Monday, December 1, 2025

সারাদেশে নীরব চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসের আতঙ্কে থমকে গেছে অর্থনীতি

গত কয়েক মাসে দেশের বড় শহরগুলোতে ব্যবসায়ীদের ওপর চরম সন্ত্রাসী হুমকির ঘটনা বেড়েছে। রাজধানীর পল্লবী অঞ্চলের এক ব্যবসায়ী সম্প্রতি এ ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছেন। সন্ত্রাসীরা তাঁকে ফোনে বা সরাসরি জানায়, “তুই বড় ব্যবসায়ী। পাঁচ কোটি টাকা দিবি আমাদের, নইলে মাইরা ফালামু। বাঁচবে না তোর পরিবার।” চাহিদা মতো টাকা না পেয়ে সন্ত্রাসীরা ব্যবসায়ীর পায়ে গুলি চালায়। এতে তিনি শারীরিকভাবে আহত হয়ে অনেকটা পঙ্গু হয়ে পড়েছেন এবং পরিবার নিয়ে বর্তমানে চরম আতঙ্কের মধ্যে দিনযাপন করছেন।

এটি একক ঘটনা নয়। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে গত বছরের ৫ আগস্টের পর নীরব চাঁদাবাজির ঘটনা অহরহ ঘটছে। ব্যবসায়ী বা শিল্পপতিদের ওপর অর্থনৈতিক ও শারীরিক সন্ত্রাসের ছায়া দেশের বিভিন্ন শিল্প ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে থমকে দিয়েছে। চট্টগ্রামের চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক এক পরিচালক জানান, তাঁর কারখানা চট্টগ্রাম ইপিজেডে থাকলেও সন্ত্রাসীরা নিয়মিত চাঁদাবাজির হুমকি দিচ্ছেন।

এই নীরব চাঁদাবাজি ব্যবসায়িক পরিবেশকে কঠিন করে তুলেছে। নতুন বিনিয়োগের আগ্রহ কমেছে, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান থমকে গেছে এবং সাধারণ মানুষও আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। সন্ত্রাসীরা যে কোনো সময়, যে কোনো জেলায়, যে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে তাদের দাবি চাপিয়ে দিতে সক্ষম—এই ধারণা ইতিমধ্যেই ব্যবসায়ীদের মনে গভীর ভয় সৃষ্টি করেছে।

সারাদেশে নীরব চাঁদাবাজি কেবল ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতাকেও প্রভাবিত করছে। আতঙ্কের ছায়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কর্মী এবং সাধারণ মানুষ—সবার ওপর পড়ছে, আর এতে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থমকে যাচ্ছে।

গত কয়েক মাসে দেশের বড় শহরগুলোতে ব্যবসায়ীদের ওপর চরম সন্ত্রাসী হুমকির ঘটনা বেড়েছে। রাজধানীর পল্লবী অঞ্চলের এক ব্যবসায়ী সম্প্রতি এ ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছেন। সন্ত্রাসীরা তাঁকে ফোনে বা সরাসরি জানায়, “তুই বড় ব্যবসায়ী। পাঁচ কোটি টাকা দিবি আমাদের, নইলে মাইরা ফালামু। বাঁচবে না তোর পরিবার।” চাহিদা মতো টাকা না পেয়ে সন্ত্রাসীরা ব্যবসায়ীর পায়ে গুলি চালায়। এতে তিনি শারীরিকভাবে আহত হয়ে অনেকটা পঙ্গু হয়ে পড়েছেন এবং পরিবার নিয়ে বর্তমানে চরম আতঙ্কের মধ্যে দিনযাপন করছেন।

এটি একক ঘটনা নয়। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে গত বছরের ৫ আগস্টের পর নীরব চাঁদাবাজির ঘটনা অহরহ ঘটছে। ব্যবসায়ী বা শিল্পপতিদের ওপর অর্থনৈতিক ও শারীরিক সন্ত্রাসের ছায়া দেশের বিভিন্ন শিল্প ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে থমকে দিয়েছে। চট্টগ্রামের চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক এক পরিচালক জানান, তাঁর কারখানা চট্টগ্রাম ইপিজেডে থাকলেও সন্ত্রাসীরা নিয়মিত চাঁদাবাজির হুমকি দিচ্ছেন।

এই নীরব চাঁদাবাজি ব্যবসায়িক পরিবেশকে কঠিন করে তুলেছে। নতুন বিনিয়োগের আগ্রহ কমেছে, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান থমকে গেছে এবং সাধারণ মানুষও আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। সন্ত্রাসীরা যে কোনো সময়, যে কোনো জেলায়, যে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে তাদের দাবি চাপিয়ে দিতে সক্ষম—এই ধারণা ইতিমধ্যেই ব্যবসায়ীদের মনে গভীর ভয় সৃষ্টি করেছে।

সারাদেশে নীরব চাঁদাবাজি কেবল ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতাকেও প্রভাবিত করছে। আতঙ্কের ছায়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কর্মী এবং সাধারণ মানুষ—সবার ওপর পড়ছে, আর এতে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থমকে যাচ্ছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ