Thursday, January 15, 2026

গ্রেপ্তার ১৭—আর বাকিদের জন্য কি আগুনের লাইসেন্স?

অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় জামাত–শিবিরের দেশজুড়ে আগুন সন্ত্রাস—আইন কি আজ বাছাই করা জায়গাতেই পড়ে?

দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় ১৭ জন গ্রেপ্তারের তথ্য দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। একই রাত ও একই সময়ের মধ্যে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধারাবাহিকভাবে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, হামলা ও হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। অথচ সেসব ঘটনায় গ্রেপ্তার, তদন্ত বা দৃশ্যমান আইনগত পদক্ষেপের খবর প্রায় নেই বললেই চলে।

অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের প্রত্যক্ষ–পরোক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় জামাত–শিবির সারা দেশে পরিকল্পিত আগুন সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য চালাচ্ছে। উদ্দেশ্য একটাই—ভয় তৈরি করে রাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে দেওয়া এবং বিরোধী কণ্ঠ দমন।

একই সময়ে ও পরবর্তী সময়ে যেসব স্থানে সহিংসতা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে— খুলনায় বিক্ষোভ ও চট্টগ্রামে ভারতের হাইকমিশনের কার্যালয় ও বাসভবনে হামলা, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে পুনরায় অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর; ছায়ানটের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ; কুষ্টিয়া, খুলনা ও রাজশাহীতে প্রথম আলো কার্যালয় ভাঙচুর; উত্তরায় ৩২টি দোকান ভাঙচুর ও এক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ; সিলেটে প্রথম আলোর কার্যালয় ভাঙচুর; ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে ময়মনসিংহে এক হিন্দু যুবককে গাছে ঝুলিয়ে পিটিয়ে হত্যা; চট্টগ্রামে প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর বাসভবনে পুনরায় অগ্নিসংযোগ; সাবেক মন্ত্রী বীর বাহাদুরের বাড়িতে আগুন; নিউ এজ সম্পাদক নুরুল কবীরের ওপর হামলা; রাজশাহীতে আওয়ামী লীগ কার্যালয় গুঁড়িয়ে দেওয়া; উদিচিতে হামলা।

এই ঘটনাপ্রবাহ স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে—এটি কোনো বিচ্ছিন্ন সহিংসতা নয়, বরং সমন্বিত আগুন সন্ত্রাসের নীলনকশা। এই দ্বিমুখী আইনপ্রয়োগই অপরাধীদের আরও বেপরোয়া করে তুলছে। রাষ্ট্র যদি এখনই নিরপেক্ষ ও কঠোর অবস্থান না নেয়, তবে আগুন, ভাঙচুর আর মব সন্ত্রাসই দেশের নতুন “স্বাভাবিক” হয়ে উঠবে।

আইনের শাসন যদি দলীয় পরিচয়ে ভাগ হয়, তবে রাষ্ট্র নিজেই আগুনের জ্বালানি হয়ে দাঁড়ায়।

অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় জামাত–শিবিরের দেশজুড়ে আগুন সন্ত্রাস—আইন কি আজ বাছাই করা জায়গাতেই পড়ে?

দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় ১৭ জন গ্রেপ্তারের তথ্য দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। একই রাত ও একই সময়ের মধ্যে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধারাবাহিকভাবে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, হামলা ও হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। অথচ সেসব ঘটনায় গ্রেপ্তার, তদন্ত বা দৃশ্যমান আইনগত পদক্ষেপের খবর প্রায় নেই বললেই চলে।

অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের প্রত্যক্ষ–পরোক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় জামাত–শিবির সারা দেশে পরিকল্পিত আগুন সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য চালাচ্ছে। উদ্দেশ্য একটাই—ভয় তৈরি করে রাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে দেওয়া এবং বিরোধী কণ্ঠ দমন।

একই সময়ে ও পরবর্তী সময়ে যেসব স্থানে সহিংসতা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে— খুলনায় বিক্ষোভ ও চট্টগ্রামে ভারতের হাইকমিশনের কার্যালয় ও বাসভবনে হামলা, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে পুনরায় অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর; ছায়ানটের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ; কুষ্টিয়া, খুলনা ও রাজশাহীতে প্রথম আলো কার্যালয় ভাঙচুর; উত্তরায় ৩২টি দোকান ভাঙচুর ও এক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ; সিলেটে প্রথম আলোর কার্যালয় ভাঙচুর; ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে ময়মনসিংহে এক হিন্দু যুবককে গাছে ঝুলিয়ে পিটিয়ে হত্যা; চট্টগ্রামে প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর বাসভবনে পুনরায় অগ্নিসংযোগ; সাবেক মন্ত্রী বীর বাহাদুরের বাড়িতে আগুন; নিউ এজ সম্পাদক নুরুল কবীরের ওপর হামলা; রাজশাহীতে আওয়ামী লীগ কার্যালয় গুঁড়িয়ে দেওয়া; উদিচিতে হামলা।

এই ঘটনাপ্রবাহ স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে—এটি কোনো বিচ্ছিন্ন সহিংসতা নয়, বরং সমন্বিত আগুন সন্ত্রাসের নীলনকশা। এই দ্বিমুখী আইনপ্রয়োগই অপরাধীদের আরও বেপরোয়া করে তুলছে। রাষ্ট্র যদি এখনই নিরপেক্ষ ও কঠোর অবস্থান না নেয়, তবে আগুন, ভাঙচুর আর মব সন্ত্রাসই দেশের নতুন “স্বাভাবিক” হয়ে উঠবে।

আইনের শাসন যদি দলীয় পরিচয়ে ভাগ হয়, তবে রাষ্ট্র নিজেই আগুনের জ্বালানি হয়ে দাঁড়ায়।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ