Monday, December 1, 2025

ইউনুসের অবৈধ সরকার দেশকে ঠেলে নিয়ে গেছে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের দিকে

গত বছর জুলাইয়ে যে তথাকথিত ছাত্র আন্দোলনের নামে সহিংস দাঙ্গা বাঁধিয়ে দেশের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়েছিল, তার পরিণতি এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিদেশি প্রভুদের ইশারায় এবং ইসলামি জঙ্গিদের সহায়তায় ক্ষমতা দখলকারী ইউনুসের নেতৃত্বাধীন এই অন্তর্বর্তী সরকার মাত্র কয়েক মাসে দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে। যে মানুষটি সুদের ব্যবসায় গরিবদের শোষণ করে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, তিনি এখন পুরো দেশের অর্থনীতিকে বন্ধকি রাখছেন বিদেশি স্বার্থের কাছে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার চীন এখন দূরত্ব বজায় রাখছে। কারণ পরিষ্কার। ইউনুস সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই আমেরিকার কোলে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। বোয়িং থেকে ২৫টি বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বসেছে, যেখানে দেশের বিমান বাহিনীর প্রকৃত চাহিদা কতটুকু, তা নিয়ে কোনো স্বচ্ছ আলোচনাই হয়নি। এই বিশাল অঙ্কের চুক্তি করা হয়েছে কোনো জনপ্রতিনিধি বা ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে আলাপ না করেই। একটি অস্থায়ী, অবৈধ সরকার যার কোনো গণভিত্তি নেই, তারা এমন দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি দেওয়ার অধিকার কোথা থেকে পেল?

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এতটাই খারাপ হয়েছে যে এখন চাল কিনতে হচ্ছে সিঙ্গাপুর থেকে বেশি দামে। পাশের দেশ থেকে সস্তায় কিনতে পারলে যেখানে সাধারণ মানুষের উপকার হতো, সেখানে এই সরকারের রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের মূল্য দিতে হচ্ছে দেশের গরিব মানুষকে। স্থলবন্দর দিয়ে বাণিজ্য প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু এই সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই, কারণ তাদের লক্ষ্য দেশের স্বার্থ রক্ষা নয়, বরং যারা তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছে তাদের খুশি করা।

এখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকেও হুমকি আসছে। আগে এয়ারবাস থেকে ১০টি বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতি ভুলে গিয়ে হঠাৎ করে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি করা হলো। জার্মান রাষ্ট্রদূত এখন খোলাখুলি বলছেন, এই সিদ্ধান্ত বদলালে বাংলাদেশের জিএসপি প্লাস সুবিধা বাতিল হতে পারে। যে ইউরোপীয় বাজার থেকে আমাদের তৈরি পোশাক রপ্তানির সিংহভাগ আসে, সেই বাজার হারানোর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে এই অদূরদর্শী সরকারের কারণে।

জাপান এখন দাবি করছে তাদের গাড়ি আমদানিতে শুল্ক কমাতে হবে। কারণ আমেরিকাকে যে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, তারাও সেটা চায়। চীন চাইছে এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও শুল্কসুবিধা অব্যাহত রাখার লিখিত নিশ্চয়তা, কিন্তু সেটাও পাচ্ছে না। কারণ এই সরকার চীনের চেয়ে আমেরিকার দিকে বেশি তাকিয়ে আছে। ফলে বাংলাদেশ আজ এমন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে যেখানে সবাই তার সুযোগ নিচ্ছে, কিন্তু কেউ তাকে পূর্ণ আস্থা দিচ্ছে না।

চট্টগ্রাম বন্দরের মতো কৌশলগত অবকাঠামো বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার চুক্তিও করা হয়েছে কোনো স্বচ্ছতা ছাড়াই। পানগাঁও টার্মিনালের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। এসব দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি যা আগামী দশকগুলোতে দেশের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করবে, সেগুলো করছে একটি অনির্বাচিত, অস্থায়ী সরকার যাদের কোনো জবাবদিহিতা নেই।

এই সুদখোর মহাজন যিনি ক্ষুদ্রঋণের নামে দেশের গরিব নারীদের কাছ থেকে চড়া সুদ আদায় করে বিত্তশালী হয়েছেন, তিনি এখন পুরো দেশকে বিদেশি শক্তির কাছে বন্ধক রাখছেন। যে সামরিক বাহিনী এই অবৈধ ক্ষমতা দখলে নীরব সমর্থন দিয়েছে, তারাও এখন দেখছে দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব কীভাবে খণ্ড খণ্ড হয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাবেক মহাপরিচালক এম কে মুজেরী যা বলেছেন তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সরাসরি বলেছেন যে এই সরকারের ভুল সিদ্ধান্তগুলোর দায় বহন করতে হবে পরবর্তী নির্বাচিত সরকারকে। অর্থাৎ যে সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবে, তাকে শুরু থেকেই মোকাবিলা করতে হবে এই অবৈধ শাসনের তৈরি করা জটিলতা।

বিদেশি রাষ্ট্রের অর্থায়নে, জঙ্গিদের সহিংসতায় এবং সামরিক বাহিনীর মদদে যে ক্যু ঘটানো হয়েছিল, তার আসল উদ্দেশ্য এখন পরিষ্কার। বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে দাঁড়াতে না দিয়ে তাকে বিভিন্ন পরাশক্তির মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার খেলা চলছে। এই অন্তর্বর্তী সরকার আসলে কোনো সরকারই নয়, বরং একটি ক্রীড়নক মাত্র যা বিদেশি স্বার্থ বাস্তবায়নের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।

দেশের অর্থনীতি আজ এমন সংকটে যেখান থেকে বেরিয়ে আসতে বছরের পর বছর লাগবে। বিশ্ববাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ছে প্রতিদিন। ব্যবসায়ীরা অনিশ্চয়তায় ভুগছেন, বিনিয়োগকারীরা পালাচ্ছেন, আর সাধারণ মানুষ দেখছে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে চলেছে। কিন্তু এই অবৈধ সরকারের কোনো পরোয়া নেই, কারণ তাদের জবাবদিহিতা জনগণের কাছে নয়, বরং যারা তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছে সেই বিদেশি প্রভুদের কাছে।

ইতিহাস এই বিশ্বাসঘাতকতার বিচার করবে। আর দেশের মানুষ মনে রাখবে কীভাবে একজন সুদখোর মহাজন এবং তার দোসররা মিলে দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি ধসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, ততদিনে দেশের কী অবস্থা হবে?

গত বছর জুলাইয়ে যে তথাকথিত ছাত্র আন্দোলনের নামে সহিংস দাঙ্গা বাঁধিয়ে দেশের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়েছিল, তার পরিণতি এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিদেশি প্রভুদের ইশারায় এবং ইসলামি জঙ্গিদের সহায়তায় ক্ষমতা দখলকারী ইউনুসের নেতৃত্বাধীন এই অন্তর্বর্তী সরকার মাত্র কয়েক মাসে দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে। যে মানুষটি সুদের ব্যবসায় গরিবদের শোষণ করে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, তিনি এখন পুরো দেশের অর্থনীতিকে বন্ধকি রাখছেন বিদেশি স্বার্থের কাছে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার চীন এখন দূরত্ব বজায় রাখছে। কারণ পরিষ্কার। ইউনুস সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই আমেরিকার কোলে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। বোয়িং থেকে ২৫টি বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বসেছে, যেখানে দেশের বিমান বাহিনীর প্রকৃত চাহিদা কতটুকু, তা নিয়ে কোনো স্বচ্ছ আলোচনাই হয়নি। এই বিশাল অঙ্কের চুক্তি করা হয়েছে কোনো জনপ্রতিনিধি বা ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে আলাপ না করেই। একটি অস্থায়ী, অবৈধ সরকার যার কোনো গণভিত্তি নেই, তারা এমন দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি দেওয়ার অধিকার কোথা থেকে পেল?

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এতটাই খারাপ হয়েছে যে এখন চাল কিনতে হচ্ছে সিঙ্গাপুর থেকে বেশি দামে। পাশের দেশ থেকে সস্তায় কিনতে পারলে যেখানে সাধারণ মানুষের উপকার হতো, সেখানে এই সরকারের রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের মূল্য দিতে হচ্ছে দেশের গরিব মানুষকে। স্থলবন্দর দিয়ে বাণিজ্য প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু এই সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই, কারণ তাদের লক্ষ্য দেশের স্বার্থ রক্ষা নয়, বরং যারা তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছে তাদের খুশি করা।

এখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকেও হুমকি আসছে। আগে এয়ারবাস থেকে ১০টি বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতি ভুলে গিয়ে হঠাৎ করে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি করা হলো। জার্মান রাষ্ট্রদূত এখন খোলাখুলি বলছেন, এই সিদ্ধান্ত বদলালে বাংলাদেশের জিএসপি প্লাস সুবিধা বাতিল হতে পারে। যে ইউরোপীয় বাজার থেকে আমাদের তৈরি পোশাক রপ্তানির সিংহভাগ আসে, সেই বাজার হারানোর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে এই অদূরদর্শী সরকারের কারণে।

জাপান এখন দাবি করছে তাদের গাড়ি আমদানিতে শুল্ক কমাতে হবে। কারণ আমেরিকাকে যে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, তারাও সেটা চায়। চীন চাইছে এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও শুল্কসুবিধা অব্যাহত রাখার লিখিত নিশ্চয়তা, কিন্তু সেটাও পাচ্ছে না। কারণ এই সরকার চীনের চেয়ে আমেরিকার দিকে বেশি তাকিয়ে আছে। ফলে বাংলাদেশ আজ এমন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে যেখানে সবাই তার সুযোগ নিচ্ছে, কিন্তু কেউ তাকে পূর্ণ আস্থা দিচ্ছে না।

চট্টগ্রাম বন্দরের মতো কৌশলগত অবকাঠামো বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার চুক্তিও করা হয়েছে কোনো স্বচ্ছতা ছাড়াই। পানগাঁও টার্মিনালের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। এসব দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি যা আগামী দশকগুলোতে দেশের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করবে, সেগুলো করছে একটি অনির্বাচিত, অস্থায়ী সরকার যাদের কোনো জবাবদিহিতা নেই।

এই সুদখোর মহাজন যিনি ক্ষুদ্রঋণের নামে দেশের গরিব নারীদের কাছ থেকে চড়া সুদ আদায় করে বিত্তশালী হয়েছেন, তিনি এখন পুরো দেশকে বিদেশি শক্তির কাছে বন্ধক রাখছেন। যে সামরিক বাহিনী এই অবৈধ ক্ষমতা দখলে নীরব সমর্থন দিয়েছে, তারাও এখন দেখছে দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব কীভাবে খণ্ড খণ্ড হয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাবেক মহাপরিচালক এম কে মুজেরী যা বলেছেন তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সরাসরি বলেছেন যে এই সরকারের ভুল সিদ্ধান্তগুলোর দায় বহন করতে হবে পরবর্তী নির্বাচিত সরকারকে। অর্থাৎ যে সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবে, তাকে শুরু থেকেই মোকাবিলা করতে হবে এই অবৈধ শাসনের তৈরি করা জটিলতা।

বিদেশি রাষ্ট্রের অর্থায়নে, জঙ্গিদের সহিংসতায় এবং সামরিক বাহিনীর মদদে যে ক্যু ঘটানো হয়েছিল, তার আসল উদ্দেশ্য এখন পরিষ্কার। বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে দাঁড়াতে না দিয়ে তাকে বিভিন্ন পরাশক্তির মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার খেলা চলছে। এই অন্তর্বর্তী সরকার আসলে কোনো সরকারই নয়, বরং একটি ক্রীড়নক মাত্র যা বিদেশি স্বার্থ বাস্তবায়নের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।

দেশের অর্থনীতি আজ এমন সংকটে যেখান থেকে বেরিয়ে আসতে বছরের পর বছর লাগবে। বিশ্ববাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ছে প্রতিদিন। ব্যবসায়ীরা অনিশ্চয়তায় ভুগছেন, বিনিয়োগকারীরা পালাচ্ছেন, আর সাধারণ মানুষ দেখছে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে চলেছে। কিন্তু এই অবৈধ সরকারের কোনো পরোয়া নেই, কারণ তাদের জবাবদিহিতা জনগণের কাছে নয়, বরং যারা তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছে সেই বিদেশি প্রভুদের কাছে।

ইতিহাস এই বিশ্বাসঘাতকতার বিচার করবে। আর দেশের মানুষ মনে রাখবে কীভাবে একজন সুদখোর মহাজন এবং তার দোসররা মিলে দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি ধসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, ততদিনে দেশের কী অবস্থা হবে?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ