Thursday, January 15, 2026

আওয়ামী লীগ ভাঙার নেশায় এখন সারা দেশকেই আসামি বানিয়েছে অবৈধ জামাতি ইউনুস

‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’—নামটাই এখন প্রতারণা। বাস্তবে এটি কোনো অপরাধ দমন নয়; এটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরিকল্পিত রাজনৈতিক নিধন ও জনভীতি সৃষ্টির অভিযান। গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৫৯৭ জন গ্রেপ্তার প্রমাণ করে দিয়েছে—ইউনুস সরকারের কাছে আইনশৃঙ্খলা মানে গণগ্রেফতার।

দেশজুড়ে যে চিত্র দেখা যাচ্ছে, তাতে গ্রেপ্তারদের বড় অংশ সাধারণ মানুষ, আওয়ামী লীগের নিরীহ সমর্থক এবং আদালত থেকে জামিনে থাকা নেতাকর্মী। মামলা ছাড়াই তুলে নেওয়া, অভিযোগ ছাড়াই আটকে রাখা—এগুলো কোনো গণতন্ত্রে হয় না, হয় কেবল ফ্যাসিস্ট শাসনে।

অবৈধ, ভোটবিহীন জামাতি ইউনুস সরকার পুলিশ বাহিনীকে পরিণত করেছে রাজনৈতিক শিকারি দলে। তাদের একমাত্র এজেন্ডা স্পষ্ট—আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করা; জনগণকে ভয় দেখিয়ে নীরব করা; বিএনপি ও জামায়াতকে রাষ্ট্রক্ষমতায় পুনর্বাসন।

একটি পুরো দেশকে অপরাধী বানানোর এই সংস্কৃতি মানবাধিকার, সংবিধান ও আইনের শাসনের প্রকাশ্য হত্যা। এই অভিযান আর কোনোভাবেই নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়; এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, ক্ষমতার উন্মত্ততা ও জামাতি এজেন্ডার বাস্তবায়ন। ইউনুস সরকার প্রমাণ করেছে—তারা জনগণের নয়, তারা দমন-পীড়নের সরকার।

ইউনুস সরকার জনগণের সরকার নয়—এটি একটি জামাতি এজেন্ডাবাহী ফ্যাসিস্ট প্রশাসন, যারা গণতন্ত্র নয়, দমন-পীড়নের পথ বেছে নিয়েছে। আওয়ামী লীগ নিধনের নামে এখন সারা দেশের সাধারণ মানুষকেই টার্গেট করা হচ্ছে। বিএনপি–জামায়াত বসানোর জন্য দেশকে কারাগারে পরিণত করেছে অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকার।

‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’—নামটাই এখন প্রতারণা। বাস্তবে এটি কোনো অপরাধ দমন নয়; এটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরিকল্পিত রাজনৈতিক নিধন ও জনভীতি সৃষ্টির অভিযান। গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৫৯৭ জন গ্রেপ্তার প্রমাণ করে দিয়েছে—ইউনুস সরকারের কাছে আইনশৃঙ্খলা মানে গণগ্রেফতার।

দেশজুড়ে যে চিত্র দেখা যাচ্ছে, তাতে গ্রেপ্তারদের বড় অংশ সাধারণ মানুষ, আওয়ামী লীগের নিরীহ সমর্থক এবং আদালত থেকে জামিনে থাকা নেতাকর্মী। মামলা ছাড়াই তুলে নেওয়া, অভিযোগ ছাড়াই আটকে রাখা—এগুলো কোনো গণতন্ত্রে হয় না, হয় কেবল ফ্যাসিস্ট শাসনে।

অবৈধ, ভোটবিহীন জামাতি ইউনুস সরকার পুলিশ বাহিনীকে পরিণত করেছে রাজনৈতিক শিকারি দলে। তাদের একমাত্র এজেন্ডা স্পষ্ট—আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করা; জনগণকে ভয় দেখিয়ে নীরব করা; বিএনপি ও জামায়াতকে রাষ্ট্রক্ষমতায় পুনর্বাসন।

একটি পুরো দেশকে অপরাধী বানানোর এই সংস্কৃতি মানবাধিকার, সংবিধান ও আইনের শাসনের প্রকাশ্য হত্যা। এই অভিযান আর কোনোভাবেই নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়; এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, ক্ষমতার উন্মত্ততা ও জামাতি এজেন্ডার বাস্তবায়ন। ইউনুস সরকার প্রমাণ করেছে—তারা জনগণের নয়, তারা দমন-পীড়নের সরকার।

ইউনুস সরকার জনগণের সরকার নয়—এটি একটি জামাতি এজেন্ডাবাহী ফ্যাসিস্ট প্রশাসন, যারা গণতন্ত্র নয়, দমন-পীড়নের পথ বেছে নিয়েছে। আওয়ামী লীগ নিধনের নামে এখন সারা দেশের সাধারণ মানুষকেই টার্গেট করা হচ্ছে। বিএনপি–জামায়াত বসানোর জন্য দেশকে কারাগারে পরিণত করেছে অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকার।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ