মোহাম্মদ ইউনুসের তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা যেভাবে বেড়েছে, সেটা এখন আর কোনো গোপন বিষয় নয়। গত কয়েক সপ্তাহে ঢাকার তিনটি খ্রিষ্টান ধর্মীয় স্থাপনায় একের পর এক বোমা হামলা হলো, অথচ সরকারের পক্ষ থেকে কোনো শক্ত পদক্ষেপ নেই। হলি রোজারি চার্চ, সেন্ট মেরি ক্যাথেড্রাল আর সেন্ট যোসেফ স্কুলে যখন বোমা ফাটছে, তখন ইউনুস সাহেব ব্যস্ত নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে।
এই লোক যখন ক্ষমতায় এসেছিল, তখন বলা হয়েছিল গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবেন, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে উল্টো। একটা নির্বাচিত সরকারকে জোর করে হটিয়ে যারা ক্ষমতায় বসেছে, তাদের কাছ থেকে আর কী-ই বা আশা করা যায়। জুলাই মাসে যে দাঙ্গা হলো, সেটা কি সত্যিই স্বতঃস্ফূর্ত ছিল? নাকি সুপরিকল্পিত একটা অভ্যুত্থান ছিল যার পেছনে বিদেশি টাকা আর দেশীয় জঙ্গি সংগঠনের মদদ ছিল? প্রশ্নগুলো এখন সবারই জানা।
ইউনুস সাহেবের বয়স ৮৫। নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন মাইক্রোক্রেডিটের জন্য, কিন্তু সেই ক্ষুদ্রঋণের ব্যবসাতেই তো সুদের হার নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। গরিব মানুষের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা নিয়ে কেউ যদি শান্তির পুরস্কার পায়, তাহলে সেই পুরস্কারের মূল্যই বা কী? এখন সেই মানুষটাই দেশ চালাচ্ছেন, আর দেশে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ বোধ করছে না।
খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষরা এখন গির্জায় যেতে ভয় পাচ্ছেন। একজন তরুণ বিশ্ববিদ্যালয় গ্রাজুয়েট বলেছেন, উপাসনায় যাওয়ার সময় উদ্বেগে থাকতে হয়। এটা কেমন দেশ হলো যেখানে মানুষ নিজের ধর্মপালন করতে ভয় পায়? যে দেশে সংখ্যালঘুদের অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই, সেই দেশেই তারা আজ সবচেয়ে অরক্ষিত।
ইউনুসের পাশে দাঁড়িয়ে আছে জামায়াতে ইসলামী। এই সংগঠনের ইতিহাস তো সবারই জানা। মুক্তিযুদ্ধে তারা কোন পক্ষে ছিল, সেটা বলার দরকার নেই। এখন তারা আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। রাজনীতিতে তাদের প্রভাব বাড়ছে, আর সেই সাথে বাড়ছে সাম্প্রদায়িক হামলাও। কাকতালীয় ব্যাপার নাকি সুপরিকল্পিত কৌশল?
পুলিশ বলছে তদন্ত চলছে, হামলাগুলো একক ঘটনা নাকি পরস্পরসংযুক্ত সেটা দেখছে। কিন্তু তিনটা হামলা তিন সপ্তাহের মধ্যে হলো, আর এখনো কেউ ধরা পড়লো না? কোনো গ্রেপ্তার হলো না? এটা কি অক্ষমতা নাকি ইচ্ছাকৃত উদাসীনতা? যে সরকারের আমলে ১৩০০টা অস্ত্র হারিয়ে গেছে, সেই সরকার কীভাবে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেবে?
সবচেয়ে দুঃখজনক ব্যাপার হলো, এসব হামলার পরও কোনো গোষ্ঠী দায় স্বীকার করেনি। মানে হামলাকারীরা এতটাই নির্ভয় যে তাদের ধরা পড়ার কোনো ভয় নেই। তারা জানে যে এই সরকারের অধীনে তাদের কিছু হবে না। আর এই নির্ভয়তাই সবচেয়ে বিপজ্জনক।
ইউনুস সাহেব ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু যে দেশে এখন রাজনৈতিক সমাবেশে গুলি চলছে, যেখানে সংখ্যালঘুদের উপাসনাস্থলে বোমা ফাটছে, সেই দেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন কীভাবে সম্ভব? বাংলাদেশ ন্যাশনাল পার্টির সমাবেশে যখন গুলি চলে, তখন বোঝা যায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে।
সত্যি বলতে, ইউনুসের এই অন্তর্বর্তী সরকার দেশকে একটা অন্ধকার গলিতে ঠেলে দিয়েছে। যে মানুষটা সুদের ব্যবসা করে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, তিনি এখন রাষ্ট্র চালাচ্ছেন। আর তার পাশে আছে জামায়াতের মতো সংগঠন যাদের হাত সবসময়ই সাম্প্রদায়িকতার দিকে ঝুঁকে থাকে। এই জোট যতদিন ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন সংখ্যালঘুরা নিরাপদ থাকবে না।
খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষরা এখন আতঙ্কে আছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপরও হামলার খবর আসছে নিয়মিত। বৌদ্ধ, আহমদিয়া সবাই অনিরাপদ বোধ করছে। এটা কোনো গণতান্ত্রিক দেশের লক্ষণ নয়। এটা একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রের লক্ষণ যেখানে ক্ষমতাসীনরা হয় অক্ষম, নয়তো ইচ্ছাকৃতভাবে এসব হামলা উপেক্ষা করছে। বাংলাদেশ একটা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে জন্ম নিয়েছিল। এখন সেই মূল্যবোধগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে পরিকল্পিতভাবে।
এই হামলাগুলো শুধু খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নয়, এটা বাংলাদেশের ঐতিহ্য আর খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ওপর হামলা: ইউনুসের ব্যর্থতা আর জামায়াতের ছায়া
মোহাম্মদ ইউনুসের তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা যেভাবে বেড়েছে, সেটা এখন আর কোনো গোপন বিষয় নয়। গত কয়েক সপ্তাহে ঢাকার তিনটি খ্রিষ্টান ধর্মীয় স্থাপনায় একের পর এক বোমা হামলা হলো, অথচ সরকারের পক্ষ থেকে কোনো শক্ত পদক্ষেপ নেই। হলি রোজারি চার্চ, সেন্ট মেরি ক্যাথেড্রাল আর সেন্ট জোসেফ স্কুলে যখন বোমা ফাটছে, তখন ইউনুস সাহেব ব্যস্ত নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে।
এই লোক যখন ক্ষমতায় এসেছিল, তখন বলা হয়েছিল গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবেন, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে উল্টো। একটা নির্বাচিত সরকারকে জোর করে হটিয়ে যারা ক্ষমতায় বসেছে, তাদের কাছ থেকে আর কী-ই বা আশা করা যায়। জুলাই মাসে যে দাঙ্গা হলো, সেটা কি সত্যিই স্বতঃস্ফূর্ত ছিল? নাকি সুপরিকল্পিত একটা অভ্যুত্থান ছিল যার পেছনে বিদেশি টাকা আর দেশীয় জঙ্গি সংগঠনের মদদ ছিল? প্রশ্নগুলো এখন সবার মনেই।
ইউনুস সাহেবের বয়স ৮৫। নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন মাইক্রোক্রেডিটের জন্য, কিন্তু সেই ক্ষুদ্রঋণের ব্যবসাতেই তো সুদের হার নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। গরিব মানুষের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা নিয়ে কেউ যদি শান্তির পুরস্কার পায়, তাহলে সেই পুরস্কারের মূল্যই বা কী? এখন সেই মানুষটাই দেশ চালাচ্ছেন, আর দেশে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ বোধ করছে না।
খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষরা এখন গির্জায় যেতে ভয় পাচ্ছেন। একজন তরুণ বিশ্ববিদ্যালয় গ্রাজুয়েট বলেছেন, উপাসনায় যাওয়ার সময় উদ্বেগে থাকতে হয়। এটা কেমন দেশ হলো যেখানে মানুষ নিজের ধর্মপালন করতে ভয় পায়? যে দেশে সংখ্যালঘুদের অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই, সেই দেশেই তারা আজ সবচেয়ে অরক্ষিত।
ইউনুসের পাশে দাঁড়িয়ে আছে জামায়াতে ইসলামী। এই সংগঠনের ইতিহাস তো সবারই জানা। মুক্তিযুদ্ধে তারা কোন পক্ষে ছিল, সেটা বলার দরকার নেই। এখন তারা আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। রাজনীতিতে তাদের প্রভাব বাড়ছে, আর সেই সাথে বাড়ছে সাম্প্রদায়িক হামলাও। কাকতালীয় ব্যাপার নাকি সুপরিকল্পিত কৌশল?
পুলিশ বলছে তদন্ত চলছে, হামলাগুলো একক ঘটনা নাকি পরস্পরসংযুক্ত সেটা দেখছে। কিন্তু তিনটা হামলা তিন সপ্তাহের মধ্যে হলো, আর এখনো কেউ ধরা পড়লো না? কোনো গ্রেপ্তার হলো না? এটা কি অক্ষমতা নাকি ইচ্ছাকৃত উদাসীনতা? যে সরকারের আমলে ১৩০০টা অস্ত্র হারিয়ে গেছে, সেই সরকার কীভাবে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেবে?
সবচেয়ে দুঃখজনক ব্যাপার হলো, এসব হামলার পরও কোনো গোষ্ঠী দায় স্বীকার করেনি। মানে হামলাকারীরা এতটাই নির্ভয় যে তাদের ধরা পড়ার কোনো ভয় নেই। তারা জানে যে এই সরকারের অধীনে তাদের কিছু হবে না। আর এই নির্ভয়তাই সবচেয়ে বিপজ্জনক।
ইউনুস সাহেব ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু যে দেশে এখন রাজনৈতিক সমাবেশে গুলি চলছে, যেখানে সংখ্যালঘুদের উপাসনাস্থলে বোমা ফাটছে, সেই দেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন কীভাবে সম্ভব? বাংলাদেশ ন্যাশনাল পার্টির সমাবেশে যখন গুলি চলে, তখন বোঝা যায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে।
সত্যি বলতে, ইউনুসের এই অন্তর্বর্তী সরকার দেশকে একটা অন্ধকার গলিতে ঠেলে দিয়েছে। যে মানুষটা সুদের ব্যবসা করে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, তিনি এখন রাষ্ট্র চালাচ্ছেন। আর তার পাশে আছে জামায়াতের মতো সংগঠন যাদের হাত সবসময়ই সাম্প্রদায়িকতার দিকে ঝুঁকে থাকে। এই জোট যতদিন ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন সংখ্যালঘুরা নিরাপদ থাকবে না।
খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষরা এখন আতঙ্কে আছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপরও হামলার খবর আসছে নিয়মিত। বৌদ্ধ, আহমদিয়া সবাই অনিরাপদ বোধ করছে। এটা কোনো গণতান্ত্রিক দেশের লক্ষণ নয়। এটা একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রের লক্ষণ যেখানে ক্ষমতাসীনরা হয় অক্ষম, নয়তো ইচ্ছাকৃতভাবে এসব হামলা উপেক্ষা করছে।
ইউনুস সাহেব আর তার সহযোগী জামায়াত যদি মনে করে যে এভাবে দেশ চালানো যাবে, তাহলে তারা ভুল করছেন। ইতিহাস সাক্ষী, যারা সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার করে ক্ষমতায় থাকতে চায়, তাদের পতন অনিবার্য। বাংলাদেশ একটা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে জন্ম নিয়েছিল। এখন সেই মূল্যবোধগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে পরিকল্পিতভাবে।
এই হামলাগুলো শুধু খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নয়, এটা বাংলাদেশের ঐতিহ্য আর মূল্যবোধের বিরুদ্ধে একটা আক্রমণ। যে দেশে একসময় সব ধর্মের মানুষ পাশাপাশি বসবাস করতো, সেই দেশ আজ সাম্প্রদায়িক বিভাজনের শিকার হচ্ছে। আর এর দায় পুরোপুরি ইউনুস আর তার জামায়াত গংদের ওপর।

