সম্মুখ যুদ্ধ মানে কী? লাঠিসোটা নিয়ে যুদ্ধ? নাকি অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ?

আসিফ সাহেব সেদিন বলেছিলেন তারা প্রস্তুত ছিলেন। প্রস্তুতি মানে কী? প্রস্তুতি মানে হাতে অস্ত্র থাকা। কিন্তু কোথা থেকে এলো সেই অস্ত্র? কে দিয়েছিল? কোন সূত্রে সংগ্রহ করা হয়েছিল সেসব? এসব প্রশ্নের উত্তর আসিফ সাহেব দেননি। দেওয়ার প্রয়োজনও মনে করেননি। কারণ এখন তিনি ক্ষমতায়। ক্ষমতায় থাকলে জবাবদিহিতার দরকার পড়ে না।

এখন প্রশ্ন হলো, যেসব অস্ত্র এখন হাটে-মাঠে-ঘাটে পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো কি সেই জমানো অস্ত্রাগারেরই অংশ? কুষ্টিয়ায় যে আর্টিলারি শেল পাওয়া গেছে, সেটা কোনো সাধারণ জিনিস নয়। এটা যুদ্ধাস্ত্র। এটা দিয়ে মানুষ মারা হয়, শত্রুপক্ষকে ধ্বংস করা হয়। এমন জিনিস পড়ে থাকে কীভাবে একটা বেসামরিক এলাকায়? এর জবাব কে দেবে?

যে সরকার বিদেশি রাষ্ট্রের টাকায়, ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের সহায়তায় এবং সামরিক বাহিনীর সমর্থনে ক্যু করে ক্ষমতা দখল করেছে, সেই সরকারের আমলে এই অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা বাড়ছে কেন? তারা কি নিজেরাই জানে না এসব অস্ত্র কোথা থেকে এসেছে? নাকি জেনেও চুপ থাকছে? নোবেল বিজয়ী মহাজন ইউনুস এবং তার অসরকারি সরকার কি এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারবে?

দেশ এখন একটা বারুদের গুদাম। যেকোনো সময় যেকোনো জায়গায় বিস্ফোরণ হতে পারে। এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে কারা? যারা দাঙ্গা বাঁধিয়ে ক্ষমতায় এসেছে, তাদের হাত কি পরিষ্কার? তারা কি দেশকে নিরাপদ করতে পারবে, যখন তারা নিজেরাই অস্ত্র জমা করে রেখেছিল সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য?

এই অবৈধ সরকারের কাছে জবাব চাই। দেশের মানুষ জানতে চায়, এই অস্ত্রগুলো এলো কোথা থেকে? কারা এনেছে? কেন এনেছে? আর এখন সেগুলো কোথায় আছে? যতদিন এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না মিলবে, ততদিন বাংলাদেশ একটা রাষ্ট্র নয়, একটা অস্ত্রাগার হয়েই থাকবে।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একজন সেনা কর্মকর্তার বাড়ি থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উদ্ধার হয়েছে একটি সক্রিয় আর্টিলারি শেল। যে ধরনের মারণাস্ত্র যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া আর কোথাও থাকার কথা নয়, সেটা পড়ে আছে একটা গ্রামের বাড়িতে। পুলিশ এসেছে, সেনাবাহিনীকে খবর দেওয়া হয়েছে, লাউডস্পিকারে ঘোষণা দিয়ে এলাকাবাসীকে সতর্ক করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট এসে পৌঁছায়নি। আর এদিকে দেশের মানুষ অপেক্ষা করছে কখন এই শেলটা ফাটবে কিনা।

এই ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ভাবার কোনো সুযোগ নেই। গত কয়েক মাসে এ দেশে যত অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, তা কোনো স্বাভাবিক রাষ্ট্রের চিত্র নয়। এটা একটা অস্ত্রাগারের চিত্র। হাটে, মাঠে, ঘাটে, বাড়িতে, রাস্তায় পাওয়া যাচ্ছে গ্রেনেড, বোমা, যুদ্ধাস্ত্র। প্রতি সপ্তাহে পত্রিকায় এমন খবর ছাপা হচ্ছে। আর এসব ঘটছে ঠিক তখনই, যখন ক্ষমতায় বসে আছে একটা অনির্বাচিত, অবৈধ সরকার, যারা ২০২৪ সালের জুলাই মাসে দেশজুড়ে দাঙ্গা বাঁধিয়ে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করেছে।

এই প্রশ্ন এড়ানোর উপায় নেই যে, এই অস্ত্রগুলো এলো কোথা থেকে? জুলাই মাসে যারা রাস্তায় নেমেছিল, তারা কি শুধু ইট-পাটকেল নিয়ে নেমেছিল? নাকি তাদের হাতে ছিল আরও কিছু? সদ্য সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়া নিজেই বলেছিলেন, ৫ আগস্ট যদি সরকার না পড়ত, তাহলে তারা সম্মুখ যুদ্ধে নামার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। সম্মুখ যুদ্ধ মানে কী? লাঠিসোটা নিয়ে যুদ্ধ? নাকি অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ?

আসিফ সাহেব সেদিন বলেছিলেন তারা প্রস্তুত ছিলেন। প্রস্তুতি মানে কী? প্রস্তুতি মানে হাতে অস্ত্র থাকা। কিন্তু কোথা থেকে এলো সেই অস্ত্র? কে দিয়েছিল? কোন সূত্রে সংগ্রহ করা হয়েছিল সেসব? এসব প্রশ্নের উত্তর আসিফ সাহেব দেননি। দেওয়ার প্রয়োজনও মনে করেননি। কারণ এখন তিনি ক্ষমতায়। ক্ষমতায় থাকলে জবাবদিহিতার দরকার পড়ে না।

এখন প্রশ্ন হলো, যেসব অস্ত্র এখন হাটে-মাঠে-ঘাটে পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো কি সেই জমানো অস্ত্রাগারেরই অংশ? কুষ্টিয়ায় যে আর্টিলারি শেল পাওয়া গেছে, সেটা কোনো সাধারণ জিনিস নয়। এটা যুদ্ধাস্ত্র। এটা দিয়ে মানুষ মারা হয়, শত্রুপক্ষকে ধ্বংস করা হয়। এমন জিনিস পড়ে থাকে কীভাবে একটা বেসামরিক এলাকায়? এর জবাব কে দেবে?

যে সরকার বিদেশি রাষ্ট্রের টাকায়, ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের সহায়তায় এবং সামরিক বাহিনীর সমর্থনে ক্যু করে ক্ষমতা দখল করেছে, সেই সরকারের আমলে এই অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা বাড়ছে কেন? তারা কি নিজেরাই জানে না এসব অস্ত্র কোথা থেকে এসেছে? নাকি জেনেও চুপ থাকছে? নোবেল বিজয়ী মহাজন ইউনুস এবং তার অসরকারি সরকার কি এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারবে?

দেশ এখন একটা বারুদের গুদাম। যেকোনো সময় যেকোনো জায়গায় বিস্ফোরণ হতে পারে। এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে কারা? যারা দাঙ্গা বাঁধিয়ে ক্ষমতায় এসেছে, তাদের হাত কি পরিষ্কার? তারা কি দেশকে নিরাপদ করতে পারবে, যখন তারা নিজেরাই অস্ত্র জমা করে রেখেছিল সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য?

এই অবৈধ সরকারের কাছে জবাব চাই। দেশের মানুষ জানতে চায়, এই অস্ত্রগুলো এলো কোথা থেকে? কারা এনেছে? কেন এনেছে? আর এখন সেগুলো কোথায় আছে? যতদিন এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না মিলবে, ততদিন বাংলাদেশ একটা রাষ্ট্র নয়, একটা অস্ত্রাগার হয়েই থাকবে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ