Thursday, January 15, 2026

খালেদা জিয়ার মৃত্যুকে ঘিরে মব উসকে দেওয়ার পরিকল্পনা ইউনূসের, উদ্দেশ্য ভোট বানচাল!

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আবারও দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোট বানচাল করতে উঠেপড়ে লেগেছেন তিনি। ভোট যত ঘনিয়ে আসছে ততোই দেশে একের পর এক ঘটছে সহিংস কর্মকাণ্ড। উদ্দেশ্য একটাই নির্বাচন বানচাল করা।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে মারা যান বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এরপর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ইউনূস বলেন, এই শোকাবহ মুহূর্তে আপনাদের প্রতি আমার উদাত্ত আহ্বান, আসুন আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে মহান আল্লাহর দরবারে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। একইসঙ্গে জাতির এই কঠিন সময়ে আমরা যেন ঐক্যবদ্ধ থাকি।

শোকের এই সময়ে কেউ যেন অস্থিতিশীলতা বা নাশকতার অপচেষ্টা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে আমি সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। এই সময়ে আমাদের সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা অত্যন্ত জরুরি। অর্থাৎ খালেদা জিয়ার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আবারও দেশের কালো শক্তিকে উসকে দিতে চান তিনি।

এর আগেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির মৃত্যুর পর বাংলাদেশে দুটি সংবাদমাধ্যমে আগুন দেওয়া হয়। ওই ঘটনার আগেও জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন ইউনূস।

এদিকে ইউনূসের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও খালেদা জিয়ার মৃত্যুর জন্য শেখ হাসিনা দায়ী বলে পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চাইছেন। তবে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় দুজনই খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছেন।

সাধারণত দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে যে তীব্র বাকযুদ্ধ দেখা যায়, জয়ের এই স্ট্যাটাস ছিল তার সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের সাফল্যের স্বীকৃতি দিয়ে লিখেছেন, “অতীতের নানা বিরাজনীতিকরণ প্রক্রিয়ার শিকার হওয়া সত্ত্বেও, নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি অসংখ্য সাফল্য অর্জন করেছেন এবং দেশের জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণ করেছেন।”

তিনি আরও যোগ করেন, “জাতি গঠনে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে; তবে তাঁর মৃত্যু বর্তমানে বাংলাদেশকে স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টায় একটি বড় ধাক্কা।”

সজীব ওয়াজেদ জয়ের এই স্ট্যাটাসটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও একজন প্রবীণ নেত্রীর মৃত্যুতে এমন গঠনমূলক ও শ্রদ্ধাশীল মন্তব্য করায় দল-মত নির্বিশেষে অনেকেই জয়ের প্রশংসা করছেন।

নেটিজেনদের অনেকেই মন্তব্যের ঘরে লিখেছেন, এটি সুস্থ রাজনীতির চর্চা। কেউ কেউ উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বিরল। জয়ের এই বক্তব্যকে ‘রাজনৈতিক পরিপক্কতা’ হিসেবেও অভিহিত করেছেন অনেকে। বিশেষ করে খালেদা জিয়ার অবদানকে স্বীকার করা এবং তাঁর মৃত্যুকে দেশের স্থিতিশীলতার জন্য ‘ধাক্কা’ হিসেবে উল্লেখ করার বিষয়টি সাধারণ মানুষকে স্পর্শ করেছে।

স্ট্যাটাসের শেষে খালেদা জিয়ার অনুসারীদের প্রতিও সহমর্মিতা জানিয়ে জয় লিখেছেন, “তাঁর অসংখ্য সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি রইল আন্তরিক সমবেদনা।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সজীব ওয়াজেদ জয়ের এই বার্তাটি বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে একটি ঐক্যের বার্তা বহন করতে পারে এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ফিরিয়ে আনতে ভূমিকা রাখতে পারে।

নির্বাচন বানচালে নানা ষড়যন্ত্র

এরইমধ্যে নির্বাচন ঠেকাতে আমেরিকান পরিকল্পনায় ইউনূসের প্রিয় দল জামায়াত নির্বাচন বানচালের মিশন বাস্তবায়ন করতে নেমেছে। এই মিশনের অংশ হিসেবে এরইমধ্যে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগও রয়েছে।

কারণ বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উদ্বেগের পেছনে চীন একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র চায় বাংলাদেশ যেন তার ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির (আইপিএস) পক্ষে থাকে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিস্তৃত কৌশল, যার লক্ষ্য হচ্ছে পুরো অঞ্চলজুড়ে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করে চীনের প্রভাব মোকাবিলা করা।

ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি একটি নীলনকশার অংশ, যার লক্ষ্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তাদের আধিপত্য বিস্তার।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মিয়ানমারে চীন-সমর্থিত গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কৌশলগত অবস্থান নিতে সক্রিয় হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট, মানবিক করিডোর, এবং চট্টগ্রাম বন্দর—সব মিলে এই অঞ্চলটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে একটি “খ্রিস্টান রাজ্য” গঠনের ষড়যন্ত্রের আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন অনেকে, যা পূর্ব তিমুরের ঘটনার সাথে তুলনা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগেও সতর্ক করে বলেছিলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের কিছু অংশ নিয়ে এমন একটি রাষ্ট্র গঠনের ষড়যন্ত্র চলছে এবং এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা বাংলাদেশে একটি এয়ার বেজ স্থাপনের মাধ্যমেও এসেছে।

একাধিক সূত্র ও বিশ্লেষকের মতে, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এই ষড়যন্ত্রে “প্রক্সি নেতা” হিসেবে ব্যবহার করছে আমেরিকা। তাকে জাতিসংঘ মহাসচিব করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষায় ব্যবহৃত হচ্ছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মিয়ানমারের বিদ্রোহীদের সহায়তা, চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পে বাধা এবং বাংলাদেশে অস্থিরতা সৃষ্টির মতো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তে একটি গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে দেশের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আবারও দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোট বানচাল করতে উঠেপড়ে লেগেছেন তিনি। ভোট যত ঘনিয়ে আসছে ততোই দেশে একের পর এক ঘটছে সহিংস কর্মকাণ্ড। উদ্দেশ্য একটাই নির্বাচন বানচাল করা।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে মারা যান বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এরপর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ইউনূস বলেন, এই শোকাবহ মুহূর্তে আপনাদের প্রতি আমার উদাত্ত আহ্বান, আসুন আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে মহান আল্লাহর দরবারে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। একইসঙ্গে জাতির এই কঠিন সময়ে আমরা যেন ঐক্যবদ্ধ থাকি।

শোকের এই সময়ে কেউ যেন অস্থিতিশীলতা বা নাশকতার অপচেষ্টা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে আমি সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। এই সময়ে আমাদের সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা অত্যন্ত জরুরি। অর্থাৎ খালেদা জিয়ার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আবারও দেশের কালো শক্তিকে উসকে দিতে চান তিনি।

এর আগেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির মৃত্যুর পর বাংলাদেশে দুটি সংবাদমাধ্যমে আগুন দেওয়া হয়। ওই ঘটনার আগেও জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন ইউনূস।

এদিকে ইউনূসের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও খালেদা জিয়ার মৃত্যুর জন্য শেখ হাসিনা দায়ী বলে পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চাইছেন। তবে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় দুজনই খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছেন।

সাধারণত দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে যে তীব্র বাকযুদ্ধ দেখা যায়, জয়ের এই স্ট্যাটাস ছিল তার সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের সাফল্যের স্বীকৃতি দিয়ে লিখেছেন, “অতীতের নানা বিরাজনীতিকরণ প্রক্রিয়ার শিকার হওয়া সত্ত্বেও, নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি অসংখ্য সাফল্য অর্জন করেছেন এবং দেশের জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণ করেছেন।”

তিনি আরও যোগ করেন, “জাতি গঠনে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে; তবে তাঁর মৃত্যু বর্তমানে বাংলাদেশকে স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টায় একটি বড় ধাক্কা।”

সজীব ওয়াজেদ জয়ের এই স্ট্যাটাসটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও একজন প্রবীণ নেত্রীর মৃত্যুতে এমন গঠনমূলক ও শ্রদ্ধাশীল মন্তব্য করায় দল-মত নির্বিশেষে অনেকেই জয়ের প্রশংসা করছেন।

নেটিজেনদের অনেকেই মন্তব্যের ঘরে লিখেছেন, এটি সুস্থ রাজনীতির চর্চা। কেউ কেউ উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বিরল। জয়ের এই বক্তব্যকে ‘রাজনৈতিক পরিপক্কতা’ হিসেবেও অভিহিত করেছেন অনেকে। বিশেষ করে খালেদা জিয়ার অবদানকে স্বীকার করা এবং তাঁর মৃত্যুকে দেশের স্থিতিশীলতার জন্য ‘ধাক্কা’ হিসেবে উল্লেখ করার বিষয়টি সাধারণ মানুষকে স্পর্শ করেছে।

স্ট্যাটাসের শেষে খালেদা জিয়ার অনুসারীদের প্রতিও সহমর্মিতা জানিয়ে জয় লিখেছেন, “তাঁর অসংখ্য সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি রইল আন্তরিক সমবেদনা।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সজীব ওয়াজেদ জয়ের এই বার্তাটি বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে একটি ঐক্যের বার্তা বহন করতে পারে এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ফিরিয়ে আনতে ভূমিকা রাখতে পারে।

নির্বাচন বানচালে নানা ষড়যন্ত্র

এরইমধ্যে নির্বাচন ঠেকাতে আমেরিকান পরিকল্পনায় ইউনূসের প্রিয় দল জামায়াত নির্বাচন বানচালের মিশন বাস্তবায়ন করতে নেমেছে। এই মিশনের অংশ হিসেবে এরইমধ্যে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগও রয়েছে।

কারণ বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উদ্বেগের পেছনে চীন একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র চায় বাংলাদেশ যেন তার ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির (আইপিএস) পক্ষে থাকে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিস্তৃত কৌশল, যার লক্ষ্য হচ্ছে পুরো অঞ্চলজুড়ে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করে চীনের প্রভাব মোকাবিলা করা।

ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি একটি নীলনকশার অংশ, যার লক্ষ্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তাদের আধিপত্য বিস্তার।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মিয়ানমারে চীন-সমর্থিত গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কৌশলগত অবস্থান নিতে সক্রিয় হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট, মানবিক করিডোর, এবং চট্টগ্রাম বন্দর—সব মিলে এই অঞ্চলটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে একটি “খ্রিস্টান রাজ্য” গঠনের ষড়যন্ত্রের আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন অনেকে, যা পূর্ব তিমুরের ঘটনার সাথে তুলনা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগেও সতর্ক করে বলেছিলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের কিছু অংশ নিয়ে এমন একটি রাষ্ট্র গঠনের ষড়যন্ত্র চলছে এবং এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা বাংলাদেশে একটি এয়ার বেজ স্থাপনের মাধ্যমেও এসেছে।

একাধিক সূত্র ও বিশ্লেষকের মতে, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এই ষড়যন্ত্রে “প্রক্সি নেতা” হিসেবে ব্যবহার করছে আমেরিকা। তাকে জাতিসংঘ মহাসচিব করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষায় ব্যবহৃত হচ্ছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মিয়ানমারের বিদ্রোহীদের সহায়তা, চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পে বাধা এবং বাংলাদেশে অস্থিরতা সৃষ্টির মতো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তে একটি গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে দেশের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ