Monday, December 1, 2025

মানবিকতার শেষ রেখাটা কোথায়, সেটা কি আমরা এখনো জানি?

পিরোজপুরের নাজিরপুরে একজন নারী আর একজন বয়স্ক মানুষকে নির্যাতনের যে ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছে, সেটা দেখে আসলে কথা হারিয়ে ফেলতে হয়। একটা মানুষ কতটা নিচে নামতে পারে, সেটার জীবন্ত প্রমাণ ওই ভিডিও। কিন্তু এর চেয়েও ভয়াবহ হলো, এই ঘটনার পরে দীর্ঘ এক বছর ধরে ভুক্তভোগী পরিবার ঘরছাড়া হয়ে ঘুরছে, আর অভিযুক্তরা বহাল তবিয়তে আছে নিজেদের এলাকায়। এটাই এখন বাংলাদেশের বাস্তবতা।

হেলাল সিকদার আর তার দলবল মিলে জায়গা জমির বিরোধকে কাজে লাগিয়ে একটা নারীকে নিপীড়ন করেছে, তার ভিডিও করে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করেছে, স্বর্ণালংকার লুটে নিয়েছে, আর শেষে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে পুরো পরিবারকে এলাকা ছাড়া করে দিয়েছে। এই পুরো ঘটনাটা পরিকল্পিত, হিসেবি আর এতটাই নিষ্ঠুর যে মনে হয় না এগুলো মানুষের কাজ। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এগুলো ঘটছে একটা সভ্য দেশ বলে পরিচিত জায়গায়।

পিরোজপুরের মতো ছোট একটা জায়গায় একটা নারীকে এভাবে নির্যাতন করা হলো, তার ভিডিও ভাইরাল হলো, অভিযোগ দায়ের হলো, কিন্তু বিচার কোথায়? অভিযুক্তদের গ্রেফতার কোথায়? ভুক্তভোগী পরিবারের সুরক্ষা কোথায়?

মুহাম্মদ ইউনূস আর তার অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা দখলের পর গল্প দিয়েছিল, সবার জন্য সুবিচার নিশ্চিত করবে। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে যা ঘটছে, সেটা তো সম্পূর্ণ উল্টো। পুলিশ প্রশাসন দুর্বল, স্থানীয় প্রশাসন নিষ্ক্রিয়, আর সাধারণ মানুষ অসহায়। যে পাঁচজন মিলে এই নির্যাতন চালিয়েছে, তারা এখনো নির্ভয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে কারণ তারা জানে কোনো শাস্তি হবে না। স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতাশালীরা এখন আরও বেশি নির্ভয়। কারণ অ-সরকার তার নিজের অবস্থান শক্ত করতেই ব্যস্ত, সাধারণ মানুষের জীবন নিরাপত্তা তাদের অগ্রাধিকার তালিকায় নেই।

যখন একটা দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়ে, যখন বিচার ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় থাকে, যখন রাজনৈতিক নেতৃত্ব দুর্বল হয়ে যায়, তখন এরকম ঘটনাগুলো বেড়ে যায়। দুর্বৃত্তরা সুযোগ পায়, আর সাধারণ মানুষ শিকার হয়। পিরোজপুরে যা ঘটেছে, দেশের অনেক জায়গায় এরকম ঘটছে, কিন্তু সব ভিডিও হয় না, সব ভাইরাল হয় না।

জুলাই দাঙ্গা মূলত একটা ক্ষমতার শূন্যতা তৈরি করেছে। পুরনো কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়েছে, কিন্তু নতুন কিছু তৈরি হয়নি। ফলে মাঠ পর্যায়ে স্থানীয় প্রভাবশালীরাই এখন আইন। তারা চাঁদাবাজি করছে, নির্যাতন চালাচ্ছে, জমি দখল করছে, আর সাধারণ মানুষ নীরবে সহ্য করছে কারণ তাদের কাছে যাওয়ার মতো কোনো জায়গা নেই। পুলিশ নিজেরাই অনিরাপদ, প্রশাসন নির্দেশনাহীন, আর রাজনৈতিক নেতৃত্ব অস্তিত্বহীন।

ভুক্তভোগী নারীটি ফোনে যা বলেছেন, সেটা শুনলে বোঝা যায় তার যন্ত্রণা কতটা গভীর। তিনি বলেছেন, জায়গা জমি নিয়ে ঝামেলার জের ধরে তার সম্মান নষ্ট করা হয়েছে। তিনি এক বছর ধরে ঘরছাড়া, আশ্রয়ের জন্য মানুষের কাছে হাত পাতছেন। এটাই কি আমাদের সমাজের অবস্থা? একজন নির্যাতিতা নারী বিচার চাইতে পারছে না, বরং পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে, আর নির্যাতনকারীরা মুক্ত।

ইউনূসের সরকার যদি সত্যিই সংস্কারে বিশ্বাসী হতো, তাহলে এই ধরনের ঘটনার বিচার দ্রুততম সময়ে নিশ্চিত করা তাদের প্রথম অগ্রাধিকার হতো। কিন্তু তারা ব্যস্ত আছে অন্য কাজে। তারা ব্যস্ত নিজেদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে, পুরনো শত্রুদের শায়েস্তা করতে, আন্তর্জাতিক দাতাদের সন্তুষ্ট রাখতে। কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবন নিরাপত্তা, বিশেষত নারীদের নিরাপত্তা, সেটা তাদের অগ্রাধিকার তালিকায় কোথাও নেই।

এই পুরো ঘটনাটা একটা বড় প্রশ্ন তুলে দেয় যে, আসলে জুলাই দাঙ্গার পরে কী পরিবর্তন হয়েছে? সরকার বদলেছে, শাসক বদলেছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবনে কি কোনো উন্নতি হয়েছে? বরং পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে বলেই মনে হয়। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দুর্বল, অর্থনৈতিক অবস্থা নাজুক, আর সামাজিক নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। যারা ক্ষমতায় এসেছে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়ে, তারা আসলে পুরনো সমস্যাগুলো আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

পিরোজপুরের এই ঘটনা শুধু একটা নারী নির্যাতনের ঘটনা নয়, এটা একটা পুরো সিস্টেম ব্যর্থতার প্রমাণ। যে সিস্টেম একজন নারীকে রক্ষা করতে পারে না, যে সিস্টেম নির্যাতনকারীদের শাস্তি দিতে পারে না, যে সিস্টেম ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার দিতে পারে না, সেই সিস্টেম মূলত ভেঙে পড়েছে। আর এই ভাঙা সিস্টেমের দায় কার? যারা এখন ক্ষমতায় আছে, তাদের।

এখন প্রশ্ন হলো, এই পরিস্থিতি কতদিন চলবে? কতজন নারীকে আরও নির্যাতিত হতে হবে? কতজন পরিবারকে আরও ঘরছাড়া হতে হবে? কতজন অপরাধীকে আরও ছাড় দেওয়া হবে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর কারও কাছে নেই। যারা ক্ষমতায় আছে, তারা নিশ্চুপ। তারা হয়তো এসব ছোটখাটো ঘটনা মনে করছে, কিন্তু একটা নারীর জীবন শেষ হয়ে যাওয়া কোনো ছোট ঘটনা নয়। একটা পরিবার ধ্বংস হয়ে যাওয়া কোনো ছোট ঘটনা নয়।

ইউনূসের সরকার নিজেদের একটা সংস্কারক সরকার বলে দাবি করে, কিন্তু বাস্তবে তারা একটা অকার্যকর প্রশাসন ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদের কাছে কোনো পরিষ্কার দৃষ্টিভঙ্গি নেই, কোনো শক্তিশালী নেতৃত্ব নেই, কোনো জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা নেই। তারা ক্ষমতায় এসেছে একটা রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ করতে, কিন্তু সেই শূন্যতা তারা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

পিরোজপুরের ওই নারী এখনো ঘরছাড়া, তার নির্যাতনকারীরা এখনো মুক্ত, আর সুদখোর ইউনুসের সরকার এখনো নিশ্চুপ। এটাই বাংলাদেশের বর্তমান চিত্র। এখানে আর মানবিকতা বলে কিছু নেই, আর ন্যায়বিচার বলে কিছু নেই। আছে শুধু শক্তির প্রয়োগ আর দুর্বলের শোষণ। আর এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী যারা এখন ক্ষমতায় বসে আছে, তারা।

পিরোজপুরের নাজিরপুরে একজন নারী আর একজন বয়স্ক মানুষকে নির্যাতনের যে ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছে, সেটা দেখে আসলে কথা হারিয়ে ফেলতে হয়। একটা মানুষ কতটা নিচে নামতে পারে, সেটার জীবন্ত প্রমাণ ওই ভিডিও। কিন্তু এর চেয়েও ভয়াবহ হলো, এই ঘটনার পরে দীর্ঘ এক বছর ধরে ভুক্তভোগী পরিবার ঘরছাড়া হয়ে ঘুরছে, আর অভিযুক্তরা বহাল তবিয়তে আছে নিজেদের এলাকায়। এটাই এখন বাংলাদেশের বাস্তবতা।

হেলাল সিকদার আর তার দলবল মিলে জায়গা জমির বিরোধকে কাজে লাগিয়ে একটা নারীকে নিপীড়ন করেছে, তার ভিডিও করে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করেছে, স্বর্ণালংকার লুটে নিয়েছে, আর শেষে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে পুরো পরিবারকে এলাকা ছাড়া করে দিয়েছে। এই পুরো ঘটনাটা পরিকল্পিত, হিসেবি আর এতটাই নিষ্ঠুর যে মনে হয় না এগুলো মানুষের কাজ। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এগুলো ঘটছে একটা সভ্য দেশ বলে পরিচিত জায়গায়।

পিরোজপুরের মতো ছোট একটা জায়গায় একটা নারীকে এভাবে নির্যাতন করা হলো, তার ভিডিও ভাইরাল হলো, অভিযোগ দায়ের হলো, কিন্তু বিচার কোথায়? অভিযুক্তদের গ্রেফতার কোথায়? ভুক্তভোগী পরিবারের সুরক্ষা কোথায়?

মুহাম্মদ ইউনূস আর তার অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা দখলের পর গল্প দিয়েছিল, সবার জন্য সুবিচার নিশ্চিত করবে। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে যা ঘটছে, সেটা তো সম্পূর্ণ উল্টো। পুলিশ প্রশাসন দুর্বল, স্থানীয় প্রশাসন নিষ্ক্রিয়, আর সাধারণ মানুষ অসহায়। যে পাঁচজন মিলে এই নির্যাতন চালিয়েছে, তারা এখনো নির্ভয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে কারণ তারা জানে কোনো শাস্তি হবে না। স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতাশালীরা এখন আরও বেশি নির্ভয়। কারণ অ-সরকার তার নিজের অবস্থান শক্ত করতেই ব্যস্ত, সাধারণ মানুষের জীবন নিরাপত্তা তাদের অগ্রাধিকার তালিকায় নেই।

যখন একটা দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়ে, যখন বিচার ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় থাকে, যখন রাজনৈতিক নেতৃত্ব দুর্বল হয়ে যায়, তখন এরকম ঘটনাগুলো বেড়ে যায়। দুর্বৃত্তরা সুযোগ পায়, আর সাধারণ মানুষ শিকার হয়। পিরোজপুরে যা ঘটেছে, দেশের অনেক জায়গায় এরকম ঘটছে, কিন্তু সব ভিডিও হয় না, সব ভাইরাল হয় না।

জুলাই দাঙ্গা মূলত একটা ক্ষমতার শূন্যতা তৈরি করেছে। পুরনো কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়েছে, কিন্তু নতুন কিছু তৈরি হয়নি। ফলে মাঠ পর্যায়ে স্থানীয় প্রভাবশালীরাই এখন আইন। তারা চাঁদাবাজি করছে, নির্যাতন চালাচ্ছে, জমি দখল করছে, আর সাধারণ মানুষ নীরবে সহ্য করছে কারণ তাদের কাছে যাওয়ার মতো কোনো জায়গা নেই। পুলিশ নিজেরাই অনিরাপদ, প্রশাসন নির্দেশনাহীন, আর রাজনৈতিক নেতৃত্ব অস্তিত্বহীন।

ভুক্তভোগী নারীটি ফোনে যা বলেছেন, সেটা শুনলে বোঝা যায় তার যন্ত্রণা কতটা গভীর। তিনি বলেছেন, জায়গা জমি নিয়ে ঝামেলার জের ধরে তার সম্মান নষ্ট করা হয়েছে। তিনি এক বছর ধরে ঘরছাড়া, আশ্রয়ের জন্য মানুষের কাছে হাত পাতছেন। এটাই কি আমাদের সমাজের অবস্থা? একজন নির্যাতিতা নারী বিচার চাইতে পারছে না, বরং পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে, আর নির্যাতনকারীরা মুক্ত।

ইউনূসের সরকার যদি সত্যিই সংস্কারে বিশ্বাসী হতো, তাহলে এই ধরনের ঘটনার বিচার দ্রুততম সময়ে নিশ্চিত করা তাদের প্রথম অগ্রাধিকার হতো। কিন্তু তারা ব্যস্ত আছে অন্য কাজে। তারা ব্যস্ত নিজেদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে, পুরনো শত্রুদের শায়েস্তা করতে, আন্তর্জাতিক দাতাদের সন্তুষ্ট রাখতে। কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবন নিরাপত্তা, বিশেষত নারীদের নিরাপত্তা, সেটা তাদের অগ্রাধিকার তালিকায় কোথাও নেই।

এই পুরো ঘটনাটা একটা বড় প্রশ্ন তুলে দেয় যে, আসলে জুলাই দাঙ্গার পরে কী পরিবর্তন হয়েছে? সরকার বদলেছে, শাসক বদলেছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবনে কি কোনো উন্নতি হয়েছে? বরং পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে বলেই মনে হয়। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দুর্বল, অর্থনৈতিক অবস্থা নাজুক, আর সামাজিক নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। যারা ক্ষমতায় এসেছে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়ে, তারা আসলে পুরনো সমস্যাগুলো আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

পিরোজপুরের এই ঘটনা শুধু একটা নারী নির্যাতনের ঘটনা নয়, এটা একটা পুরো সিস্টেম ব্যর্থতার প্রমাণ। যে সিস্টেম একজন নারীকে রক্ষা করতে পারে না, যে সিস্টেম নির্যাতনকারীদের শাস্তি দিতে পারে না, যে সিস্টেম ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার দিতে পারে না, সেই সিস্টেম মূলত ভেঙে পড়েছে। আর এই ভাঙা সিস্টেমের দায় কার? যারা এখন ক্ষমতায় আছে, তাদের।

এখন প্রশ্ন হলো, এই পরিস্থিতি কতদিন চলবে? কতজন নারীকে আরও নির্যাতিত হতে হবে? কতজন পরিবারকে আরও ঘরছাড়া হতে হবে? কতজন অপরাধীকে আরও ছাড় দেওয়া হবে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর কারও কাছে নেই। যারা ক্ষমতায় আছে, তারা নিশ্চুপ। তারা হয়তো এসব ছোটখাটো ঘটনা মনে করছে, কিন্তু একটা নারীর জীবন শেষ হয়ে যাওয়া কোনো ছোট ঘটনা নয়। একটা পরিবার ধ্বংস হয়ে যাওয়া কোনো ছোট ঘটনা নয়।

ইউনূসের সরকার নিজেদের একটা সংস্কারক সরকার বলে দাবি করে, কিন্তু বাস্তবে তারা একটা অকার্যকর প্রশাসন ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদের কাছে কোনো পরিষ্কার দৃষ্টিভঙ্গি নেই, কোনো শক্তিশালী নেতৃত্ব নেই, কোনো জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা নেই। তারা ক্ষমতায় এসেছে একটা রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ করতে, কিন্তু সেই শূন্যতা তারা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

পিরোজপুরের ওই নারী এখনো ঘরছাড়া, তার নির্যাতনকারীরা এখনো মুক্ত, আর সুদখোর ইউনুসের সরকার এখনো নিশ্চুপ। এটাই বাংলাদেশের বর্তমান চিত্র। এখানে আর মানবিকতা বলে কিছু নেই, আর ন্যায়বিচার বলে কিছু নেই। আছে শুধু শক্তির প্রয়োগ আর দুর্বলের শোষণ। আর এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী যারা এখন ক্ষমতায় বসে আছে, তারা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ