হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় একটি পুকুর থেকে কামদেব দাস নামে এক সংখ্যালঘু যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে । স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, নিহত কামদেব দাস কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তবুও কীভাবে তার মরদেহ পুকুরে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গেল—তা নিয়ে জনমনে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অবৈধ ইউনুস সরকারের শাসনামলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ধারাবাহিক হামলা, নির্যাতন ও রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে—রাষ্ট্র কি আদৌ তাদের নিরাপত্তা দিতে পারছে? নাকি এসব ঘটনা নীরব প্রশ্রয়েই ঘটে চলেছে?
এই মৃত্যু কেবল একজন ব্যক্তির নয়, এটি সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাহীন বাস্তবতার আরেকটি নির্মম উদাহরণ। পুকুরে ভাসমান লাশ, আর রাষ্ট্রের নীরবতা! অবৈধ ইউনুস সরকারের আমলে সংখ্যালঘু হত্যা যেন ‘রুটিন ঘটনা’। কামদেব দাসের মৃত্যু কি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি ধারাবাহিক নির্যাতনের আরেকটি অধ্যায়? এই নীরবতা নিজেই এক ভয়ংকর অপরাধ।

