Thursday, January 15, 2026

জুলাই আন্দোলন’ রাজনীতির নাম ভাঙিয়ে সুবিধাবাদের নগ্ন প্রদর্শনী

যে ‘জুলাই আন্দোলন’ একসময় বিপ্লবের বুলি আওড়াত, আজ তার তথাকথিত নেতারা দোকানে দোকানে ধর্না দিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন। দৃশ্যটা করুণ নয় দৃশ্যটা লজ্জাজনক। কারণ এটা কোনো রাজনৈতিক সংগ্রাম নয়, এটা হচ্ছে ব্যর্থতার পর প্রকাশ্যে দর কষাকষি।

রাজনীতি করতে পরিপক্কতা লাগে। কিন্তু রাস্তায় নেমে অন্যের লেখা স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী আগুন জ্বালানো, মানুষ খুন করা, যানবাহন পোড়ানো, আতঙ্ক ছড়ানো এসবের জন্য পরিপক্কতা নয়, লাগে কেবল নির্বিচার ব্যবহারযোগ্যতা। ‘জুলাই আন্দোলন’ ঠিক সেটাই ছিল একটি নিখুঁতভাবে ডিজাইন করা অরাজকতার প্রজেক্ট, যেখানে কিছু মুখকে সামনে রেখে বাকিদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

আজ সেই মুখগুলোই বাস্তব রাজনীতির ময়দানে এসে ধরা পড়ছে। জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে নীতি ব্যাখ্যা করার সাহস নেই, রাষ্ট্র পরিচালনার কোনো ধারণা নেই, দায় নেওয়ার মানসিকতা নেই। তাই রাজনীতির ময়দান ছেড়ে তারা আশ্রয় নিয়েছে দোকানের সামনে ধর্নায়—যেন রাজনীতি কোনো খুচরা পণ্যের বাজার, আর তারা বিক্রির জন্য সাজানো মাল।

আসল কথা হলো, এরা কেউ নেতা ছিল না, নেতা হতে শেখেওনি। এরা ছিল পরিস্থিতির সুবিধাভোগী, অস্থিরতার দালাল। আন্দোলনের সময় ক্যামেরার সামনে চিৎকার করাই ছিল এদের সর্বোচ্চ যোগ্যতা। কিন্তু ক্যামেরা সরে যেতেই, রাষ্ট্রের প্রশ্নের মুখে পড়তেই, এদের তথাকথিত নেতৃত্ব ফাঁপা বেলুনের মতো চুপসে গেছে।

রাজনীতি মানে কেবল শাসকের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো নয় রাজনীতি মানে জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে বলা “আমি দায়িত্ব নিতে পারি।” ‘জুলাই আন্দোলন’-এর নেতারা আজ সেটাই প্রমাণ করেছেন যে তারা দায়িত্ব নিতে নয়, বরং দায় এড়াতেই অভ্যস্ত। তাই তারা আজ জনগণের ভোট চায় না, চায় দোকানদারের সহানুভূতি।

এই আন্দোলন যদি আদর্শিক হতো, তাহলে তার নেতারা আজ নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি দিতেন। যদি গণতান্ত্রিক হতো, তাহলে তারা সহিংসতার দায় স্বীকার করতেন। কিন্তু যেহেতু এটা ছিল অন্যের মেটিকুলাস ডিজাইনে সাজানো এক অস্থায়ী বিশৃঙ্খলা, তাই এর নেতারাও অস্থায়ী পরিস্থিতি বদলাতেই তারা দিশেহারা।

ইতিহাসে এদের স্থান নেতা হিসেবে নয়। ইতিহাস এদের মনে রাখবে এক ধরনের ব্যবহৃত উপাদান হিসেবে যাদের কাজ ছিল রাস্তায় আগুন লাগানো, আর আগুন নিভে গেলে যাদের আর কোনো প্রয়োজন থাকেনি। রাজনীতি আগুন নয়, রাজনীতি আলো। আর আলো জ্বললেই বোঝা যায় কারা নেতা, আর কারা কেবল অন্ধকারে ব্যবহৃত হয়েছিল।

যে ‘জুলাই আন্দোলন’ একসময় বিপ্লবের বুলি আওড়াত, আজ তার তথাকথিত নেতারা দোকানে দোকানে ধর্না দিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন। দৃশ্যটা করুণ নয় দৃশ্যটা লজ্জাজনক। কারণ এটা কোনো রাজনৈতিক সংগ্রাম নয়, এটা হচ্ছে ব্যর্থতার পর প্রকাশ্যে দর কষাকষি।

রাজনীতি করতে পরিপক্কতা লাগে। কিন্তু রাস্তায় নেমে অন্যের লেখা স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী আগুন জ্বালানো, মানুষ খুন করা, যানবাহন পোড়ানো, আতঙ্ক ছড়ানো এসবের জন্য পরিপক্কতা নয়, লাগে কেবল নির্বিচার ব্যবহারযোগ্যতা। ‘জুলাই আন্দোলন’ ঠিক সেটাই ছিল একটি নিখুঁতভাবে ডিজাইন করা অরাজকতার প্রজেক্ট, যেখানে কিছু মুখকে সামনে রেখে বাকিদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

আজ সেই মুখগুলোই বাস্তব রাজনীতির ময়দানে এসে ধরা পড়ছে। জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে নীতি ব্যাখ্যা করার সাহস নেই, রাষ্ট্র পরিচালনার কোনো ধারণা নেই, দায় নেওয়ার মানসিকতা নেই। তাই রাজনীতির ময়দান ছেড়ে তারা আশ্রয় নিয়েছে দোকানের সামনে ধর্নায়—যেন রাজনীতি কোনো খুচরা পণ্যের বাজার, আর তারা বিক্রির জন্য সাজানো মাল।

আসল কথা হলো, এরা কেউ নেতা ছিল না, নেতা হতে শেখেওনি। এরা ছিল পরিস্থিতির সুবিধাভোগী, অস্থিরতার দালাল। আন্দোলনের সময় ক্যামেরার সামনে চিৎকার করাই ছিল এদের সর্বোচ্চ যোগ্যতা। কিন্তু ক্যামেরা সরে যেতেই, রাষ্ট্রের প্রশ্নের মুখে পড়তেই, এদের তথাকথিত নেতৃত্ব ফাঁপা বেলুনের মতো চুপসে গেছে।

রাজনীতি মানে কেবল শাসকের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো নয় রাজনীতি মানে জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে বলা “আমি দায়িত্ব নিতে পারি।” ‘জুলাই আন্দোলন’-এর নেতারা আজ সেটাই প্রমাণ করেছেন যে তারা দায়িত্ব নিতে নয়, বরং দায় এড়াতেই অভ্যস্ত। তাই তারা আজ জনগণের ভোট চায় না, চায় দোকানদারের সহানুভূতি।

এই আন্দোলন যদি আদর্শিক হতো, তাহলে তার নেতারা আজ নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি দিতেন। যদি গণতান্ত্রিক হতো, তাহলে তারা সহিংসতার দায় স্বীকার করতেন। কিন্তু যেহেতু এটা ছিল অন্যের মেটিকুলাস ডিজাইনে সাজানো এক অস্থায়ী বিশৃঙ্খলা, তাই এর নেতারাও অস্থায়ী পরিস্থিতি বদলাতেই তারা দিশেহারা।

ইতিহাসে এদের স্থান নেতা হিসেবে নয়। ইতিহাস এদের মনে রাখবে এক ধরনের ব্যবহৃত উপাদান হিসেবে যাদের কাজ ছিল রাস্তায় আগুন লাগানো, আর আগুন নিভে গেলে যাদের আর কোনো প্রয়োজন থাকেনি। রাজনীতি আগুন নয়, রাজনীতি আলো। আর আলো জ্বললেই বোঝা যায় কারা নেতা, আর কারা কেবল অন্ধকারে ব্যবহৃত হয়েছিল।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ