Thursday, January 15, 2026

রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধে উদ্বেগ, বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের আহ্বান যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের

বাংলাদেশে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচ প্রভাবশালী আইনপ্রণেতা। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে দেওয়া এক চিঠিতে তারা এই আহ্বান জানান।

হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন কংগ্রেসম্যান গ্রেগরি ডব্লিউ মিকস, বিল হুইজেঙ্গা, সিডনি কামলাগার-ডোভ, জুলি জনসন এবং টম আর সুওজি। চিঠিতে তারা বাংলাদেশে একটি বড় রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

চিঠিতে কোনো নির্দিষ্ট দলের নাম উল্লেখ না করা হলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত এবং ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে। আইনপ্রণেতারা বলেন, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা মৌলিক মানবাধিকার এবং ‘ব্যক্তিগত অপরাধের জন্য ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা’—এই নীতির পরিপন্থী। তারা সতর্ক করে বলেন, রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করলে ভোটারদের একটি বিশাল অংশ ভোটাধিকার বঞ্চিত হতে পারে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, “আমরা আশা করি, আপনার সরকার বা পরবর্তী নির্বাচিত সরকার এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে।”

২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ১,৪০০ মানুষের প্রাণহানির তথ্য সংবলিত জাতিসংঘের প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে কংগ্রেসম্যানরা বলেন, এসব অপরাধের প্রকৃত জবাবদিহি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। তবে সেই বিচার প্রক্রিয়া যেন প্রতিশোধের ধারাবাহিকতা না হয়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন হয়, সেদিকে নজর দেওয়ার তাগিদ দেন তারা।

তারা আরও বলেন, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনগুলো অন্তর্ভুক্তিমূলক না হওয়ায় সেগুলো অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে প্রতিযোগিতামূলক ও অংশগ্রহণমূলক করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন আইনপ্রণেতারা মনে করেন, নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর জনগণের আস্থা ফেরাতে সংস্কার জরুরি। তবে রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম স্থগিত করা বা ‘ত্রুটিপূর্ণ’ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম পরিচালনা এসব লক্ষ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে তারা সতর্ক করেছেন।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দলের নিবন্ধন স্থগিত করায় আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই মার্কিন আইনপ্রণেতারা নির্বাচনের সব পক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করার এই কূটনৈতিক আহ্বান জানালেন।

বাংলাদেশে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচ প্রভাবশালী আইনপ্রণেতা। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে দেওয়া এক চিঠিতে তারা এই আহ্বান জানান।

হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন কংগ্রেসম্যান গ্রেগরি ডব্লিউ মিকস, বিল হুইজেঙ্গা, সিডনি কামলাগার-ডোভ, জুলি জনসন এবং টম আর সুওজি। চিঠিতে তারা বাংলাদেশে একটি বড় রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

চিঠিতে কোনো নির্দিষ্ট দলের নাম উল্লেখ না করা হলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত এবং ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে। আইনপ্রণেতারা বলেন, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা মৌলিক মানবাধিকার এবং ‘ব্যক্তিগত অপরাধের জন্য ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা’—এই নীতির পরিপন্থী। তারা সতর্ক করে বলেন, রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করলে ভোটারদের একটি বিশাল অংশ ভোটাধিকার বঞ্চিত হতে পারে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, “আমরা আশা করি, আপনার সরকার বা পরবর্তী নির্বাচিত সরকার এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে।”

২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ১,৪০০ মানুষের প্রাণহানির তথ্য সংবলিত জাতিসংঘের প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে কংগ্রেসম্যানরা বলেন, এসব অপরাধের প্রকৃত জবাবদিহি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। তবে সেই বিচার প্রক্রিয়া যেন প্রতিশোধের ধারাবাহিকতা না হয়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন হয়, সেদিকে নজর দেওয়ার তাগিদ দেন তারা।

তারা আরও বলেন, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনগুলো অন্তর্ভুক্তিমূলক না হওয়ায় সেগুলো অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে প্রতিযোগিতামূলক ও অংশগ্রহণমূলক করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন আইনপ্রণেতারা মনে করেন, নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর জনগণের আস্থা ফেরাতে সংস্কার জরুরি। তবে রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম স্থগিত করা বা ‘ত্রুটিপূর্ণ’ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম পরিচালনা এসব লক্ষ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে তারা সতর্ক করেছেন।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দলের নিবন্ধন স্থগিত করায় আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই মার্কিন আইনপ্রণেতারা নির্বাচনের সব পক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করার এই কূটনৈতিক আহ্বান জানালেন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ