Thursday, January 15, 2026

বসুন্ধরায় আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যা : জুলাই দাঙ্গার ফসল এখন ঘরে ঘরে

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আইনজীবী নাঈম কিবরিয়ার নৃশংস হত্যাকাণ্ড আবারও প্রমাণ করল যে দেশ এখন কোথায় দাঁড়িয়ে আছে। একটা সামান্য গাড়ি-মোটরসাইকেলের ধাক্কা থেকে শুরু হয়ে একজন মানুষকে রাস্তায় পিটিয়ে মেরে ফেলার ঘটনা শুধু আইনশৃঙ্খলার অবনতি নয়, এটা পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রের ভেঙে পড়ার আলামত। আর এই ভাঙনের জন্য দায়ী যারা জুলাইয়ের দাঙ্গায় সওয়ার হয়ে ক্ষমতায় এসেছে, তাদের কথা না বললে এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত দায়ভার চিহ্নিত করা যাবে না।

নাঈম কিবরিয়া পাবনার একজন আইনজীবী ছিলেন। জুলাই দাঙ্গার পর তার বিরুদ্ধে একটা মামলা হয়েছিল, সেই মামলায় জামিন নিতে ঢাকা এসেছিলেন। হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়া একজন মানুষকে রাজধানীর অভিজাত এলাকায় রাস্তায় পিটিয়ে মারা হলো, আর পুলিশ পারল শুধু লাশটা তুলে নিয়ে যেতে। হামলাকারীরা কারা? কোথায় গেল তারা? কেন এত দ্রুত একদল যুবক জড়ো হয়ে একজন মানুষকে হত্যা করার সাহস পেল? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজলেই বেরিয়ে আসবে মুহাম্মদ ইউনূস আর তার তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার চিত্র।

জুলাইয়ের সেই দাঙ্গা যখন শুরু হয়েছিল, তখন অনেকেই বলেছিল এটা ছাত্র আন্দোলন। কিন্তু এখন স্পষ্ট যে এটা ছিল সুপরিকল্পিত একটা অভ্যুত্থান, যেখানে বিদেশি অর্থায়ন ছিল, ইসলামী জঙ্গি গোষ্ঠীর সহায়তা ছিল, আর সামরিক বাহিনীর একাংশের সমর্থন ছিল। একটা নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় বসানো হয়েছিল মুহাম্মদ ইউনূসকে, যিনি নিজেকে ‘চিফ অ্যাডভাইজার’ বলে পরিচয় দেন কিন্তু আসলে একজন অবৈধ ক্ষমতাসীন। তার হাতে কোনো নির্বাচনী ম্যান্ডেট নেই, জনগণের ভোট নেই, আছে শুধু বন্দুকের জোর আর বিদেশি প্রভুদের আশীর্বাদ।

এই অবৈধ সরকারের আমলে রাস্তায় নেমেছে অরাজকতা। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও হত্যা হচ্ছে, ছিনতাই হচ্ছে, মারামারি হচ্ছে। পুলিশ বাহিনী যেন পঙ্গু হয়ে গেছে। কারণ তারা জানে না এখন তাদের আসল মালিক কে। নির্বাচিত সরকারের আমলে অন্তত একটা দায়বদ্ধতা ছিল, একটা নির্দেশনা ছিল। কিন্তু এখন? এখন যেন সবাই নিজের মতো চলছে। একদল মোটরসাইকেল চালক রাস্তায় একজন মানুষকে পিটিয়ে মারতে পারে, আর কেউ তাদের আটকায় না। এটাই হচ্ছে ইউনূসের সুশাসন? এটাই সেই গণতন্ত্র যার জন্য জুলাইয়ে রক্ত ঝরল?

নাঈমের পরিবার জানিয়েছে যে তার বিরুদ্ধে জুলাই দাঙ্গা সংক্রান্ত একটা মামলা ছিল। এর মানে কি? এর মানে হলো তিনি হয়তো সেই দাঙ্গার বিরোধিতা করেছিলেন, বা তিনি পুরনো সরকারের সমর্থক ছিলেন। এখন প্রশ্ন হলো, তার হত্যাকাণ্ড কি সত্যিই রাস্তায় একটা সাধারণ সংঘর্ষের ফল? নাকি এটা ছিল পরিকল্পিত? ইউনূস সরকারের আমলে যেভাবে পুরনো সরকারের সমর্থকদের উপর হামলা হচ্ছে, মামলা হচ্ছে, হয়রানি করা হচ্ছে, সেই প্রেক্ষাপটে এই হত্যাকাণ্ডকে কি সাধারণ ঘটনা বলা যায়?

মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে সুদের ব্যবসা করে বিখ্যাত হয়েছিলেন। দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা নিয়ে তিনি নোবেল পেয়েছেন। আর এখন দেশের শাসক হয়ে বসে আছেন। তার সরকারের কোনো বৈধতা নেই, কোনো নির্বাচন নেই, কোনো জবাবদিহিতা নেই। তার উপদেষ্টা পরিষদে আছে নানা পটভূমির মানুষ, কিন্তু তাদের কারোর হাতেই নেই জনগণের ভোট। তারা ক্ষমতায় এসেছে রক্তের মধ্য দিয়ে, আর ক্ষমতায় টিকে আছে বন্দুকের জোরে।

জুলাইয়ের ঘটনায় যারা মারা গেছে, তাদের জন্য বিচার চাওয়া হচ্ছে। কিন্তু নাঈম কিবরিয়ার জন্য কে বিচার চাইবে? তার হত্যাকারীরা কি ধরা পড়বে? নাকি এই মামলাটাও ফাইলবন্দি হয়ে থাকবে? ইউনূস সরকারের আমলে বিচার ব্যবস্থা এমনিতেই প্রশ্নবিদ্ধ। যেসব বিচারক পুরনো সরকারের আমলে কাজ করেছেন, তাদের অনেকের বিরুদ্ধে এখন নানা অভিযোগ তোলা হচ্ছে। আইনজীবীদের উপরেও চাপ দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নাঈমের মতো একজন আইনজীবীর হত্যাকাণ্ড কতটা গুরুত্ব পাবে?

বসুন্ধরা ঢাকার সবচেয়ে নিরাপদ এলাকা বলে পরিচিত ছিল। সেখানে নিরাপত্তা রক্ষী আছে, গেট আছে, ক্যামেরা আছে। তারপরেও সেখানে একজন মানুষকে পিটিয়ে মারা হলো, আর হামলাকারীরা পালিয়ে গেল। এর মানে হলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে অভিজাত এলাকাতেও কেউ নিরাপদ নয়। আর এই দায় কার? এই দায় সেই অবৈধ সরকারের, যারা জনগণের ভোট ছাড়া ক্ষমতায় বসে আছে।

মুহাম্মদ ইউনূস আর তার সরকার মনে করে তারা দেশকে সংস্কার করবে। কিন্তু কীভাবে? রাস্তায় মানুষ পিটিয়ে মরছে, আর তারা বসে আছে উপদেষ্টা বৈঠক করে। সামরিক বাহিনীর সহায়তায় ক্ষমতায় এসে তারা মনে করে জনগণ তাদের মেনে নেবে। কিন্তু জনগণ দেখছে। দেখছে যে নাঈমের মতো মানুষ মারা যাচ্ছে, আর কেউ কিছু করছে না। দেখছে যে বিচার নেই, আইন নেই, নিরাপত্তা নেই।

এই সরকার যত দিন থাকবে, এই রকম ঘটনা বাড়তেই থাকবে। কারণ একটা অবৈধ সরকার কখনো জনগণের আস্থা পায় না, আর আস্থাহীন সরকার কখনো আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। নাঈম কিবরিয়ার হত্যা শুধু একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটা একটা সংকেত যে দেশ কোন দিকে যাচ্ছে। আর এই দিক থেকে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব জনগণের হাতে। নির্বাচন ছাড়া, ভোট ছাড়া, জনগণের রায় ছাড়া কোনো সরকারের বৈধতা থাকে না। ইউনূস আর তার সরকার যত দিন ক্ষমতায় থাকবে, নাঈমের মতো আরও মানুষ মরবে, আর দেশ আরও গভীর অন্ধকারে ডুবে যাবে।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আইনজীবী নাঈম কিবরিয়ার নৃশংস হত্যাকাণ্ড আবারও প্রমাণ করল যে দেশ এখন কোথায় দাঁড়িয়ে আছে। একটা সামান্য গাড়ি-মোটরসাইকেলের ধাক্কা থেকে শুরু হয়ে একজন মানুষকে রাস্তায় পিটিয়ে মেরে ফেলার ঘটনা শুধু আইনশৃঙ্খলার অবনতি নয়, এটা পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রের ভেঙে পড়ার আলামত। আর এই ভাঙনের জন্য দায়ী যারা জুলাইয়ের দাঙ্গায় সওয়ার হয়ে ক্ষমতায় এসেছে, তাদের কথা না বললে এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত দায়ভার চিহ্নিত করা যাবে না।

নাঈম কিবরিয়া পাবনার একজন আইনজীবী ছিলেন। জুলাই দাঙ্গার পর তার বিরুদ্ধে একটা মামলা হয়েছিল, সেই মামলায় জামিন নিতে ঢাকা এসেছিলেন। হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়া একজন মানুষকে রাজধানীর অভিজাত এলাকায় রাস্তায় পিটিয়ে মারা হলো, আর পুলিশ পারল শুধু লাশটা তুলে নিয়ে যেতে। হামলাকারীরা কারা? কোথায় গেল তারা? কেন এত দ্রুত একদল যুবক জড়ো হয়ে একজন মানুষকে হত্যা করার সাহস পেল? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজলেই বেরিয়ে আসবে মুহাম্মদ ইউনূস আর তার তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার চিত্র।

জুলাইয়ের সেই দাঙ্গা যখন শুরু হয়েছিল, তখন অনেকেই বলেছিল এটা ছাত্র আন্দোলন। কিন্তু এখন স্পষ্ট যে এটা ছিল সুপরিকল্পিত একটা অভ্যুত্থান, যেখানে বিদেশি অর্থায়ন ছিল, ইসলামী জঙ্গি গোষ্ঠীর সহায়তা ছিল, আর সামরিক বাহিনীর একাংশের সমর্থন ছিল। একটা নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় বসানো হয়েছিল মুহাম্মদ ইউনূসকে, যিনি নিজেকে ‘চিফ অ্যাডভাইজার’ বলে পরিচয় দেন কিন্তু আসলে একজন অবৈধ ক্ষমতাসীন। তার হাতে কোনো নির্বাচনী ম্যান্ডেট নেই, জনগণের ভোট নেই, আছে শুধু বন্দুকের জোর আর বিদেশি প্রভুদের আশীর্বাদ।

এই অবৈধ সরকারের আমলে রাস্তায় নেমেছে অরাজকতা। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও হত্যা হচ্ছে, ছিনতাই হচ্ছে, মারামারি হচ্ছে। পুলিশ বাহিনী যেন পঙ্গু হয়ে গেছে। কারণ তারা জানে না এখন তাদের আসল মালিক কে। নির্বাচিত সরকারের আমলে অন্তত একটা দায়বদ্ধতা ছিল, একটা নির্দেশনা ছিল। কিন্তু এখন? এখন যেন সবাই নিজের মতো চলছে। একদল মোটরসাইকেল চালক রাস্তায় একজন মানুষকে পিটিয়ে মারতে পারে, আর কেউ তাদের আটকায় না। এটাই হচ্ছে ইউনূসের সুশাসন? এটাই সেই গণতন্ত্র যার জন্য জুলাইয়ে রক্ত ঝরল?

নাঈমের পরিবার জানিয়েছে যে তার বিরুদ্ধে জুলাই দাঙ্গা সংক্রান্ত একটা মামলা ছিল। এর মানে কি? এর মানে হলো তিনি হয়তো সেই দাঙ্গার বিরোধিতা করেছিলেন, বা তিনি পুরনো সরকারের সমর্থক ছিলেন। এখন প্রশ্ন হলো, তার হত্যাকাণ্ড কি সত্যিই রাস্তায় একটা সাধারণ সংঘর্ষের ফল? নাকি এটা ছিল পরিকল্পিত? ইউনূস সরকারের আমলে যেভাবে পুরনো সরকারের সমর্থকদের উপর হামলা হচ্ছে, মামলা হচ্ছে, হয়রানি করা হচ্ছে, সেই প্রেক্ষাপটে এই হত্যাকাণ্ডকে কি সাধারণ ঘটনা বলা যায়?

মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে সুদের ব্যবসা করে বিখ্যাত হয়েছিলেন। দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা নিয়ে তিনি নোবেল পেয়েছেন। আর এখন দেশের শাসক হয়ে বসে আছেন। তার সরকারের কোনো বৈধতা নেই, কোনো নির্বাচন নেই, কোনো জবাবদিহিতা নেই। তার উপদেষ্টা পরিষদে আছে নানা পটভূমির মানুষ, কিন্তু তাদের কারোর হাতেই নেই জনগণের ভোট। তারা ক্ষমতায় এসেছে রক্তের মধ্য দিয়ে, আর ক্ষমতায় টিকে আছে বন্দুকের জোরে।

জুলাইয়ের ঘটনায় যারা মারা গেছে, তাদের জন্য বিচার চাওয়া হচ্ছে। কিন্তু নাঈম কিবরিয়ার জন্য কে বিচার চাইবে? তার হত্যাকারীরা কি ধরা পড়বে? নাকি এই মামলাটাও ফাইলবন্দি হয়ে থাকবে? ইউনূস সরকারের আমলে বিচার ব্যবস্থা এমনিতেই প্রশ্নবিদ্ধ। যেসব বিচারক পুরনো সরকারের আমলে কাজ করেছেন, তাদের অনেকের বিরুদ্ধে এখন নানা অভিযোগ তোলা হচ্ছে। আইনজীবীদের উপরেও চাপ দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নাঈমের মতো একজন আইনজীবীর হত্যাকাণ্ড কতটা গুরুত্ব পাবে?

বসুন্ধরা ঢাকার সবচেয়ে নিরাপদ এলাকা বলে পরিচিত ছিল। সেখানে নিরাপত্তা রক্ষী আছে, গেট আছে, ক্যামেরা আছে। তারপরেও সেখানে একজন মানুষকে পিটিয়ে মারা হলো, আর হামলাকারীরা পালিয়ে গেল। এর মানে হলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে অভিজাত এলাকাতেও কেউ নিরাপদ নয়। আর এই দায় কার? এই দায় সেই অবৈধ সরকারের, যারা জনগণের ভোট ছাড়া ক্ষমতায় বসে আছে।

মুহাম্মদ ইউনূস আর তার সরকার মনে করে তারা দেশকে সংস্কার করবে। কিন্তু কীভাবে? রাস্তায় মানুষ পিটিয়ে মরছে, আর তারা বসে আছে উপদেষ্টা বৈঠক করে। সামরিক বাহিনীর সহায়তায় ক্ষমতায় এসে তারা মনে করে জনগণ তাদের মেনে নেবে। কিন্তু জনগণ দেখছে। দেখছে যে নাঈমের মতো মানুষ মারা যাচ্ছে, আর কেউ কিছু করছে না। দেখছে যে বিচার নেই, আইন নেই, নিরাপত্তা নেই।

এই সরকার যত দিন থাকবে, এই রকম ঘটনা বাড়তেই থাকবে। কারণ একটা অবৈধ সরকার কখনো জনগণের আস্থা পায় না, আর আস্থাহীন সরকার কখনো আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। নাঈম কিবরিয়ার হত্যা শুধু একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটা একটা সংকেত যে দেশ কোন দিকে যাচ্ছে। আর এই দিক থেকে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব জনগণের হাতে। নির্বাচন ছাড়া, ভোট ছাড়া, জনগণের রায় ছাড়া কোনো সরকারের বৈধতা থাকে না। ইউনূস আর তার সরকার যত দিন ক্ষমতায় থাকবে, নাঈমের মতো আরও মানুষ মরবে, আর দেশ আরও গভীর অন্ধকারে ডুবে যাবে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ