Monday, December 1, 2025

২০২৪-২৫ সালে ছয় কোটি মানুষ দারিদ্র্যের দ্বারপ্রান্তে : বিশ্ব ব্যাংক

বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনটি যে ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে, তা দেখে আর অবাক হওয়ার কিছু নেই। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যখন রাস্তায় নামানো হাজার হাজার তরুণকে ব্যবহার করে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়েছিল, তখন থেকেই এই পরিণতি অনিবার্য ছিল। মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন যে তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তার পেছনে বিদেশি শক্তির অর্থায়ন, ইসলামি জঙ্গিগোষ্ঠীর সক্রিয় সহযোগিতা এবং সেনাবাহিনীর একাংশের মদদ থাকার অভিযোগ এখন আর গোপন কিছু নয়।

বাংলাদেশ ২০১০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করেছিল, তা রাতারাতি বিপন্ন হয়ে পড়েছে। দুই কোটি বিশ লাখ মানুষ যখন দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসে মধ্যবিত্ত স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল, ঠিক তখনই এই অবৈধ ক্ষমতা দখলের ঘটনা ঘটল। এখন সেই মানুষগুলোই আবার দারিদ্র্যসীমার দিকে ঠেলে যাওয়ার হুমকিতে রয়েছে। ছয় কোটি বিশ লাখ মানুষ যে যেকোনো সময় আবার দরিদ্র হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে, এই পরিসংখ্যান শুধু একটি সংখ্যা নয়, এটি একটি জাতীয় বিপর্যয়ের পূর্বাভাস।

ইউনুস ও তার দলবল ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের অর্থনীতি ধসে পড়ার সব লক্ষণই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। মূল্যস্ফীতি যেভাবে বেড়ে চলেছে, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা যেভাবে কমছে, বেকারত্ব যেভাবে বাড়ছে, তাতে বিশ্বব্যাংকের এই সতর্কবার্তা মোটেই অতিরঞ্জিত মনে হয় না। উল্টো মনে হয়, বাস্তবতা হয়তো আরও ভয়াবহ হতে পারে।

জুলাইয়ের সেই তথাকথিত গণঅভ্যুত্থানের আসল চরিত্র এখন আর কারও কাছে অজানা নেই। হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে যে আন্দোলনটি হয়েছিল বলে দাবি করা হয়, তার পেছনে বিদেশি অর্থায়ন আর ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে নানা সূত্র থেকে। ইসলামি জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো যেভাবে রাস্তায় নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল, পুলিশ প্রশাসনকে পঙ্গু করে দিয়েছিল, সেটা কোনো স্বতঃস্ফূর্ত জনআন্দোলনের বৈশিষ্ট্য বহন করে না। এটা ছিল একটা সুপরিকল্পিত ক্যু, যেখানে তরুণ প্রজন্মকে ব্যবহার করা হয়েছে কামানের খোরাক হিসেবে।

মুহাম্মদ ইউনুস, যিনি নিজেকে দরিদ্রদের বন্ধু হিসেবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরেন, তার নেতৃত্বেই এখন দেশের সবচেয়ে বড় দারিদ্র্য সংকট তৈরি হতে যাচ্ছে। কী নিদারুণ পরিহাস! যে মানুষটি ক্ষুদ্রঋণের নামে দরিদ্র মানুষকে চক্রবৃদ্ধি সুদের জালে আটকে ফেলার অভিযোগে বারবার সমালোচিত হয়েছেন, সেই মানুষটিই এখন পুরো দেশকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। গ্রামীণ বাংলার মহিলারা যেভাবে তার প্রতিষ্ঠানের ঋণের বোঝায় জীবন কাটিয়ে দিয়েছেন, এখন পুরো দেশকেই সেই একই পথে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে যে আয়বৈষম্য বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে, তা আরও বেশি উদ্বেগজনক। জুলাইয়ের পর থেকে ধনীরা আরও ধনী হয়েছে, আর গরিবরা আরও গরিব হচ্ছে। এটাই হলো এই অবৈধ শাসনের আসল চেহারা। যারা ক্ষমতায় এসেছে ন্যায়বিচার আর সমতার কথা বলে, তারাই দেশে বৈষম্যকে আকাশছোঁয়া করে তুলছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির যা কিছু সুফল ছিল, তা এখন মুষ্টিমেয় ক্ষমতাসীনদের পকেটে যাচ্ছে, সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না।

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, এই ছয় কোটি বিশ লাখ মানুষ যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে, তাদের বেশিরভাগই সেই মানুষ যারা গত দেড় দশকে কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের জীবনমান উন্নত করেছিল। ছোট ব্যবসায়ী, দিনমজুর, রিকশাচালক, গার্মেন্টস শ্রমিক, এই মানুষগুলোই এখন সবচেয়ে বেশি অসহায়। যেকোনো অসুস্থতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা ছোট কোনো আর্থিক ধাক্কায় তারা আবার দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যেতে পারে। এই অবস্থার জন্য দায়ী কারা? যারা দেশকে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ফেলে দিয়েছে, যারা নির্বাচিত সরকারকে অবৈধভাবে ক্ষমতাচ্যুত করেছে, তারাই এই মানবিক বিপর্যয়ের জন্য দায়ী।

বিদেশি শক্তির টাকায় পরিচালিত এই অন্তর্বর্তী সরকার দেশের স্বার্থের চেয়ে তাদের প্রভুদের স্বার্থই বেশি দেখছে। দেশের অর্থনীতি যখন ডুবে যাচ্ছে, তখন তারা ব্যস্ত থাকছে বিদেশি দাতা সংস্থা আর পশ্চিমা শক্তিগুলোকে খুশি করতে। যে দেশের মানুষ একসময় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছিল, সেই দেশেই এখন খাদ্যের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। ডলারের দাম বাড়ছে, আমদানি ব্যয় বাড়ছে, রফতানি কমছে, আর সাধারণ মানুষ পিষ্ট হচ্ছে মূল্যস্ফীতির চাপে।

সামরিক বাহিনীর যে অংশটি এই ক্যুর সাথে জড়িত ছিল, তারা কী ভেবেছিল দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে? সেনাবাহিনী তো দেশের মানুষের সেবা করার জন্য, দেশকে রক্ষা করার জন্য। কিন্তু যখন তারা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হয়ে যায়, তখন দেশের সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বড় মূল্য দেয়। ছয় কোটি বিশ লাখ মানুষ যারা এখন দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে যাওয়ার হুমকিতে আছে, তাদের জন্য কে দায়বদ্ধ? যারা দেশকে এই অরাজকতার মধ্যে ফেলে দিয়েছে, তারাই এই মানবিক বিপর্যয়ের জন্য দায়ী।

বাংলাদেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছিল, যখন দারিদ্র্য কমছিল, যখন মানুষ স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল, ঠিক তখনই এই সুপরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হলো। ইউনুস আর তার দলবলের একটাই লক্ষ্য ছিল, ক্ষমতায় আসা। দেশের মানুষের ভালো নিয়ে তাদের কোনো ভাবনাই ছিল না, নেই এখনও। এই অবৈধ সরকারের শাসনামলে দেশের অর্থনীতি যেভাবে ধসে পড়ছে, তা থেকে বেরিয়ে আসতে হয়তো আরও একটা দশক লেগে যাবে। আর এই দশকে হারিয়ে যাবে আরও লাখো মানুষের ভবিষ্যৎ।

বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনটি যে ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে, তা দেখে আর অবাক হওয়ার কিছু নেই। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যখন রাস্তায় নামানো হাজার হাজার তরুণকে ব্যবহার করে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়েছিল, তখন থেকেই এই পরিণতি অনিবার্য ছিল। মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন যে তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তার পেছনে বিদেশি শক্তির অর্থায়ন, ইসলামি জঙ্গিগোষ্ঠীর সক্রিয় সহযোগিতা এবং সেনাবাহিনীর একাংশের মদদ থাকার অভিযোগ এখন আর গোপন কিছু নয়।

বাংলাদেশ ২০১০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করেছিল, তা রাতারাতি বিপন্ন হয়ে পড়েছে। দুই কোটি বিশ লাখ মানুষ যখন দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসে মধ্যবিত্ত স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল, ঠিক তখনই এই অবৈধ ক্ষমতা দখলের ঘটনা ঘটল। এখন সেই মানুষগুলোই আবার দারিদ্র্যসীমার দিকে ঠেলে যাওয়ার হুমকিতে রয়েছে। ছয় কোটি বিশ লাখ মানুষ যে যেকোনো সময় আবার দরিদ্র হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে, এই পরিসংখ্যান শুধু একটি সংখ্যা নয়, এটি একটি জাতীয় বিপর্যয়ের পূর্বাভাস।

ইউনুস ও তার দলবল ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের অর্থনীতি ধসে পড়ার সব লক্ষণই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। মূল্যস্ফীতি যেভাবে বেড়ে চলেছে, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা যেভাবে কমছে, বেকারত্ব যেভাবে বাড়ছে, তাতে বিশ্বব্যাংকের এই সতর্কবার্তা মোটেই অতিরঞ্জিত মনে হয় না। উল্টো মনে হয়, বাস্তবতা হয়তো আরও ভয়াবহ হতে পারে।

জুলাইয়ের সেই তথাকথিত গণঅভ্যুত্থানের আসল চরিত্র এখন আর কারও কাছে অজানা নেই। হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে যে আন্দোলনটি হয়েছিল বলে দাবি করা হয়, তার পেছনে বিদেশি অর্থায়ন আর ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে নানা সূত্র থেকে। ইসলামি জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো যেভাবে রাস্তায় নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল, পুলিশ প্রশাসনকে পঙ্গু করে দিয়েছিল, সেটা কোনো স্বতঃস্ফূর্ত জনআন্দোলনের বৈশিষ্ট্য বহন করে না। এটা ছিল একটা সুপরিকল্পিত ক্যু, যেখানে তরুণ প্রজন্মকে ব্যবহার করা হয়েছে কামানের খোরাক হিসেবে।

মুহাম্মদ ইউনুস, যিনি নিজেকে দরিদ্রদের বন্ধু হিসেবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরেন, তার নেতৃত্বেই এখন দেশের সবচেয়ে বড় দারিদ্র্য সংকট তৈরি হতে যাচ্ছে। কী নিদারুণ পরিহাস! যে মানুষটি ক্ষুদ্রঋণের নামে দরিদ্র মানুষকে চক্রবৃদ্ধি সুদের জালে আটকে ফেলার অভিযোগে বারবার সমালোচিত হয়েছেন, সেই মানুষটিই এখন পুরো দেশকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। গ্রামীণ বাংলার মহিলারা যেভাবে তার প্রতিষ্ঠানের ঋণের বোঝায় জীবন কাটিয়ে দিয়েছেন, এখন পুরো দেশকেই সেই একই পথে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে যে আয়বৈষম্য বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে, তা আরও বেশি উদ্বেগজনক। জুলাইয়ের পর থেকে ধনীরা আরও ধনী হয়েছে, আর গরিবরা আরও গরিব হচ্ছে। এটাই হলো এই অবৈধ শাসনের আসল চেহারা। যারা ক্ষমতায় এসেছে ন্যায়বিচার আর সমতার কথা বলে, তারাই দেশে বৈষম্যকে আকাশছোঁয়া করে তুলছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির যা কিছু সুফল ছিল, তা এখন মুষ্টিমেয় ক্ষমতাসীনদের পকেটে যাচ্ছে, সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না।

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, এই ছয় কোটি বিশ লাখ মানুষ যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে, তাদের বেশিরভাগই সেই মানুষ যারা গত দেড় দশকে কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের জীবনমান উন্নত করেছিল। ছোট ব্যবসায়ী, দিনমজুর, রিকশাচালক, গার্মেন্টস শ্রমিক, এই মানুষগুলোই এখন সবচেয়ে বেশি অসহায়। যেকোনো অসুস্থতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা ছোট কোনো আর্থিক ধাক্কায় তারা আবার দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যেতে পারে। এই অবস্থার জন্য দায়ী কারা? যারা দেশকে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ফেলে দিয়েছে, যারা নির্বাচিত সরকারকে অবৈধভাবে ক্ষমতাচ্যুত করেছে, তারাই এই মানবিক বিপর্যয়ের জন্য দায়ী।

বিদেশি শক্তির টাকায় পরিচালিত এই অন্তর্বর্তী সরকার দেশের স্বার্থের চেয়ে তাদের প্রভুদের স্বার্থই বেশি দেখছে। দেশের অর্থনীতি যখন ডুবে যাচ্ছে, তখন তারা ব্যস্ত থাকছে বিদেশি দাতা সংস্থা আর পশ্চিমা শক্তিগুলোকে খুশি করতে। যে দেশের মানুষ একসময় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছিল, সেই দেশেই এখন খাদ্যের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। ডলারের দাম বাড়ছে, আমদানি ব্যয় বাড়ছে, রফতানি কমছে, আর সাধারণ মানুষ পিষ্ট হচ্ছে মূল্যস্ফীতির চাপে।

সামরিক বাহিনীর যে অংশটি এই ক্যুর সাথে জড়িত ছিল, তারা কী ভেবেছিল দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে? সেনাবাহিনী তো দেশের মানুষের সেবা করার জন্য, দেশকে রক্ষা করার জন্য। কিন্তু যখন তারা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হয়ে যায়, তখন দেশের সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বড় মূল্য দেয়। ছয় কোটি বিশ লাখ মানুষ যারা এখন দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে যাওয়ার হুমকিতে আছে, তাদের জন্য কে দায়বদ্ধ? যারা দেশকে এই অরাজকতার মধ্যে ফেলে দিয়েছে, তারাই এই মানবিক বিপর্যয়ের জন্য দায়ী।

বাংলাদেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছিল, যখন দারিদ্র্য কমছিল, যখন মানুষ স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল, ঠিক তখনই এই সুপরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হলো। ইউনুস আর তার দলবলের একটাই লক্ষ্য ছিল, ক্ষমতায় আসা। দেশের মানুষের ভালো নিয়ে তাদের কোনো ভাবনাই ছিল না, নেই এখনও। এই অবৈধ সরকারের শাসনামলে দেশের অর্থনীতি যেভাবে ধসে পড়ছে, তা থেকে বেরিয়ে আসতে হয়তো আরও একটা দশক লেগে যাবে। আর এই দশকে হারিয়ে যাবে আরও লাখো মানুষের ভবিষ্যৎ।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ