নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ক্রমেই বেড়েই চলছে, যার পেছনে রয়েছে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার ঘনিষ্ঠ সমর্থকদের পরিকল্পনা। বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করলেও ইউনূস এটি একটি কৌশলগত চাল হিসেবে ব্যবহার করছেন। সম্প্রতি জামায়াতের বক্তব্যেই ইউনূসের এই পরিকল্পনা ফাঁস হয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী গণভোট না হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে ২০২৯ সালে, এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাজধানীর পল্টন মোড়ে ৮ দলের সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। এদিকে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ছাড়া নির্বাচনের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
এদিকে আওয়ামী লীগের ১৩ অক্টোবরের লকডাউনকে ঘিরে একের পর এক বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। এ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (৯ নভেম্বর) ঠাকুরগাঁওয়ে তিনি বলেন, দেশে যত সংকট রয়েছে সবই তৈরি করা নাটক। অর্থাৎ এসব আগুনের ঘটনাও সরকার ও তাদের পছন্দের জামায়াতের নাটক এমন ইঙ্গিতই করেছেন ফখরুল।
বিশ্লেষকরা বলছেন, পশ্চিমা শক্তির নির্দেশে ইউনূস গোষ্ঠী দেশকে সিরিয়া-ইরাকের মতো অস্থিতিশীল অঞ্চলে পরিণত করতে চাচ্ছে। দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল রাখলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মানবিক করিডোর, বন্দর ও সেন্টমার্টিনসহ বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনা সহজেই দখল করতে পারবে। এভাবেই চীনের প্রভাব কমানো হচ্ছে এই অঞ্চলে। মার্কিন প্রেসক্রিপশনের অংশ হিসেবে দেশকে বিভক্ত করার এবং গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা শুধু অভ্যন্তরীণ কারণেই সৃষ্টি হচ্ছে না, বরং এটি একটি সংগঠিত আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ। তারা বলছেন, “ইউনূস ও তার সহযোগীদের কার্যক্রম শুধু দেশের সংবিধান ও আইনের প্রতি অবজ্ঞা নয়, এটি একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে নির্বাচন পেছানোর লক্ষ্য রয়েছে। এ ধরনের অবস্থা দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

